প্রতিনিধি, মহালছড়ি (খাগড়াছড়ি)

খাগড়াছড়ির নবসৃষ্ট গুইমারা উপজেলার সিন্দুকছড়ি ইউনিয়নে গোয়াইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয়েছে ১৯৬৫ সালে। প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ ৫৫ বছর পেড়িয়ে গেলেও এ সরকারি বিদ্যালয়টির কোন অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়নি।
সরেজমিনে গোয়াইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেখা যায়, কাঠের কাঠামোতে টিনের বেড়া ও চালা দিয়ে ঘরটি নির্মিত। বারান্দায় বাঁশের বেড়া। করোনার কারণে প্রায় দেড় বছর ধরে স্কুল বন্ধ থাকায় বিদ্যালয়ের চারপাশে ঝোপঝাড়ে ভরে গেছে। স্কুল ঘরটি জোড়াতালি দিয়ে জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে।
গোয়াইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রিপ্রুচাই মারমা জানান, বিদ্যালয়ে বর্তমানে তিনজন শিক্ষক ও একজন দপ্তরি কর্মরত রয়েছে। প্রাক প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী সংখ্যা ৯৬ জন। এত দিন যাবৎ সিন্দুকছড়ি ইউনিয়নটি মহালছড়ি উপজেলার অধীনে ছিল। গুইমারা উপজেলা সৃষ্ট হওয়ায় সিন্দুকছড়ি ইউনিয়নটি গুইমারা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। উপজেলা সীমানা জটিলতার কারণে এ বিদ্যালয়টি এত দিন অবহেলায় পড়ে ছিল।
রিপ্রুচাই মারমা আরও জানান, গত ৪ মাস আগে ভবনের জন্য আবেদন করা হয়েছে। ভবন নির্মাণের জন্য দুইবার ইঞ্জিনিয়ার এসে জায়গা মেপে গেছেন। তাঁর প্রত্যাশা, এবার ভবন হয়ে যাবে।
এ প্রসঙ্গে গুইমারা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হিটলারুজ্জামান বলেন, আমি এ উপজেলায় দায়িত্ব নিয়েছি বেশি দিন হয়নি। আমার জানামতে, এখানে তিন উপজেলার তিন ইউনিয়ন মিলে গুইমারা উপজেলা সৃষ্টি হয়। সিন্দুকছড়ি ইউনিয়নটি ছিল মহালছড়ি উপজেলা অধীনে। ফলে ওই ইউনিয়নে যতগুলো বিদ্যালয় ছিল সকল কার্যক্রম মহালছড়ি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে পরিচালিত হতো। কী কারণে এত দীর্ঘ সময়ের পরেও ভবন নির্মাণ হয়নি সেটা মহালছড়ি উপজেলা শিক্ষা অফিস কর্মকর্তাগণ বলতে পারবেন।
গুইমারা উপজেলায় গোয়াইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছাড়াও আরও ২টি প্রাথমিক বিদ্যালয় এখনো কাঁচা রয়েছে। এ তিনটি বিদ্যালয়ে ভবন নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। অতি দ্রুত ভবন নির্মাণ অনুমোদন হবে বলে আশা এলাকাবাসীর।

খাগড়াছড়ির নবসৃষ্ট গুইমারা উপজেলার সিন্দুকছড়ি ইউনিয়নে গোয়াইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয়েছে ১৯৬৫ সালে। প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ ৫৫ বছর পেড়িয়ে গেলেও এ সরকারি বিদ্যালয়টির কোন অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়নি।
সরেজমিনে গোয়াইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেখা যায়, কাঠের কাঠামোতে টিনের বেড়া ও চালা দিয়ে ঘরটি নির্মিত। বারান্দায় বাঁশের বেড়া। করোনার কারণে প্রায় দেড় বছর ধরে স্কুল বন্ধ থাকায় বিদ্যালয়ের চারপাশে ঝোপঝাড়ে ভরে গেছে। স্কুল ঘরটি জোড়াতালি দিয়ে জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে।
গোয়াইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রিপ্রুচাই মারমা জানান, বিদ্যালয়ে বর্তমানে তিনজন শিক্ষক ও একজন দপ্তরি কর্মরত রয়েছে। প্রাক প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী সংখ্যা ৯৬ জন। এত দিন যাবৎ সিন্দুকছড়ি ইউনিয়নটি মহালছড়ি উপজেলার অধীনে ছিল। গুইমারা উপজেলা সৃষ্ট হওয়ায় সিন্দুকছড়ি ইউনিয়নটি গুইমারা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। উপজেলা সীমানা জটিলতার কারণে এ বিদ্যালয়টি এত দিন অবহেলায় পড়ে ছিল।
রিপ্রুচাই মারমা আরও জানান, গত ৪ মাস আগে ভবনের জন্য আবেদন করা হয়েছে। ভবন নির্মাণের জন্য দুইবার ইঞ্জিনিয়ার এসে জায়গা মেপে গেছেন। তাঁর প্রত্যাশা, এবার ভবন হয়ে যাবে।
এ প্রসঙ্গে গুইমারা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হিটলারুজ্জামান বলেন, আমি এ উপজেলায় দায়িত্ব নিয়েছি বেশি দিন হয়নি। আমার জানামতে, এখানে তিন উপজেলার তিন ইউনিয়ন মিলে গুইমারা উপজেলা সৃষ্টি হয়। সিন্দুকছড়ি ইউনিয়নটি ছিল মহালছড়ি উপজেলা অধীনে। ফলে ওই ইউনিয়নে যতগুলো বিদ্যালয় ছিল সকল কার্যক্রম মহালছড়ি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে পরিচালিত হতো। কী কারণে এত দীর্ঘ সময়ের পরেও ভবন নির্মাণ হয়নি সেটা মহালছড়ি উপজেলা শিক্ষা অফিস কর্মকর্তাগণ বলতে পারবেন।
গুইমারা উপজেলায় গোয়াইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছাড়াও আরও ২টি প্রাথমিক বিদ্যালয় এখনো কাঁচা রয়েছে। এ তিনটি বিদ্যালয়ে ভবন নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। অতি দ্রুত ভবন নির্মাণ অনুমোদন হবে বলে আশা এলাকাবাসীর।

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে