আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক-কর্মচারীদের অফিসে ডেকে এবং বিকাশের মাধ্যমে ঘুষ নেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘুষের টাকা না পেলে আটকে থাকে ফাইল, হতে হয় হয়রানির স্বীকার।
তবে শফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকার কাছে অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, তিনি ঘুষ হিসেবে নয় সম্মানী ও পারিশ্রমিক হিসেবে টাকা নিয়ে থাকেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলার কয়েকটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মচারী নিয়োগ ও এনটিআরসিএ কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অনলাইনে এমপিও ফাইল অগ্রায়ন করতে ও সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক এবং প্রতিষ্ঠান প্রধানদের কাছ থেকে ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা ঘুষ নেন এই কর্মকর্তা।
আজকের পত্রিকার অনুসন্ধানে জানা গেছে, শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম এক নিয়োগপ্রাপ্তকে বিশেষ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্য টাকা চান। টাকা চাওয়ার একাধিক অডিও ফোনালাপের রেকর্ড এসেছে এই প্রতিবেদকের হাতে।
ওইসব অডিও রেকর্ডে শফিকুল ইসলামকে বলতে শোনা যায়, ‘একটি ফাইল পাঠাতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। অনেক ওয়েব সাইটে ক্লিক করতে হয়। বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠিয়ে দিবেন।’
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এনটিআরসিএ থেকে ৩১ জন শিক্ষক এই উপজেলায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুপারিশপ্রাপ্ত হন।
গত ০৯ অক্টোবর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ওএম/ ৭৪ /ম/ ১৪-৩১২৩ নম্বর স্মারকে এনটিআরসিএ থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের হয়রানি বন্ধে একটি পত্র জারি করা হয়। সেই পত্রে বলা হয়, উপজেলা পর্যায়ে অনলাইনে এমপিও সংশ্লিষ্ট আবেদন অগ্রায়ণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য বিধিবিধানের আলোকে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একাধিক শিক্ষক ক্ষোভ প্রকাশ করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সব নির্দেশনা উপেক্ষা করে নিয়োগ ও এমপিওভুক্তিসহ বিভিন্ন কাজে ঘুষ নিচ্ছেন। কর্মকর্তা হওয়ায় বাধ্য হয়ে তাঁকে ঘুষের টাকা দিতে হয়।
আক্কেলপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল মোমিন বলেন, ‘এনটিআরসিএর ৪র্থ গণবিজ্ঞপ্তির সুপারিশে আমার প্রতিষ্ঠানে ৩ জন শিক্ষক যোগদান করেন। তাঁরা অনলাইনে এমপিও আবেদন করেন। তিনি (শফিকুল ইসলাম) নিজ অফিসে আমাকে ডেকে নিয়ে তিনজনের ফাইল অনলাইনে পাঠাতে ৬ হাজার টাকা দাবি করেন।’
উপজেলার আরকেএম দাখিল মাদ্রাসার সুপার গোলাম আযম বলেন, ‘সম্প্রতি আমার প্রতিষ্ঠানে একজন কর্মচারী নিয়োগ হয়েছে। সেই নিয়োগে তিনি (শফিকুল ইসলাম) টাকা নিয়েছেন। পরে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রার্থীর অনলাইনে এমপিও আবেদন ফাইল পাঠানোর জন্য ফোনে ৫ হাজার টাকা দাবি করেন এবং সেই টাকা বিকাশে দিতে বলেন। পরবর্তীতে প্রার্থী নতুন চাকরি হওয়ায় ভয়ে তাঁকে বিকাশের মাধ্যমে টাকা দিয়েছেন।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. শফিকুল ইসলাম অভিযোগ স্বীকার করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অনলাইনে এমপিও ফাইল পাঠাতে অফিস চলাকালে বাইরেও অনেক পরিশ্রম করতে হয়। এটি এক প্রকার পারিশ্রমিক হিসেবে নিয়ে থাকি। তবে কর্মচারী নিয়োগের বিষয়ে আমি কোনো টাকা নিইনি। আমি নিয়োগের সময়ে কোনো প্রতিষ্ঠানে গেলে তাঁরা আমাকে কিছু সম্মানী দেয়, যা ঘুষ নয়।’
জয়পুরহাট জেলা শিক্ষা অফিসার শিশির কুমার উপাধ্যায় বলেন, ‘শফিকুল ইসলামের বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এমপিও ফাইল পাঠানো তাঁর কাজের মধ্যে পড়ে। সেখানে কোনো অর্থ লেনদেন করার কোনো সুযোগ নেই।’

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক-কর্মচারীদের অফিসে ডেকে এবং বিকাশের মাধ্যমে ঘুষ নেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘুষের টাকা না পেলে আটকে থাকে ফাইল, হতে হয় হয়রানির স্বীকার।
তবে শফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকার কাছে অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, তিনি ঘুষ হিসেবে নয় সম্মানী ও পারিশ্রমিক হিসেবে টাকা নিয়ে থাকেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলার কয়েকটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মচারী নিয়োগ ও এনটিআরসিএ কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অনলাইনে এমপিও ফাইল অগ্রায়ন করতে ও সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক এবং প্রতিষ্ঠান প্রধানদের কাছ থেকে ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা ঘুষ নেন এই কর্মকর্তা।
আজকের পত্রিকার অনুসন্ধানে জানা গেছে, শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম এক নিয়োগপ্রাপ্তকে বিশেষ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্য টাকা চান। টাকা চাওয়ার একাধিক অডিও ফোনালাপের রেকর্ড এসেছে এই প্রতিবেদকের হাতে।
ওইসব অডিও রেকর্ডে শফিকুল ইসলামকে বলতে শোনা যায়, ‘একটি ফাইল পাঠাতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। অনেক ওয়েব সাইটে ক্লিক করতে হয়। বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠিয়ে দিবেন।’
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এনটিআরসিএ থেকে ৩১ জন শিক্ষক এই উপজেলায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুপারিশপ্রাপ্ত হন।
গত ০৯ অক্টোবর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ওএম/ ৭৪ /ম/ ১৪-৩১২৩ নম্বর স্মারকে এনটিআরসিএ থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের হয়রানি বন্ধে একটি পত্র জারি করা হয়। সেই পত্রে বলা হয়, উপজেলা পর্যায়ে অনলাইনে এমপিও সংশ্লিষ্ট আবেদন অগ্রায়ণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য বিধিবিধানের আলোকে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একাধিক শিক্ষক ক্ষোভ প্রকাশ করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সব নির্দেশনা উপেক্ষা করে নিয়োগ ও এমপিওভুক্তিসহ বিভিন্ন কাজে ঘুষ নিচ্ছেন। কর্মকর্তা হওয়ায় বাধ্য হয়ে তাঁকে ঘুষের টাকা দিতে হয়।
আক্কেলপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল মোমিন বলেন, ‘এনটিআরসিএর ৪র্থ গণবিজ্ঞপ্তির সুপারিশে আমার প্রতিষ্ঠানে ৩ জন শিক্ষক যোগদান করেন। তাঁরা অনলাইনে এমপিও আবেদন করেন। তিনি (শফিকুল ইসলাম) নিজ অফিসে আমাকে ডেকে নিয়ে তিনজনের ফাইল অনলাইনে পাঠাতে ৬ হাজার টাকা দাবি করেন।’
উপজেলার আরকেএম দাখিল মাদ্রাসার সুপার গোলাম আযম বলেন, ‘সম্প্রতি আমার প্রতিষ্ঠানে একজন কর্মচারী নিয়োগ হয়েছে। সেই নিয়োগে তিনি (শফিকুল ইসলাম) টাকা নিয়েছেন। পরে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রার্থীর অনলাইনে এমপিও আবেদন ফাইল পাঠানোর জন্য ফোনে ৫ হাজার টাকা দাবি করেন এবং সেই টাকা বিকাশে দিতে বলেন। পরবর্তীতে প্রার্থী নতুন চাকরি হওয়ায় ভয়ে তাঁকে বিকাশের মাধ্যমে টাকা দিয়েছেন।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. শফিকুল ইসলাম অভিযোগ স্বীকার করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অনলাইনে এমপিও ফাইল পাঠাতে অফিস চলাকালে বাইরেও অনেক পরিশ্রম করতে হয়। এটি এক প্রকার পারিশ্রমিক হিসেবে নিয়ে থাকি। তবে কর্মচারী নিয়োগের বিষয়ে আমি কোনো টাকা নিইনি। আমি নিয়োগের সময়ে কোনো প্রতিষ্ঠানে গেলে তাঁরা আমাকে কিছু সম্মানী দেয়, যা ঘুষ নয়।’
জয়পুরহাট জেলা শিক্ষা অফিসার শিশির কুমার উপাধ্যায় বলেন, ‘শফিকুল ইসলামের বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এমপিও ফাইল পাঠানো তাঁর কাজের মধ্যে পড়ে। সেখানে কোনো অর্থ লেনদেন করার কোনো সুযোগ নেই।’

এ বছর মোট আবেদনকারীর সংখ্যা ২ লাখ ৭২ হাজার ৬২৬ জন। এর মধ্যে ‘এ’ ইউনিটে ১ লাখ ১৫ হাজার ৫১৫ জন, ‘বি’ ইউনিটে ৩০ হাজার ৮৮৮ জন এবং ‘সি’ ইউনিটে ১ লাখ ২৬ হাজার ২২৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবেন। তিন ইউনিট মিলিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবেন প্রায় ৬৮ হাজার ৪৯০ জন পরীক্ষার্থী।
৩৭ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে এনসিপি মনোনীত সংসদ সদস্য (এমপি) প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল আমিনের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলার চেষ্টার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১ ও পুলিশ। গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
৪৩ মিনিট আগে
রাজধানীর মগবাজার মোড়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে লোহার পাইপ মাথায় পড়ে তাইজুল ইসলাম (২০) নামের এক নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, চন্দ্রদ্বীপসহ বাউফলের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কর্মসূচিতে বাধা, দোকানে চাঁদা দাবি, চাঁদা না দিলে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া কয়েকটি ঘটনায় হত্যাচেষ্টার ও সাক্ষীদের ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে