আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত এক সার্জেন্টকে পিটিয়ে লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল হোসেন ওরফে মায়া সোহেল ও যুবদল নেতা জুয়েল হোসেনের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত দুজন সম্পর্কে দুই ভাই। এ ঘটনায় আক্কেলপুর থানায় গতকাল মঙ্গলবার রাতে অভিযুক্ত দুই নেতাসহ অজ্ঞাতনামা দু-তিনজনের নামে মামলা হয়েছে।
ভুক্তভোগী সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমার কোনো শত্রু নেই। আমি দেশকে সেবা দিয়ে অবসরে আসার পর সৎভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলাম। সম্প্রতি আমরা অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যরা একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ করেছি। সেটির আমি সভাপতি নির্বাচিত হয়েছি। আমার ব্যবসার লেনদেনের অনেক টাকা আমার কাছে থাকে। স্বেচ্ছাসেবক দল ও যুবদলের ওই দুই নেতা আমার ওপর অনেক আগে থেকেই টার্গেট করে রেখেছিল।’
আব্দুর রাজ্জাক আরও বলেন, ‘ঘটনার দিন আমার কাছে থাকা ১ লাখ ৩০ হাজার ৩০০ টাকার একটি বান্ডিল প্যান্টের পকেটে ছিল। আমাকে ওরা মেরে রাস্তায় ফেলে ওই টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে। স্থানীয় লোকজন তখন এগিয়ে না এলে আমাকে ওরা হয়তোবা মেরে ফেলত। আমার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চেয়ে থানায় মামলা করেছি। পুলিশ এখনো একজন আসামিকেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি।’
এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই নেতা গা ঢাকা দিয়েছেন। তাঁদের মোবাইল ফোন নম্বরও বন্ধ পাওয়া গেছে। এ কারণে তাঁদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
জানতে চাইলে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সামিউল হাসান ইমন বলেন, ‘অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যকে এভাবে হামলার ঘটনাটি দুঃখজনক। ঘটনা জানার পর যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল হোসেন ওরফে মায়া সোহেল ও যুবদল নেতা জুয়েল হোসেনের বিষয়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে আমি জেলার নেতাদের বিস্তারিত জানিয়েছি। তাঁদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জেলার নেতারাই নেবেন। বিএনপি বা অঙ্গসংগঠনের কোনো দলে অপরাধকারীর কোনো ঠাঁই হবে না।’
এ বিষয়ে আক্কেলপুর থানার পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) মমিনুল ইসলাম বলেন, ‘একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যকে পিটিয়ে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আমরা আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত এক সার্জেন্টকে পিটিয়ে লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল হোসেন ওরফে মায়া সোহেল ও যুবদল নেতা জুয়েল হোসেনের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত দুজন সম্পর্কে দুই ভাই। এ ঘটনায় আক্কেলপুর থানায় গতকাল মঙ্গলবার রাতে অভিযুক্ত দুই নেতাসহ অজ্ঞাতনামা দু-তিনজনের নামে মামলা হয়েছে।
ভুক্তভোগী সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমার কোনো শত্রু নেই। আমি দেশকে সেবা দিয়ে অবসরে আসার পর সৎভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলাম। সম্প্রতি আমরা অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যরা একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ করেছি। সেটির আমি সভাপতি নির্বাচিত হয়েছি। আমার ব্যবসার লেনদেনের অনেক টাকা আমার কাছে থাকে। স্বেচ্ছাসেবক দল ও যুবদলের ওই দুই নেতা আমার ওপর অনেক আগে থেকেই টার্গেট করে রেখেছিল।’
আব্দুর রাজ্জাক আরও বলেন, ‘ঘটনার দিন আমার কাছে থাকা ১ লাখ ৩০ হাজার ৩০০ টাকার একটি বান্ডিল প্যান্টের পকেটে ছিল। আমাকে ওরা মেরে রাস্তায় ফেলে ওই টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে। স্থানীয় লোকজন তখন এগিয়ে না এলে আমাকে ওরা হয়তোবা মেরে ফেলত। আমার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চেয়ে থানায় মামলা করেছি। পুলিশ এখনো একজন আসামিকেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি।’
এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই নেতা গা ঢাকা দিয়েছেন। তাঁদের মোবাইল ফোন নম্বরও বন্ধ পাওয়া গেছে। এ কারণে তাঁদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
জানতে চাইলে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সামিউল হাসান ইমন বলেন, ‘অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যকে এভাবে হামলার ঘটনাটি দুঃখজনক। ঘটনা জানার পর যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল হোসেন ওরফে মায়া সোহেল ও যুবদল নেতা জুয়েল হোসেনের বিষয়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে আমি জেলার নেতাদের বিস্তারিত জানিয়েছি। তাঁদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জেলার নেতারাই নেবেন। বিএনপি বা অঙ্গসংগঠনের কোনো দলে অপরাধকারীর কোনো ঠাঁই হবে না।’
এ বিষয়ে আক্কেলপুর থানার পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) মমিনুল ইসলাম বলেন, ‘একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যকে পিটিয়ে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আমরা আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪১ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে