আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে পড়ে ২৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে গুরুতর আহত ছয়জনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৯টায় দিকে আক্কেলপুর-বগুড়া সড়কের উপজেলার ভিকনী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও দুর্ঘটনায় আহত যাত্রীরা বলেন, আক্কেলপুর বাসটার্মিনাল থেকে দাদা-নাতি পরিবহনের বাসটি বগুড়ার উদ্দেশ্যে ছাড়ে। বাসটিতে চালক ও সহকারীসহ ৩০ জন যাত্রী ছিলেন। সকাল সোয়া ৯টার দিকে ওই স্থানে এলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিমেন্ট বোঝাই ট্রাককে সাইড দেওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি খাদে পড়ে যায়। এতে বাসের সহকারীসহ ২৫ জন আহত হন। খবর পেয়ে আক্কেলপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে যাত্রীদের উদ্ধার করেন। এর মধ্যে ১২ জন যাত্রীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়।
আহত যাত্রী হারুনুর রশিদ বলেন, ‘বাসটি ভিকনী গ্রামে পৌঁছালে হঠাৎ একটি ট্রাককে সাইড দিতে গিয়ে বাসটি সড়কের নিচে খাদে পড়ে যায়। এরপর আর কিছু বলতে পারব না।’
বাসযাত্রী আজাদুল ইসলাম বলেন, ‘বাসটি দ্রুত গতিতে চলছিল। মুহূর্তের মধ্য খালে উল্টে গেল। ধারণা করছি প্রধান চালক বাসটি চালাচ্ছিলেন না।’
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আসাফুদৌলা বলেন, আহতদের মধ্যে ১২ জন জনের হাত ও পায়ে আঘাত পেয়েছিলেন। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ছয়জনকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত মেহেদুল ইসলাম নামে ওই বাসের সহকারীকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আক্কেলপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশনের টিম লিডার আমির আলি বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে বাসটি চালকের সহকারী চালাচ্ছিলেন। তিনিই গুরুতর আহত হয়েছেন। আমরা খবর পাওয়া মাত্র ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত যাত্রীদের উদ্ধার করেছি। বাসটি এখনো পানিতে উল্টে আছে। বাসের নিচে পানিতে কেউ আটকা আছে কিনা সেটি বাস উল্টালেই বোঝা যাবে। দুর্ঘটনায় প্রায় ২৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন, তবে কেউ মারা যাননি।’
আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক বলেন, খাদের পানি থেকে বাসটি ওপরে তোলার কাজ চলছে। যাত্রীরা আহত হলেও কেউ মারা যায়নি। বাসের ভেতরে রাখা মালামাল রক্ষা করার জন্য ঘটনাস্থলে পুলিশ রাখা হয়েছে।

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে পড়ে ২৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে গুরুতর আহত ছয়জনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৯টায় দিকে আক্কেলপুর-বগুড়া সড়কের উপজেলার ভিকনী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও দুর্ঘটনায় আহত যাত্রীরা বলেন, আক্কেলপুর বাসটার্মিনাল থেকে দাদা-নাতি পরিবহনের বাসটি বগুড়ার উদ্দেশ্যে ছাড়ে। বাসটিতে চালক ও সহকারীসহ ৩০ জন যাত্রী ছিলেন। সকাল সোয়া ৯টার দিকে ওই স্থানে এলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিমেন্ট বোঝাই ট্রাককে সাইড দেওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি খাদে পড়ে যায়। এতে বাসের সহকারীসহ ২৫ জন আহত হন। খবর পেয়ে আক্কেলপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে যাত্রীদের উদ্ধার করেন। এর মধ্যে ১২ জন যাত্রীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়।
আহত যাত্রী হারুনুর রশিদ বলেন, ‘বাসটি ভিকনী গ্রামে পৌঁছালে হঠাৎ একটি ট্রাককে সাইড দিতে গিয়ে বাসটি সড়কের নিচে খাদে পড়ে যায়। এরপর আর কিছু বলতে পারব না।’
বাসযাত্রী আজাদুল ইসলাম বলেন, ‘বাসটি দ্রুত গতিতে চলছিল। মুহূর্তের মধ্য খালে উল্টে গেল। ধারণা করছি প্রধান চালক বাসটি চালাচ্ছিলেন না।’
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আসাফুদৌলা বলেন, আহতদের মধ্যে ১২ জন জনের হাত ও পায়ে আঘাত পেয়েছিলেন। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ছয়জনকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত মেহেদুল ইসলাম নামে ওই বাসের সহকারীকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আক্কেলপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশনের টিম লিডার আমির আলি বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে বাসটি চালকের সহকারী চালাচ্ছিলেন। তিনিই গুরুতর আহত হয়েছেন। আমরা খবর পাওয়া মাত্র ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত যাত্রীদের উদ্ধার করেছি। বাসটি এখনো পানিতে উল্টে আছে। বাসের নিচে পানিতে কেউ আটকা আছে কিনা সেটি বাস উল্টালেই বোঝা যাবে। দুর্ঘটনায় প্রায় ২৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন, তবে কেউ মারা যাননি।’
আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক বলেন, খাদের পানি থেকে বাসটি ওপরে তোলার কাজ চলছে। যাত্রীরা আহত হলেও কেউ মারা যায়নি। বাসের ভেতরে রাখা মালামাল রক্ষা করার জন্য ঘটনাস্থলে পুলিশ রাখা হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে