আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি

খুপরি ঘরের দরজার সামনে বিবস্ত্র পড়েছিলেন ষাটোর্ধ্ব এক নারী। পাশেই পড়ে ছিল খালি বোতল, ঘরের এক কোনে একটি পাত্রে ছিল বাসি খাবার। চৌকির ওপরে কাপড়চোপড় ছিল এলোমেলো।
গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার তুলসীগঙ্গা নদীর বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধের নবাবগঞ্জ পারঘাটি এলাকায় স্থানীয় দুই নারী তাঁকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। সেখান থেকে জয়পুরহাট আধুনিক হাসপাতালে রেফার করা হয়। অর্থাভাবে সেখানে নিয়ে যেতে না পারায় বাড়িতেই রাখা হয় তাঁকে।
খবর পেয়ে সাবেক এক নারী কাউন্সিলর সেখানে যান। পরে তাঁকে সরকারি খরচে পাঠানো হয় জয়পুরহাট আধুনিক হাসপাতালে।
সাবেক নারী কাউন্সিলর বলছেন, ওই নারীকে নেশাজাতীয় কিছু খাইয়ে যৌন নির্যাতন করা হয়েছে। তবে চিকিৎসক এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০ বছর আগে অজ্ঞাত পরিচয়ের মানসিক ভারসাম্যহীন ওই নারী ওই এলাকায় এসে থাকতে শুরু করেন। তিনি ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। আর রাতে তুলসীগঙ্গা নদীর তীরে পারঘাটি এলাকায় একটি টিনের খুপরি ঘরে থাকতেন।
ওই নারীর প্রতিবেশী হাসি রানী বলেন, ‘প্রতিদিন ওই মহিলাটি আমাদের বাসায় এসে খাওয়া দাওয়া করে। মঙ্গলবার সকালে সে খেতে না আসলে তার ঘরে গিয়ে দেখি সে বিবস্ত্র অবস্থায় অচেতন হয়ে পড়ে আছে। পরে আমরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই।’
সংরক্ষিত সাবেক নারী কাউন্সিলর বন্দনা রানী বাগচী বলেন, ‘খবর পেয়ে আমি ওই নারীকে দেখতে আসি। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম ছিল। স্পর্শকাতর স্থানেও নির্যাতনের আলামত পাই। মনে হচ্ছে তাঁকে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে অচেতন করে যৌন নির্যাতন চালানো হয়েছে। বর্তমানে সে জয়পুরহাট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার কোনো স্বজন না থাকায় আমি নিজে বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দিয়েছি। এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
জয়পুরহাট আধুনিক সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সরদার রাশেদ মোবারক বলেন, নির্যাতনের শিকার হয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। তাঁর চিকিৎসা চলছে।
ধর্ষণের শিকার হয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মইনুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। থানার একজন উপপরিদর্শকের তত্ত্বাবধানে জয়পুরহাট হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে। আমরা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছি।’

খুপরি ঘরের দরজার সামনে বিবস্ত্র পড়েছিলেন ষাটোর্ধ্ব এক নারী। পাশেই পড়ে ছিল খালি বোতল, ঘরের এক কোনে একটি পাত্রে ছিল বাসি খাবার। চৌকির ওপরে কাপড়চোপড় ছিল এলোমেলো।
গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার তুলসীগঙ্গা নদীর বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধের নবাবগঞ্জ পারঘাটি এলাকায় স্থানীয় দুই নারী তাঁকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। সেখান থেকে জয়পুরহাট আধুনিক হাসপাতালে রেফার করা হয়। অর্থাভাবে সেখানে নিয়ে যেতে না পারায় বাড়িতেই রাখা হয় তাঁকে।
খবর পেয়ে সাবেক এক নারী কাউন্সিলর সেখানে যান। পরে তাঁকে সরকারি খরচে পাঠানো হয় জয়পুরহাট আধুনিক হাসপাতালে।
সাবেক নারী কাউন্সিলর বলছেন, ওই নারীকে নেশাজাতীয় কিছু খাইয়ে যৌন নির্যাতন করা হয়েছে। তবে চিকিৎসক এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০ বছর আগে অজ্ঞাত পরিচয়ের মানসিক ভারসাম্যহীন ওই নারী ওই এলাকায় এসে থাকতে শুরু করেন। তিনি ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। আর রাতে তুলসীগঙ্গা নদীর তীরে পারঘাটি এলাকায় একটি টিনের খুপরি ঘরে থাকতেন।
ওই নারীর প্রতিবেশী হাসি রানী বলেন, ‘প্রতিদিন ওই মহিলাটি আমাদের বাসায় এসে খাওয়া দাওয়া করে। মঙ্গলবার সকালে সে খেতে না আসলে তার ঘরে গিয়ে দেখি সে বিবস্ত্র অবস্থায় অচেতন হয়ে পড়ে আছে। পরে আমরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই।’
সংরক্ষিত সাবেক নারী কাউন্সিলর বন্দনা রানী বাগচী বলেন, ‘খবর পেয়ে আমি ওই নারীকে দেখতে আসি। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম ছিল। স্পর্শকাতর স্থানেও নির্যাতনের আলামত পাই। মনে হচ্ছে তাঁকে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে অচেতন করে যৌন নির্যাতন চালানো হয়েছে। বর্তমানে সে জয়পুরহাট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার কোনো স্বজন না থাকায় আমি নিজে বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দিয়েছি। এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
জয়পুরহাট আধুনিক সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সরদার রাশেদ মোবারক বলেন, নির্যাতনের শিকার হয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। তাঁর চিকিৎসা চলছে।
ধর্ষণের শিকার হয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মইনুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। থানার একজন উপপরিদর্শকের তত্ত্বাবধানে জয়পুরহাট হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে। আমরা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছি।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে