কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

মুখে স্প্রে ছিটিয়ে ও মারধর করে টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা এমন অভিযোগ ব্যবসায়ী রুহুল আমীনের। তবে পুলিশ বলছে, সাজানো ঘটনা, নাটক করছেন তিনি। গতকাল সোমবার রাতে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর-সাবদারপুর সড়কের পুলিশ বক্সের সামনে এ ঘটনা ঘটে। রুহুল কোটচাঁদপুর উপজেলার সাবদারপুর ইউনিয়নের ছয়খাদা গ্রামের আশাদুল বিশ্বাসের ছেলে।
ভুক্তভোগী রুহুল আমীন বলেন, ‘‘সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ৪০-৪৫ মিনিট বাজে। কোটচাঁদপুর বাজারে ব্যবসায়ী অংশীদারদের থেকে ১১ লাখ ৯০ হাজার টাকা তুলে সাবদারপুরের দিকে যাচ্ছিলাম। এ সময় লাল একটা এ্যাপাচি মোটরসাইকেল আমার পিছু নেয়। কিছু দূর যাওয়ার পর জিজ্ঞেস করেন, এ রাস্তা দিয়ে খালিশপুর যাওয়া যায় কি না। আমি তাদের বলি, এ রাস্তা দিয়ে যেতে অনেক ঘুরতে হবে। আপনারা কোটচাঁদপুর দিয়ে যান।
‘সে কথা না শুনে সামনে দিয়ে যাওয়ার রাস্তা দেখিয়ে দিতে বলেন আমাকে। কিছু দূর যাওয়ার পর পুলিশ বক্সের পাশে কয়েকটি মোটরসাইকেল দেখতে পাই। আমি মনে করি, তারা প্রশাসনের লোক। এই মনে করে ওখানে মোটরসাইকেলের গতি কমাই। এরপর রাস্তার পাশ থেকে কয়েকজন বের হয়ে আসে। তাদের মধ্যে একজন আমার মুখে কী জানি স্প্রে করে দেয়। পরে আমি আর কিছু দেখতে পাই না।’
‘এরপর তারা আমাকে পুলিশ বক্সের পাশ দিয়ে মাঠের মধ্যে নিয়ে যায়। ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে টাকার ব্যাগটি। আমি দিতে না চাইলে তারা আমার হাতে কোপ দেয়। এ ছাড়া ধারালো ছুরি দিয়ে তারা আমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কোপ দেয়। তারপর আর আমি কিছু জানি না। এরপর যখন জ্ঞান ফিরল তখন রাত ১০টা বাজে। ওই সময় পাশে পড়ে থাকা মোবাইল বাজছিল। আমি মোবাইল ধরে বলি আমাকে তোরা বাঁচা। কিছুক্ষণ পর পুলিশ নিয়ে রাজু হোসেন, বাবলু রহমান ও সজিব হোসেন ঘটনাস্থলে আসে। এরপর উদ্ধার করে কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।’
রহুল আমিন আরও বলেন, ‘আমার বাজারে দেড় কোটি টাকা ছড়িয়ে রয়েছে। আর আমি মাত্র ১০-১২ লাখ টাকার জন্য নিজের শরীর কেটে নাটক করব। বিপদে পড়লে অনেকে অনেক কিছুই বলেন। আমি একটু সুস্থ হয়ে থানায় অভিযোগ করব অবশ্যই।’ বর্তমানে তিনি কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। তিনি ভুট্টা ব্যবসায়ী বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে রুহুল আমিনের গ্রামের বাসিন্দা রাজু হোসেন, বাবলু রহমান ও সজিব হোসেন বলেন, ‘রুহুল আমিনের সার, ওষুধ ও ভুট্টা ছাড়াও আরও ব্যবসা আছে। এ বছর তিনি গ্রাম থেকে দেড় কোটি টাকার ভুট্টা কিনেছেন। আমরা তাঁর সঙ্গে থাকি। এলাকার মানুষকে আজ টাকা দেওয়ার কথা ছিল। সেটা আমরা জানতাম। সোমবার বিকেল পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। এরপর থেকে যোগাযোগ পাচ্ছিলাম না। এ কারণে রুহুল আমীন যেসব জায়গায় বসেন, আমরা সেখানে গিয়ে খুঁজতে থাকি। পরে কোনো যোগাযোগ না পেয়ে আমরা বাড়ি যাচ্ছিলাম। এ সময় হঠাৎ তার ফোন আসে। সে ফোনে কাঁদতে থাকে। এরপর ঘটনার কথা বললে আমরা পুলিশের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করি।’
রুহুল আমীন নাটক করছে কি না জানতে চাইলে তাঁরা বলেন, ‘তাঁর টাকা আছে। তিনি অনেক টাকা মানুষকে দিয়েছেন। এখন অল্প টাকার জন্য নাটক করার কথা না। নাটক করে মানুষ একটা কোপ মারতে পারে শরীরে, অতগুলো কোপ মারা সম্ভব না।’
এ ব্যাপারে কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক রমিজ উদ্দিন (তপু) বলেন, ‘রোগীর সারা শরীরে ক্ষতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁকে দেখে চিকিৎসা দিয়ে ভর্তি করা হয়েছে। তবে অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়।’
বিষয়টি নিয়ে কোটচাঁদপুরের সাবদারপুর পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ফিরোজ আলম বলেন, ‘আমরা ওই সময় সড়কে নিয়মিত টহলে ছিলাম। রুহুলের ম্যানেজারসহ কয়েকজন এসে বলেন, ‘‘আমাদের মোটরসাইকেল ছিনতাই হয়ে গেছে।’ এ কথা শোনার পর আমরা সবাই মিলে ঘটনাস্থলে যাই। গিয়ে দেখতে পাই মোটরসাইকেলটির ঘাড়ে তালা দেওয়া আর চাবি রুহুলের পকেটে।’
‘আর কিছুটা নিচু ভূমিতে পড়ে আছে রুহুল। পরে তাঁকে উদ্ধার করে কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয় তাঁর সহযোগীদের মাধ্যমে।’ ঘটনা দেখে আপনার কী মনে হয়েছে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এটা একটা সাজানো ঘটনা বলে মনে হচ্ছে। নাটক করছেন উনি।’ কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি এলাকায় রুহুলের অনেক টাকা ধার-দেনা রয়েছে। আর তা থেকে বাঁচতে এটা করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা বা অভিযোগ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন কোটচাঁদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুজ্জামান।

মুখে স্প্রে ছিটিয়ে ও মারধর করে টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা এমন অভিযোগ ব্যবসায়ী রুহুল আমীনের। তবে পুলিশ বলছে, সাজানো ঘটনা, নাটক করছেন তিনি। গতকাল সোমবার রাতে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর-সাবদারপুর সড়কের পুলিশ বক্সের সামনে এ ঘটনা ঘটে। রুহুল কোটচাঁদপুর উপজেলার সাবদারপুর ইউনিয়নের ছয়খাদা গ্রামের আশাদুল বিশ্বাসের ছেলে।
ভুক্তভোগী রুহুল আমীন বলেন, ‘‘সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ৪০-৪৫ মিনিট বাজে। কোটচাঁদপুর বাজারে ব্যবসায়ী অংশীদারদের থেকে ১১ লাখ ৯০ হাজার টাকা তুলে সাবদারপুরের দিকে যাচ্ছিলাম। এ সময় লাল একটা এ্যাপাচি মোটরসাইকেল আমার পিছু নেয়। কিছু দূর যাওয়ার পর জিজ্ঞেস করেন, এ রাস্তা দিয়ে খালিশপুর যাওয়া যায় কি না। আমি তাদের বলি, এ রাস্তা দিয়ে যেতে অনেক ঘুরতে হবে। আপনারা কোটচাঁদপুর দিয়ে যান।
‘সে কথা না শুনে সামনে দিয়ে যাওয়ার রাস্তা দেখিয়ে দিতে বলেন আমাকে। কিছু দূর যাওয়ার পর পুলিশ বক্সের পাশে কয়েকটি মোটরসাইকেল দেখতে পাই। আমি মনে করি, তারা প্রশাসনের লোক। এই মনে করে ওখানে মোটরসাইকেলের গতি কমাই। এরপর রাস্তার পাশ থেকে কয়েকজন বের হয়ে আসে। তাদের মধ্যে একজন আমার মুখে কী জানি স্প্রে করে দেয়। পরে আমি আর কিছু দেখতে পাই না।’
‘এরপর তারা আমাকে পুলিশ বক্সের পাশ দিয়ে মাঠের মধ্যে নিয়ে যায়। ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে টাকার ব্যাগটি। আমি দিতে না চাইলে তারা আমার হাতে কোপ দেয়। এ ছাড়া ধারালো ছুরি দিয়ে তারা আমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কোপ দেয়। তারপর আর আমি কিছু জানি না। এরপর যখন জ্ঞান ফিরল তখন রাত ১০টা বাজে। ওই সময় পাশে পড়ে থাকা মোবাইল বাজছিল। আমি মোবাইল ধরে বলি আমাকে তোরা বাঁচা। কিছুক্ষণ পর পুলিশ নিয়ে রাজু হোসেন, বাবলু রহমান ও সজিব হোসেন ঘটনাস্থলে আসে। এরপর উদ্ধার করে কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।’
রহুল আমিন আরও বলেন, ‘আমার বাজারে দেড় কোটি টাকা ছড়িয়ে রয়েছে। আর আমি মাত্র ১০-১২ লাখ টাকার জন্য নিজের শরীর কেটে নাটক করব। বিপদে পড়লে অনেকে অনেক কিছুই বলেন। আমি একটু সুস্থ হয়ে থানায় অভিযোগ করব অবশ্যই।’ বর্তমানে তিনি কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। তিনি ভুট্টা ব্যবসায়ী বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে রুহুল আমিনের গ্রামের বাসিন্দা রাজু হোসেন, বাবলু রহমান ও সজিব হোসেন বলেন, ‘রুহুল আমিনের সার, ওষুধ ও ভুট্টা ছাড়াও আরও ব্যবসা আছে। এ বছর তিনি গ্রাম থেকে দেড় কোটি টাকার ভুট্টা কিনেছেন। আমরা তাঁর সঙ্গে থাকি। এলাকার মানুষকে আজ টাকা দেওয়ার কথা ছিল। সেটা আমরা জানতাম। সোমবার বিকেল পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। এরপর থেকে যোগাযোগ পাচ্ছিলাম না। এ কারণে রুহুল আমীন যেসব জায়গায় বসেন, আমরা সেখানে গিয়ে খুঁজতে থাকি। পরে কোনো যোগাযোগ না পেয়ে আমরা বাড়ি যাচ্ছিলাম। এ সময় হঠাৎ তার ফোন আসে। সে ফোনে কাঁদতে থাকে। এরপর ঘটনার কথা বললে আমরা পুলিশের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করি।’
রুহুল আমীন নাটক করছে কি না জানতে চাইলে তাঁরা বলেন, ‘তাঁর টাকা আছে। তিনি অনেক টাকা মানুষকে দিয়েছেন। এখন অল্প টাকার জন্য নাটক করার কথা না। নাটক করে মানুষ একটা কোপ মারতে পারে শরীরে, অতগুলো কোপ মারা সম্ভব না।’
এ ব্যাপারে কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক রমিজ উদ্দিন (তপু) বলেন, ‘রোগীর সারা শরীরে ক্ষতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁকে দেখে চিকিৎসা দিয়ে ভর্তি করা হয়েছে। তবে অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়।’
বিষয়টি নিয়ে কোটচাঁদপুরের সাবদারপুর পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ফিরোজ আলম বলেন, ‘আমরা ওই সময় সড়কে নিয়মিত টহলে ছিলাম। রুহুলের ম্যানেজারসহ কয়েকজন এসে বলেন, ‘‘আমাদের মোটরসাইকেল ছিনতাই হয়ে গেছে।’ এ কথা শোনার পর আমরা সবাই মিলে ঘটনাস্থলে যাই। গিয়ে দেখতে পাই মোটরসাইকেলটির ঘাড়ে তালা দেওয়া আর চাবি রুহুলের পকেটে।’
‘আর কিছুটা নিচু ভূমিতে পড়ে আছে রুহুল। পরে তাঁকে উদ্ধার করে কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয় তাঁর সহযোগীদের মাধ্যমে।’ ঘটনা দেখে আপনার কী মনে হয়েছে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এটা একটা সাজানো ঘটনা বলে মনে হচ্ছে। নাটক করছেন উনি।’ কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি এলাকায় রুহুলের অনেক টাকা ধার-দেনা রয়েছে। আর তা থেকে বাঁচতে এটা করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা বা অভিযোগ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন কোটচাঁদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুজ্জামান।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে