Ajker Patrika

ঝিনাইদহে ভাড়া বাসা থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহে ভাড়া বাসা থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ
প্রতীকী ছবি

ঝিনাইদহ শহরের পাগলাকানাই এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে খুশি খাতুন (২০) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সকালে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত খুশি খাতুন সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি থানার আদালতপুর এলাকার শহিদুল মোড়লের মেয়ে। তিনি পাগলাকানাই মোড়ের একটি হোটেলে কাজ করতেন। তাঁর স্বামী যশোর শহরে রিকশাচালক হিসেবে কাজ করেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক সপ্তাহ আগে খুশি শহরের পাগলাকানাই এলাকার সায়াদাতিয়া সড়কের পাশে একটি টিনশেড বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন। মঙ্গলবার রাতে হোটেলের কাজ শেষে স্বামী পরিচয়ে এক ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে বাসায় ফেরেন তিনি। সকালে ঘরের সামনের দরজা বন্ধ দেখে প্রতিবেশীরা তাঁকে ডাকাডাকি করেন। কোনো সাড়া না পেয়ে পেছনের দরজা খোলা দেখতে পান তাঁরা। পরে ঘরে ঢুকে খুশির মরদেহ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন।

ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, মরদেহের পাশে একটি খালি বিরিয়ানির প্যাকেট, স্টিলের থালায় মাংসের হাড়, একটি মাল্টিপ্লাগে বাটন ফোন চার্জে লাগানো অবস্থায় ছিল; যদিও সেটি বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। মাথার ডান পাশে একটি ওড়না পড়ে ছিল। এ ছাড়া জানালার পাশে দুটি আইসক্রিমও পড়ে থাকতে দেখা যায়।

পাশের কক্ষে থাকা স্থানীয় নাইট গার্ড বদর উদ্দিন বলেন, ‘সকালে খুশি কাজে না যাওয়ায় আমরা ডাকাডাকি করি। দরজা না খোলায় পেছনে গিয়ে দেখি দরজা খোলা। আমাদের ধারণা, কেউ তাকে হত্যা করে ওই দরজা দিয়ে পালিয়ে গেছে।’

স্থানীয় নারী পলি বেগম ও বাড়ির মালিক বেবী করিম জানান, রাতে খুশির সঙ্গে এক ব্যক্তি এসেছিলেন। খুশি তাঁকে নিজের স্বামী বলে পরিচয় দেন। তবে সকালে মরদেহ উদ্ধারের পর ওই ব্যক্তিকে আর পাওয়া যায়নি। তিনি সত্যিই খুশির স্বামী ছিলেন কি না, তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন তাঁরা।

ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদউজ্জামান বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ উদ্‌ঘাটন এবং এ ঘটনায় কারা জড়িত থাকতে পারে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত