ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

অল্প খরচে লাভ বেশি হওয়ায় ঝিনাইদহ জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে ভুট্টা চাষ দিন দিন বেড়ে চলেছে। বোরো ধান ও অন্যান্য ফসলের তুলনায় লাভ বেশি হওয়ায় বিকল্প ফসল হিসেবে ভুট্টা চাষ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠতে শুরু করেছে। পোলট্রি শিল্পের চাহিদা, উচ্চ ফলনশীল জাত, আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের এ জেলায় ভুট্টার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখছেন কৃষক ও কৃষি বিভাগ।
জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ভুট্টা চাষে ঘুরেছে অনেক কৃষকের ভাগ্যের চাকা। বিঘাপ্রতি ২০-২৩ হাজার টাকা খরচে ভুট্টার ফলন হয় ৩৫ মণ। যা বিক্রি করে পাওয়া যায় ৪২-৪৫ হাজার টাকা। দেশীয় জাতের ভুট্টায় তেমন ভালো ফলন না হওয়ায় হাইব্রিড জাতের ভুট্টা চাষ করছেন জেলার কৃষকেরা।
ঝিনাইদহ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এ বছর জেলায় ভুট্টা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৮ হাজার ৩২৪ হেক্টর, চাষ হয়েছে ১৮ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে। গত বছরের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৬ হাজার ৬৮০ হেক্টর, আবাদ হয়েছিল ১৮ হাজার ১৩৪ হেক্টর জমিতে।
সদর উপজেলার ধনঞ্জয়পুর গ্রামের মঠ ঘুরে দেখা যায় আমন ধান কেটে নেওয়ার পরপরই ভুট্টার বীজ বপন করেন কৃষকেরা। বর্তমানে গাছগুলো বেশ বড় হয়ে উঠেছে। এখন খেতগুলোর পরিচর্যা, নিড়ানি, সেচকাজসহ নানা কাজ চলছে। ভুট্টা চাষের জন্য কৃষকেরা পটাশ, ডিএপি, জিপসাম, সালফার ও ফোরাডান, ইউরিয়া, দস্তা ইত্যাদি সার ও কীটনাশক ব্যবহার করছেন।
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ধনঞ্জয়পুর গ্রামের ভুট্টাচাষি ওহিদুল ইসলাম বলেন, ভুট্টা চাষে লাভ বেশি ও নিরাপদ। বিঘাপ্রতি ২০-২২ হাজার টাকা খরচ হয়। ভুট্টা ভালো হলে বিক্রি করা যায় ৪০-৪৫ হাজার টাকা। সার, কীটনাশক ও সেচের দিক থেকে দেশি জাতের ভুট্টার চেয়ে হাইব্রিড ভুট্টায় খরচ কম। ভুট্টা গাছ ও মাড়াই করার পর যে অবশিষ্টাংশ থাকে তা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
অপর এক কৃষক ইউনুস আলী জানান, অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি গত বছর ভুট্টা চাষ করেছিলাম। ভালো দাম পাওয়ায় এ বছর ভুট্টার চাষ বাড়িয়েছি। যদি ভুট্টার দাম ঠিক থাকে তাহলে এ বছরেও বেশ লাভ হবে।
ঝিনাইদহ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মো. আনিসুজ্জামান খান বলেন, ‘আমাদের পোলট্রি শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হয় ভুট্টা। এর আগে এ শিল্প ছিল আমদানি-নির্ভর। আমাদের দেশের জমি ভুট্টা চাষের জন্য বেশ উপযোগী। দেশে উৎপাদিত ভুট্টা পোলট্রি শিল্পে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কৃষক নিরাপদ লাভ ও দাম ভালো পাওয়ায় দিন দিন এ অঞ্চলে বাড়ছে ভুট্টা চাষ।’

অল্প খরচে লাভ বেশি হওয়ায় ঝিনাইদহ জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে ভুট্টা চাষ দিন দিন বেড়ে চলেছে। বোরো ধান ও অন্যান্য ফসলের তুলনায় লাভ বেশি হওয়ায় বিকল্প ফসল হিসেবে ভুট্টা চাষ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠতে শুরু করেছে। পোলট্রি শিল্পের চাহিদা, উচ্চ ফলনশীল জাত, আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের এ জেলায় ভুট্টার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখছেন কৃষক ও কৃষি বিভাগ।
জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ভুট্টা চাষে ঘুরেছে অনেক কৃষকের ভাগ্যের চাকা। বিঘাপ্রতি ২০-২৩ হাজার টাকা খরচে ভুট্টার ফলন হয় ৩৫ মণ। যা বিক্রি করে পাওয়া যায় ৪২-৪৫ হাজার টাকা। দেশীয় জাতের ভুট্টায় তেমন ভালো ফলন না হওয়ায় হাইব্রিড জাতের ভুট্টা চাষ করছেন জেলার কৃষকেরা।
ঝিনাইদহ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এ বছর জেলায় ভুট্টা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৮ হাজার ৩২৪ হেক্টর, চাষ হয়েছে ১৮ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে। গত বছরের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৬ হাজার ৬৮০ হেক্টর, আবাদ হয়েছিল ১৮ হাজার ১৩৪ হেক্টর জমিতে।
সদর উপজেলার ধনঞ্জয়পুর গ্রামের মঠ ঘুরে দেখা যায় আমন ধান কেটে নেওয়ার পরপরই ভুট্টার বীজ বপন করেন কৃষকেরা। বর্তমানে গাছগুলো বেশ বড় হয়ে উঠেছে। এখন খেতগুলোর পরিচর্যা, নিড়ানি, সেচকাজসহ নানা কাজ চলছে। ভুট্টা চাষের জন্য কৃষকেরা পটাশ, ডিএপি, জিপসাম, সালফার ও ফোরাডান, ইউরিয়া, দস্তা ইত্যাদি সার ও কীটনাশক ব্যবহার করছেন।
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ধনঞ্জয়পুর গ্রামের ভুট্টাচাষি ওহিদুল ইসলাম বলেন, ভুট্টা চাষে লাভ বেশি ও নিরাপদ। বিঘাপ্রতি ২০-২২ হাজার টাকা খরচ হয়। ভুট্টা ভালো হলে বিক্রি করা যায় ৪০-৪৫ হাজার টাকা। সার, কীটনাশক ও সেচের দিক থেকে দেশি জাতের ভুট্টার চেয়ে হাইব্রিড ভুট্টায় খরচ কম। ভুট্টা গাছ ও মাড়াই করার পর যে অবশিষ্টাংশ থাকে তা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
অপর এক কৃষক ইউনুস আলী জানান, অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি গত বছর ভুট্টা চাষ করেছিলাম। ভালো দাম পাওয়ায় এ বছর ভুট্টার চাষ বাড়িয়েছি। যদি ভুট্টার দাম ঠিক থাকে তাহলে এ বছরেও বেশ লাভ হবে।
ঝিনাইদহ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মো. আনিসুজ্জামান খান বলেন, ‘আমাদের পোলট্রি শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হয় ভুট্টা। এর আগে এ শিল্প ছিল আমদানি-নির্ভর। আমাদের দেশের জমি ভুট্টা চাষের জন্য বেশ উপযোগী। দেশে উৎপাদিত ভুট্টা পোলট্রি শিল্পে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কৃষক নিরাপদ লাভ ও দাম ভালো পাওয়ায় দিন দিন এ অঞ্চলে বাড়ছে ভুট্টা চাষ।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে