ঝালকাঠি প্রতিনিধি

ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স থেকে ৩৫টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গতকাল শুক্রবার রাতে হাসপাতালটির কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গাড়ির চালক মো. শাহাদাৎ হোসেনের উপস্থিতিতে গ্যারেজে রাখা অ্যাম্বুলেন্সে তল্লাশি চালিয়ে টুল বক্সের ভেতর থেকে এসব উদ্ধার করা হয়। টুলবক্সের চাবি শুধু চালকের কাছে থাকলেও এ বিষয়ে কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ।
ইয়াবা উদ্ধারের বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালটির আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা চিকিৎসক (আরএমও) টি এম মেহেদী হাসান (সানি) ও ডিবি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন।
এ বিষয়ে ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হয়তো চালককে কেউ ফাঁসানোর জন্য এ কাজ করেছে। গাড়ির ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, তাই চালকের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক আমিনুল ইসলাম, জরুরি বিভাগের ইনচার্জ মনিন্দ্র নাথ দত্ত ও ওয়ার্ড বয় নাসির জানান, সবার সামনেই শাহাদাৎ হোসেন চাবি দিয়ে গাড়ির দরজা খুলে দেওয়ার পর ডিবি পুলিশ ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে টুলবক্সের ভেতর থেকে ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো উদ্ধার করেছে। তখন বক্সটি অক্ষত অবস্থায়ই ছিল।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে হাসপাতালের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী জানান, আউটসোর্সিং প্রজেক্টের অ্যাম্বুলেন্স চালক মো. শাহাদাৎ হোসেন দীর্ঘদিন ধরেই মাদকাসক্ত এবং মাদকের কারবার করেন। ডোপ টেস্ট করালেই বিষয়টি প্রমাণিত হবে। হাসপাতালের জেনারেটরের তেল ভর্তির দায়িত্বেও আছেন শাহাদাৎ। চলতি বছরের ৩০ জুন চতুর্থ এইচপিএনএসপি প্রকল্পের হসপিটাল সার্ভিসেস ম্যানেজমেন্ট ওপির আওতায় আউটসোর্সিং প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও তিনি এখনো বহাল রয়েছেন।
অ্যাম্বুলেন্সে ভেতর থেকে ইয়াবা উদ্ধারের বিষয়ে চালক মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ‘আমাকে ফাঁসানোর জন্য কেউ হয়তো এ কাজ করছে। আমি এ কাজের সঙ্গে জড়িত না।’
এ বিষয়ে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা চিকিৎসক (আরএমও) টি এম মেহেদী হাসান (সানি) আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ডিবি-পুলিশ গাড়িতে তল্লাশি করার অনুমতি চাওয়ার পরে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতিতেই গাড়ির ভেতর থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গাড়ির চাবি সব সময় চালক শাহাদতের কাছেই থাকে। গাড়ির ভেতরে কীভাবে ইয়াবা এল তা আমাদের জানা নেই।’
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শামিম আহম্মেদের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও কোনো সাড়া দেননি তিনি।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) উজ্জ্বল কুমার রায় বলেন, ‘হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স থেকে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হবে।’

ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স থেকে ৩৫টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গতকাল শুক্রবার রাতে হাসপাতালটির কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গাড়ির চালক মো. শাহাদাৎ হোসেনের উপস্থিতিতে গ্যারেজে রাখা অ্যাম্বুলেন্সে তল্লাশি চালিয়ে টুল বক্সের ভেতর থেকে এসব উদ্ধার করা হয়। টুলবক্সের চাবি শুধু চালকের কাছে থাকলেও এ বিষয়ে কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ।
ইয়াবা উদ্ধারের বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালটির আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা চিকিৎসক (আরএমও) টি এম মেহেদী হাসান (সানি) ও ডিবি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন।
এ বিষয়ে ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হয়তো চালককে কেউ ফাঁসানোর জন্য এ কাজ করেছে। গাড়ির ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, তাই চালকের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক আমিনুল ইসলাম, জরুরি বিভাগের ইনচার্জ মনিন্দ্র নাথ দত্ত ও ওয়ার্ড বয় নাসির জানান, সবার সামনেই শাহাদাৎ হোসেন চাবি দিয়ে গাড়ির দরজা খুলে দেওয়ার পর ডিবি পুলিশ ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে টুলবক্সের ভেতর থেকে ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো উদ্ধার করেছে। তখন বক্সটি অক্ষত অবস্থায়ই ছিল।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে হাসপাতালের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী জানান, আউটসোর্সিং প্রজেক্টের অ্যাম্বুলেন্স চালক মো. শাহাদাৎ হোসেন দীর্ঘদিন ধরেই মাদকাসক্ত এবং মাদকের কারবার করেন। ডোপ টেস্ট করালেই বিষয়টি প্রমাণিত হবে। হাসপাতালের জেনারেটরের তেল ভর্তির দায়িত্বেও আছেন শাহাদাৎ। চলতি বছরের ৩০ জুন চতুর্থ এইচপিএনএসপি প্রকল্পের হসপিটাল সার্ভিসেস ম্যানেজমেন্ট ওপির আওতায় আউটসোর্সিং প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও তিনি এখনো বহাল রয়েছেন।
অ্যাম্বুলেন্সে ভেতর থেকে ইয়াবা উদ্ধারের বিষয়ে চালক মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ‘আমাকে ফাঁসানোর জন্য কেউ হয়তো এ কাজ করছে। আমি এ কাজের সঙ্গে জড়িত না।’
এ বিষয়ে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা চিকিৎসক (আরএমও) টি এম মেহেদী হাসান (সানি) আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ডিবি-পুলিশ গাড়িতে তল্লাশি করার অনুমতি চাওয়ার পরে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতিতেই গাড়ির ভেতর থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গাড়ির চাবি সব সময় চালক শাহাদতের কাছেই থাকে। গাড়ির ভেতরে কীভাবে ইয়াবা এল তা আমাদের জানা নেই।’
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শামিম আহম্মেদের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও কোনো সাড়া দেননি তিনি।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) উজ্জ্বল কুমার রায় বলেন, ‘হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স থেকে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে