প্রতিনিধি, চৌগাছা (যশোর)

যশোরের চৌগাছায় সেপটিক ট্যাংক থেকে মধু ঋষি (৪৬) ও তাঁর ছেলে সাগর ঋষি (২৫) নামে দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। তাঁরা উপজেলার চৌগাছা সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ কয়ারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। সোমবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে চৌগাছা–যশোর সড়ক সংলগ্ন সিংহঝুলি দফাদার বাড়ির হাদিউজ্জামানের সেপটিক ট্যাংক থেকে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল হামিদ মল্লিকসহ প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ৭টার দিকে মধু ঋষি ও তাঁর সহযোগীরা ওই সেপটিক ট্যাংকটি পরিষ্কার করতে যান। কোনভাবে মধু ঋষি দেড় ফিট বাই দেড় ফিট মুখ দিয়ে ট্যাংকের মধ্যে পড়ে যান। সংবাদ পেয়ে ৫ / ৭ মিনিট দূরত্বের নিজ বাড়ি থেকে ছেলে সাগর ঋষি ও মধু ঋষির স্ত্রী ঘটনাস্থলে যান। সেখানে যেয়ে মায়ের নির্দেশে ছেলে সাগর ঋষি বাবাকে উদ্ধার করতে সেপটিক ট্যাংকে নেমে আর না উঠলে স্থানীয়রা যশোর ফায়ার সার্ভিসে সংবাদ দেন। তখন ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর বাবা-ছেলের লাশ উদ্ধার করেন।
ফায়ার সার্ভিসের যশোর অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মনোরঞ্জন সরকার বলেন মোবাইল ফোনে সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে লিডার দেলোয়ারের নেতৃত্বে একটি উদ্ধারকারী দল পাঠাই।
দেলোয়ার বলেন, সকাল সাড়ে সাতটার দিকে সংবাদ পাই একজন ব্যক্তি সেপটিক ট্যাংকে পড়ে গেছেন। পরে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে সেপটিক ট্যাংক থেকে পিতা ও পুত্রের লাশ উদ্ধার করি। তিনি ধারণা করে বলেন, সেপটিক ট্যাংকের গ্যাসে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে।
চৌগাছা থানার এসআই বিপ্লব সরকার বলেন, সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে লাশ দুটি হেফাজতে নিয়ে সুরাহতল প্রতিবেদন করেছি। তবে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে কিনা এ বিষয়ে তিনি বেলা ১০টা পর্যন্ত জানাতে পারেননি।
চৌগাছা থানার ওসি সাইফুল ইসালাম সবুজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ বিষয়ে চৌগাছা থানায় অপমৃত্যু মামলা প্রক্রিয়াধীন।

যশোরের চৌগাছায় সেপটিক ট্যাংক থেকে মধু ঋষি (৪৬) ও তাঁর ছেলে সাগর ঋষি (২৫) নামে দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। তাঁরা উপজেলার চৌগাছা সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ কয়ারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। সোমবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে চৌগাছা–যশোর সড়ক সংলগ্ন সিংহঝুলি দফাদার বাড়ির হাদিউজ্জামানের সেপটিক ট্যাংক থেকে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল হামিদ মল্লিকসহ প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ৭টার দিকে মধু ঋষি ও তাঁর সহযোগীরা ওই সেপটিক ট্যাংকটি পরিষ্কার করতে যান। কোনভাবে মধু ঋষি দেড় ফিট বাই দেড় ফিট মুখ দিয়ে ট্যাংকের মধ্যে পড়ে যান। সংবাদ পেয়ে ৫ / ৭ মিনিট দূরত্বের নিজ বাড়ি থেকে ছেলে সাগর ঋষি ও মধু ঋষির স্ত্রী ঘটনাস্থলে যান। সেখানে যেয়ে মায়ের নির্দেশে ছেলে সাগর ঋষি বাবাকে উদ্ধার করতে সেপটিক ট্যাংকে নেমে আর না উঠলে স্থানীয়রা যশোর ফায়ার সার্ভিসে সংবাদ দেন। তখন ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর বাবা-ছেলের লাশ উদ্ধার করেন।
ফায়ার সার্ভিসের যশোর অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মনোরঞ্জন সরকার বলেন মোবাইল ফোনে সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে লিডার দেলোয়ারের নেতৃত্বে একটি উদ্ধারকারী দল পাঠাই।
দেলোয়ার বলেন, সকাল সাড়ে সাতটার দিকে সংবাদ পাই একজন ব্যক্তি সেপটিক ট্যাংকে পড়ে গেছেন। পরে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে সেপটিক ট্যাংক থেকে পিতা ও পুত্রের লাশ উদ্ধার করি। তিনি ধারণা করে বলেন, সেপটিক ট্যাংকের গ্যাসে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে।
চৌগাছা থানার এসআই বিপ্লব সরকার বলেন, সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে লাশ দুটি হেফাজতে নিয়ে সুরাহতল প্রতিবেদন করেছি। তবে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে কিনা এ বিষয়ে তিনি বেলা ১০টা পর্যন্ত জানাতে পারেননি।
চৌগাছা থানার ওসি সাইফুল ইসালাম সবুজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ বিষয়ে চৌগাছা থানায় অপমৃত্যু মামলা প্রক্রিয়াধীন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে