যশোর প্রতিনিধি

যশোরে মদপানে তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে মৃত কাশেম মোল্লার মেয়ে নাছরিন খাতুন শহরের কোতোয়ালি থানায় মামলাটি করেন। এতে আসামি করা হয়েছে একই উপজেলার সিতারামপুর দক্ষিণপাড়ার বাবুল রহমান নামে এক ব্যক্তিকে। তাঁর কাছ থেকে মদ কিনে খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়।
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মৃত কাশেমের মেয়ে নাছরিন খাতুন গতকাল (শনিবার) রাতে থানায় একটি মামলা করেন। আসামি বাবুলসহ জড়িতদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর যশোরের উপপরিচালক হুমায়ন কবির খন্দকার বলেন, ‘রেকটিফাইড স্পিরিট পান করেছিলেন মোট সাতজন। এর মধ্যে চারজন এখন সুস্থ রয়েছে। এদের মধ্যে দুজনকে আমার দপ্তরে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাঁরা আসামি বাবুলের কাছ থেকে স্পিরিট কিনে খেয়েছিলেন বলে তথ্য দিয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাবুল ও জাহাঙ্গীর নামে দুজন রেকটিফাইড স্পিরিটের লেভেল উঠিয়ে মেডিসিন মিক্সড করে বিক্রি করেন। তাঁরা পাইকারি বিক্রেতা আবাদ কচুয়া এলাকার সাইদুল ইসলাম ও আশরাফ হোসেনের কাছ থেকে কিনেন। তাঁদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে।’
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘হোমিওপ্যাথিক ওষুধের দোকানে রেকটিফাইড স্পিরিট বিক্রি গোপনে বিক্রি হয়। গত বছর ৭-৮টি অভিযান চালানো হয়েছে। আরও অভিযান চালানো হবে।’
গত ২৫ জানুয়ারি রাতে যশোর সদরের কচুয়া গ্রামের একটি মেহগনি বাগানে মধ্যে বসে কাশেম, জাকির, ইসলাম, নজরুল ইসলাম নজুসহ সাতজন মদপান করেন। এর মধ্যে আবাদ কচুয়া গ্রামের মৃত আবদুল হামিদের ছেলে ইসলাম ও শাহজাহান আলীর ছেলে জাকির হোসেন ও আবু বক্কর মোল্লার ছেলে আবুল কাশেমসহ তিনজন মারা যান। অসুস্থ হয়ে পড়েন আরও চারজন।

যশোরে মদপানে তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে মৃত কাশেম মোল্লার মেয়ে নাছরিন খাতুন শহরের কোতোয়ালি থানায় মামলাটি করেন। এতে আসামি করা হয়েছে একই উপজেলার সিতারামপুর দক্ষিণপাড়ার বাবুল রহমান নামে এক ব্যক্তিকে। তাঁর কাছ থেকে মদ কিনে খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়।
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মৃত কাশেমের মেয়ে নাছরিন খাতুন গতকাল (শনিবার) রাতে থানায় একটি মামলা করেন। আসামি বাবুলসহ জড়িতদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর যশোরের উপপরিচালক হুমায়ন কবির খন্দকার বলেন, ‘রেকটিফাইড স্পিরিট পান করেছিলেন মোট সাতজন। এর মধ্যে চারজন এখন সুস্থ রয়েছে। এদের মধ্যে দুজনকে আমার দপ্তরে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাঁরা আসামি বাবুলের কাছ থেকে স্পিরিট কিনে খেয়েছিলেন বলে তথ্য দিয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাবুল ও জাহাঙ্গীর নামে দুজন রেকটিফাইড স্পিরিটের লেভেল উঠিয়ে মেডিসিন মিক্সড করে বিক্রি করেন। তাঁরা পাইকারি বিক্রেতা আবাদ কচুয়া এলাকার সাইদুল ইসলাম ও আশরাফ হোসেনের কাছ থেকে কিনেন। তাঁদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে।’
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘হোমিওপ্যাথিক ওষুধের দোকানে রেকটিফাইড স্পিরিট বিক্রি গোপনে বিক্রি হয়। গত বছর ৭-৮টি অভিযান চালানো হয়েছে। আরও অভিযান চালানো হবে।’
গত ২৫ জানুয়ারি রাতে যশোর সদরের কচুয়া গ্রামের একটি মেহগনি বাগানে মধ্যে বসে কাশেম, জাকির, ইসলাম, নজরুল ইসলাম নজুসহ সাতজন মদপান করেন। এর মধ্যে আবাদ কচুয়া গ্রামের মৃত আবদুল হামিদের ছেলে ইসলাম ও শাহজাহান আলীর ছেলে জাকির হোসেন ও আবু বক্কর মোল্লার ছেলে আবুল কাশেমসহ তিনজন মারা যান। অসুস্থ হয়ে পড়েন আরও চারজন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে