কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি

দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুকে পুঁজি করে নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। ষড়যন্ত্রকারীরা সরকারের পাশাপাশি স্বাধীনতার নেতৃত্বকারী দল আওয়ামী লীগকে উৎখাত করতে চায়। আমাদের চোখ কান খোলা রাখতে হবে। যদি নিরীহ মানুষের কোনো ক্ষতির চেষ্টা করে, কেশবপুরে জামায়াতের বাড়িঘর কোনো কিছুই রাখব না। এমন মন্তব্য করেছেন যশোর-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার।
আজ বৃহস্পতিবার কেশবপুর থানা আয়োজিত শহরের আবু শারাফ সাদেক অডিটোরিয়ামে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শাহীন চাকলাদার বলেন, ‘শুক্রবারের জুমায় আমরা মসজিদে থাকব, চোখ কান খোলা রাখব। ওরা নামাজ শেষে কেশবপুরকে অশান্ত করার চেষ্টা করলেই, খেলা শুরু হবে। এটাই হবে আমাদের আজকের ওয়াদা।’
আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, ‘যশোরে আমার প্রোগ্রাম সেট করা আছে। সব থানায় বলে দিয়েছি। কাল (শুক্রবার) কোনো কিছু হলে, হুইসেল বাজলেই খেলা শুরু হবে। কাল হবে ফাইনাল খেলা। দেখি কোথায় জামায়াত আছে, কারা আছে, কালকে পরীক্ষা হবে।’
কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জেলা পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার, কেশবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন।
আরও বক্তব্য দেন, পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি শ্যামল সরকার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম রুহুল আমীন, সহসভাপতি আমির হোসেন ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।

দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুকে পুঁজি করে নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। ষড়যন্ত্রকারীরা সরকারের পাশাপাশি স্বাধীনতার নেতৃত্বকারী দল আওয়ামী লীগকে উৎখাত করতে চায়। আমাদের চোখ কান খোলা রাখতে হবে। যদি নিরীহ মানুষের কোনো ক্ষতির চেষ্টা করে, কেশবপুরে জামায়াতের বাড়িঘর কোনো কিছুই রাখব না। এমন মন্তব্য করেছেন যশোর-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার।
আজ বৃহস্পতিবার কেশবপুর থানা আয়োজিত শহরের আবু শারাফ সাদেক অডিটোরিয়ামে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শাহীন চাকলাদার বলেন, ‘শুক্রবারের জুমায় আমরা মসজিদে থাকব, চোখ কান খোলা রাখব। ওরা নামাজ শেষে কেশবপুরকে অশান্ত করার চেষ্টা করলেই, খেলা শুরু হবে। এটাই হবে আমাদের আজকের ওয়াদা।’
আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, ‘যশোরে আমার প্রোগ্রাম সেট করা আছে। সব থানায় বলে দিয়েছি। কাল (শুক্রবার) কোনো কিছু হলে, হুইসেল বাজলেই খেলা শুরু হবে। কাল হবে ফাইনাল খেলা। দেখি কোথায় জামায়াত আছে, কারা আছে, কালকে পরীক্ষা হবে।’
কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জেলা পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার, কেশবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন।
আরও বক্তব্য দেন, পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি শ্যামল সরকার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম রুহুল আমীন, সহসভাপতি আমির হোসেন ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে