যশোর প্রতিনিধি

কাঁচামালের সংকটে যশোরে ১০ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে বিনা মূল্যে বিতরণ করা সরকারি খাওয়ার স্যালাইন (ওরাল রিহাইড্রেশন সল্ট বা ওআরএস) উৎপাদন। এতে খুলনা বিভাগের পাশাপাশি ফরিদপুর ও রাজবাড়ীতে স্যালাইন সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে স্বাস্থ্য বিভাগের দাবি, এক মাসের স্যালাইন মজুত আছে, আর উৎপাদন শুরু করতে এরই মধ্যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে খাওয়ার স্যালাইন উৎপাদন ও সরবরাহ প্রতিষ্ঠান যশোর ইউনিটের ব্যবস্থাপক ডা. রেওনেওয়াজ রনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত ২৯ নভেম্বর থেকে স্যালাইন উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। কিন্তু আমাদের কাছে প্রায় পাঁচ লাখ ব্যাগ স্যালাইন মজুত রয়েছে; যা দিয়ে আগামী এক মাস যাবে। যদি এর মধ্যে কাঁচামাল সরবরাহ না পাওয়া যায়, তাহলে সংকট দেখা দিতে পারে। তবে শুনেছি, সরকার শিগগির বিদেশ থেকে কাঁচামাল আনছে। আশা করছি, স্বাস্থ্যসেবায় এর প্রভাব পড়বে না।’
সারা দেশে শীতকালে ডায়রিয়ার প্রকোপ বাড়ে, দরকার পড়ে খাওয়ার স্যালাইনের। এ জন্য সরকারি হাসপাতাল ও কমিউনিটি ক্লিনিকে বিনা মূল্যে খাওয়ার স্যালাইন সরবরাহ করে জনস্বাস্থ্য বিভাগ। কিন্তু গত ২৯ নভেম্বর থেকে খুলনা বিভাগের যশোর ইউনিটের কারখানায় ওআরএস স্যালাইনের কাঁচামাল গ্লুকোজ, সোডিয়াম ক্লোরাইড, পটাশিয়াম ক্লোরাইড ও ট্রাইসোডিয়ামের সংকটের কারণে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।
কারখানা সূত্রে জানা যায়, দেশে খাওয়ার স্যালাইন উৎপাদনের পাঁচটি আঞ্চলিক ইউনিট রয়েছে। এর মধ্যে যশোরের ইউনিটটি অন্যতম। এখান থেকে খুলনা বিভাগের ১০ জেলা এবং ফরিদপুর, রাজবাড়ী জেলায় খাওয়ার স্যালাইন সরবরাহ করা হয়। কারখানাটিতে প্রতিদিন ১৫ হাজার প্যাকেট স্যালাইন উৎপাদিত হতো।
যশোর ইউনিটের স্টোরকিপার মো. আওরঙ্গজেব আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘স্যালাইন তৈরিতে যে চারটি কাঁচামাল দরকার, তার মধ্যে গ্লুকোজ একেবারেই স্টক শূন্য। এর বাইরে সোডিয়াম ক্লোরাইড, পটাশিয়াম ক্লোরাইড ও ট্রাইসোডিয়াম আছে ৫০ বস্তার মতো। যে কারণে উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে না।’
যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হারুন অর রশিদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের কাছে বর্তমানে পর্যাপ্ত স্যালাইন মজুত রয়েছে। কিন্তু এক মাসের মধ্যে চালু না হলে স্যালাইন সংকট দেখা দিতে পারে।’
জেলা সিভিল সার্জন বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস বলেন, ‘আমরা দ্রুত কাঁচামালের চাহিদা প্রেরণ করেছি। আশা করছি, দ্রুত কাঁচামাল আসবে। এলেই আবার উৎপাদন শুরু হবে।’

কাঁচামালের সংকটে যশোরে ১০ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে বিনা মূল্যে বিতরণ করা সরকারি খাওয়ার স্যালাইন (ওরাল রিহাইড্রেশন সল্ট বা ওআরএস) উৎপাদন। এতে খুলনা বিভাগের পাশাপাশি ফরিদপুর ও রাজবাড়ীতে স্যালাইন সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে স্বাস্থ্য বিভাগের দাবি, এক মাসের স্যালাইন মজুত আছে, আর উৎপাদন শুরু করতে এরই মধ্যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে খাওয়ার স্যালাইন উৎপাদন ও সরবরাহ প্রতিষ্ঠান যশোর ইউনিটের ব্যবস্থাপক ডা. রেওনেওয়াজ রনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত ২৯ নভেম্বর থেকে স্যালাইন উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। কিন্তু আমাদের কাছে প্রায় পাঁচ লাখ ব্যাগ স্যালাইন মজুত রয়েছে; যা দিয়ে আগামী এক মাস যাবে। যদি এর মধ্যে কাঁচামাল সরবরাহ না পাওয়া যায়, তাহলে সংকট দেখা দিতে পারে। তবে শুনেছি, সরকার শিগগির বিদেশ থেকে কাঁচামাল আনছে। আশা করছি, স্বাস্থ্যসেবায় এর প্রভাব পড়বে না।’
সারা দেশে শীতকালে ডায়রিয়ার প্রকোপ বাড়ে, দরকার পড়ে খাওয়ার স্যালাইনের। এ জন্য সরকারি হাসপাতাল ও কমিউনিটি ক্লিনিকে বিনা মূল্যে খাওয়ার স্যালাইন সরবরাহ করে জনস্বাস্থ্য বিভাগ। কিন্তু গত ২৯ নভেম্বর থেকে খুলনা বিভাগের যশোর ইউনিটের কারখানায় ওআরএস স্যালাইনের কাঁচামাল গ্লুকোজ, সোডিয়াম ক্লোরাইড, পটাশিয়াম ক্লোরাইড ও ট্রাইসোডিয়ামের সংকটের কারণে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।
কারখানা সূত্রে জানা যায়, দেশে খাওয়ার স্যালাইন উৎপাদনের পাঁচটি আঞ্চলিক ইউনিট রয়েছে। এর মধ্যে যশোরের ইউনিটটি অন্যতম। এখান থেকে খুলনা বিভাগের ১০ জেলা এবং ফরিদপুর, রাজবাড়ী জেলায় খাওয়ার স্যালাইন সরবরাহ করা হয়। কারখানাটিতে প্রতিদিন ১৫ হাজার প্যাকেট স্যালাইন উৎপাদিত হতো।
যশোর ইউনিটের স্টোরকিপার মো. আওরঙ্গজেব আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘স্যালাইন তৈরিতে যে চারটি কাঁচামাল দরকার, তার মধ্যে গ্লুকোজ একেবারেই স্টক শূন্য। এর বাইরে সোডিয়াম ক্লোরাইড, পটাশিয়াম ক্লোরাইড ও ট্রাইসোডিয়াম আছে ৫০ বস্তার মতো। যে কারণে উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে না।’
যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হারুন অর রশিদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের কাছে বর্তমানে পর্যাপ্ত স্যালাইন মজুত রয়েছে। কিন্তু এক মাসের মধ্যে চালু না হলে স্যালাইন সংকট দেখা দিতে পারে।’
জেলা সিভিল সার্জন বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস বলেন, ‘আমরা দ্রুত কাঁচামালের চাহিদা প্রেরণ করেছি। আশা করছি, দ্রুত কাঁচামাল আসবে। এলেই আবার উৎপাদন শুরু হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
২ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
২ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
২ ঘণ্টা আগে