দেওয়ানগঞ্জ: জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে পারিবারিক কোন্দলকে কেন্দ্র করে দেবর মোস্তাক আহাম্মেদের রডের আঘাতে আপন বড় ভাইয়ের স্ত্রী ফুলেরা বেগমের (৩৫) মৃত্যুর হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। দেওয়ানগঞ্জ পৌর শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাদেশশারিয়া বাড়ি গুজিমারী গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে।
দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাসুদ রানা প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানান, সোমবার দিবাগত রাতে আবু কালামের স্ত্রী ফুলেরা বেগমের সঙ্গে ঝগড়া হয় ছোট ভাই মোস্তাক আহাম্মেদের স্ত্রী স্বপ্নার। এই ঝগড়াকে কেন্দ্র করে মধ্য রাতে আবু কালামের ঘরে ঢুকে মোস্তাক ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না লোহার রড দিয়ে ফুলেরা বেগমের মাথায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন তিনি। আহত ফুলেরা বেগমকে প্রথমে দেওয়ানগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, পরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে দ্রুত জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে মারা যান ফুলেরা বেগম।
দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মহব্বত কবীর গৃহবধূর মৃত্যুর খবরটি সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আহত ফুলেরা বেগম জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় মারা গিয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ পেয়েছি, হত্যা ঘটনায় অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

মৌলভীবাজার তথা সিলেট বিভাগের ইফতারে অন্যতম জনপ্রিয় ঐতিহ্যবাহী খাবার হলো আখনি পোলাও। এই অঞ্চলের মানুষেরা নিজ বাড়িতে আখনি তৈরির পাশাপাশি রোজার মাসে বড় হাঁড়ির আখনি খাবারের স্বাদ নিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁয় ইফতার করতে আসেন। সুগন্ধি চাল, ঘি, গরম মসলা
৫ ঘণ্টা আগে
এবারও নির্ধারিত সময়ে (২৮ ফেব্রুয়ারি) শেষ হয়নি সুনামগঞ্জের হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ। অভিযোগ রয়েছে, বাঁধের কাজে সীমাহীন অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের টাকায় সাব্যস্ত হয়েছে বাঁধ, বরাদ্দ ও প্রকল্প। টেকসই কাজ ও নির্ধারিত সময়সীমার বিপরীতে কে কত টাকায় প্রকল্প বাগিয়ে নিতে...
৫ ঘণ্টা আগে
উঠানে হাঁটুপানি। সেই পানিতে ভাসছে শেওলা। প্রথমে মনে হবে পরিত্যক্ত বাড়ি। অথচ এই বাড়িতেই স্বামী-সন্তান নিয়ে বসবাস করছেন রেখা হালদার। রাস্তা থেকে বাড়িতে ঢুকতে একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো। ঘর থেকে পানি সরলেও এখনো কর্দমাক্ত রান্নাঘর, গোয়ালঘর।
৫ ঘণ্টা আগে
এই দিনের জন্যই অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলেন সবাই। পয়সা খরচ করে বই বের করা প্রকাশক তো বটেই, বইপ্রেমী পাঠকেরাও। জনশূন্য মেলায় ঘুরতে কার ভালো লাগে! স্টলে স্টলে থাকবে ক্রেতা-পাঠকের ভিড়। হাতে থাকবে একগাদা বইয়ের ব্যাগ। সেটিই তো বইমেলার চিরচেনা রূপ!।
৫ ঘণ্টা আগে