সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে মারামারির মামলায় আনোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে মধ্যরাতে সরিষাবাড়ী থানা হাজতে অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসাপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আজ বুধবার সকালে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ডোয়াইল ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক স্বপন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের চাপারকোনা হাটবাড়ী গ্রামের দুলু কামারের ছেলে আনোয়ার হোসেন। সে সরিষাবাড়ী থানার মারামারির একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে আসামি আনোয়ার হোসেনকে তাঁর নিজ গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাঁকে থানা হাজতে রাখা হয়। মধ্যরাতে হঠাৎ তিনি থানা হাজতে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পুলিশ তৎক্ষণাৎ তাঁকে সরিষাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
আনোয়ার হোসেনের মামা আলহাজ ফকির বলেন, ‘পুলিশ সুস্থ অবস্থায় আনোয়ারকে ধরে নিয়ে গেল। আর এমন কী হলো যে, রাতেই সে মারা গেল।’
সরিষাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মেহেদী হাসান বলেন, ‘মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা ১৫ মিনিটে আনোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে আসে পুলিশ। হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছিল। তাঁর শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন দেখা যায়নি।’
এ ব্যাপারে ডোয়াইল ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক স্বপন জানান, আনোয়ার হোসেনের হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার বিষয়টি পুলিশ তাঁকে জানিয়েছিল। তৎক্ষণাৎ তিনি হাসপাতালে গিয়ে আনোয়ার হোসেনের নিথর দেহ দেখতে পান।
এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুশফিকুর রহমান বলেন, হাজতি আনোয়ার হোসেন মঙ্গলবার মধ্য রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। তৎক্ষণাৎ তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সে মারা যায়।

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে মারামারির মামলায় আনোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে মধ্যরাতে সরিষাবাড়ী থানা হাজতে অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসাপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আজ বুধবার সকালে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ডোয়াইল ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক স্বপন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের চাপারকোনা হাটবাড়ী গ্রামের দুলু কামারের ছেলে আনোয়ার হোসেন। সে সরিষাবাড়ী থানার মারামারির একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে আসামি আনোয়ার হোসেনকে তাঁর নিজ গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাঁকে থানা হাজতে রাখা হয়। মধ্যরাতে হঠাৎ তিনি থানা হাজতে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পুলিশ তৎক্ষণাৎ তাঁকে সরিষাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
আনোয়ার হোসেনের মামা আলহাজ ফকির বলেন, ‘পুলিশ সুস্থ অবস্থায় আনোয়ারকে ধরে নিয়ে গেল। আর এমন কী হলো যে, রাতেই সে মারা গেল।’
সরিষাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মেহেদী হাসান বলেন, ‘মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা ১৫ মিনিটে আনোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে আসে পুলিশ। হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছিল। তাঁর শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন দেখা যায়নি।’
এ ব্যাপারে ডোয়াইল ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক স্বপন জানান, আনোয়ার হোসেনের হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার বিষয়টি পুলিশ তাঁকে জানিয়েছিল। তৎক্ষণাৎ তিনি হাসপাতালে গিয়ে আনোয়ার হোসেনের নিথর দেহ দেখতে পান।
এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুশফিকুর রহমান বলেন, হাজতি আনোয়ার হোসেন মঙ্গলবার মধ্য রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। তৎক্ষণাৎ তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সে মারা যায়।

চট্টগ্রামের কক্সবাজারে রহিদ বড়ুয়া (১৯) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে শহরের বিজিবি ক্যাম্পের পশ্চিমপাড়ায় বাড়ির কাছে একটি গাছ থেকে তাঁর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।
৬ মিনিট আগে
অনেকটা পাগলের মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী, এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। এসব খুনের ঘটনায় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের পর আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তিনি স্বীকারোক্তিমূলক...
৭ মিনিট আগে
সাভারের আশুলিয়ায় বকেয়া বেতনের দাবিতে মেডলার গ্রুপ নামের একটি তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করেন। এ সময় শ্রমিকদের ইটপাটকেলের আঘাতে আশুলিয়া শিল্প পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হন। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে আশুলিয়ার সরকার মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে আহত পুলিশ সদস্যদের নাম-পরিচয় জানা যা
৩৫ মিনিট আগে
আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে (জেআইসি) গুম করে রাখার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন হুম্মাম কাদের চৌধুরী। গুমের অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিতে গিয়ে একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘দিন গুনতাম খাবার দেখে। খাবারের জন্য রুটি আসলে বুঝতে পারতাম নতুন দিন শুরু
১ ঘণ্টা আগে