দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে একই পরিবারের দুই ভাই খুন হওয়ার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত ১৪ জন আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন জামালপুর জেলা আদালতে।
এর আগে গতকাল রোববার রাতে নিহত হাবিবুর রহমানের ছেলে ফকরুল বাদী হয়ে ৪৪ জনকে আসামি করে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ এ পর্যন্ত ১৪ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।
এ ছাড়া সোমবার বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে নিহতদের মরদেহ দাফন করা হয়েছে। নিহত দুই ভাইয়ের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছালে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
গতকাল রোববার জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ সদর ইউনিয়নের তিলকপুর পূর্ব পাড়া গ্রামে পাওনা দুই হাজার টাকা চাওয়া নিয়ে বাগ্বিতণ্ডার জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় হাবিবুর রহমান হইবর ও সোলায়মান হোসেন নামে দুই ভাই নিহত হন। সোমবার উপজেলার সদর ইউনিয়নের তিলকপুর পূর্ব পাড়া গ্রামে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হাবিবুর ও সোলায়মানের বাড়িতে গেলে দেখা যায়, দুই নিহতের স্ত্রীদের কান্না থামছেই না। প্রতিবেশী আত্মীয়স্বজনেরা তাঁদের সান্তনা দিচ্ছেন কিন্তু তাতেও থামছে না তাঁদের আহাজারি।
নিহত হাবিবুরের স্ত্রী গর্ভবতী সুরুণা একদিকে প্রসব বেদনায় ছটফট করছে অন্যদিকে স্বামী দেবর হারানোর বেদনায় বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। কান্না জড়িত কণ্ঠে সুরুণা বলেন, ‘পাষণ্ড খুনিরা আমার স্বামীকে তার অনাগত সন্তানের মুখ দেখতে দিল না।’
নিহত সোলায়মানের বড় ছেলে মিজান বলেন, ‘আমার বাবা নিরীহ প্রকৃতির মানুষ। তিনি ঝামেলাহীন থাকতে পছন্দ করতেন। অন্যায় ভাবে তার ওপর হামলা করে দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে তাকে হত্যা করা হয়েছে। আমি হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক চাই।’
নিহত সোলায়মান হোসেনের ঘরে স্ত্রীর, এক ছেলে দুই মেয়ে রয়েছে। স্বামী হারানোর শোকে প্রলাপ করছেন তিনি। কান্না জড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী একজন শান্ত নিরীহ লোক ছিলেন। তাঁকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।’
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুস সালাম জানান, নিহত হাবিবুর রহমান ও সোলায়মান হোসেন নিরীহ প্রকৃতির মানুষ। এ অঞ্চলে তাঁদের সুনাম রয়েছে। নির্মমভাবে তাঁদের হত্যা করা হয়েছে। এ অঞ্চলে এই প্রথম এ রকম নারকীয় ঘটনা ঘটেছে। তিনি এর সুবিচারের দাবি জানান।
হত্যা মামলার বাদী ফকরুল বলেন, ‘আমার বাবা চাচাকে বিনা দোষে হত্যা করা হয়েছে। আমি বাকি আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।’
দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল চন্দ্র ধর জানান, দুই ভাই হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। এরই মধ্যে ১৪ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের সোমবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের ধরতে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, নিহত হাবিবুরের ছেলে ফকরুল একই গ্রামের ইউনুসের ছেলে ইমরানের কাছে দুই হাজার টাকা পান। গতকাল রোববার সকালে ফকরুলসহ কয়েকজন ইমরানের কাছে পাওনা টাকা চাইতে গেলে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ফকরুল ও ইমরানের মধ্যে সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। ছেলের সঙ্গে সংঘর্ষের খবর পেয়ে ফকরুলের বাবা হাবিবুর রহমান ও চাচা সোলাইমান সেখানে যান। এ সময় দু-পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলছিল। ঘটনাস্থলে যাওয়া সঙ্গে সঙ্গে প্রতিপক্ষরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হাবিবুর রহমান ও সোলায়মানকে এলোপাতাড়ি আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তাঁদের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হন।

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে একই পরিবারের দুই ভাই খুন হওয়ার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত ১৪ জন আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন জামালপুর জেলা আদালতে।
এর আগে গতকাল রোববার রাতে নিহত হাবিবুর রহমানের ছেলে ফকরুল বাদী হয়ে ৪৪ জনকে আসামি করে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ এ পর্যন্ত ১৪ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।
এ ছাড়া সোমবার বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে নিহতদের মরদেহ দাফন করা হয়েছে। নিহত দুই ভাইয়ের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছালে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
গতকাল রোববার জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ সদর ইউনিয়নের তিলকপুর পূর্ব পাড়া গ্রামে পাওনা দুই হাজার টাকা চাওয়া নিয়ে বাগ্বিতণ্ডার জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় হাবিবুর রহমান হইবর ও সোলায়মান হোসেন নামে দুই ভাই নিহত হন। সোমবার উপজেলার সদর ইউনিয়নের তিলকপুর পূর্ব পাড়া গ্রামে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হাবিবুর ও সোলায়মানের বাড়িতে গেলে দেখা যায়, দুই নিহতের স্ত্রীদের কান্না থামছেই না। প্রতিবেশী আত্মীয়স্বজনেরা তাঁদের সান্তনা দিচ্ছেন কিন্তু তাতেও থামছে না তাঁদের আহাজারি।
নিহত হাবিবুরের স্ত্রী গর্ভবতী সুরুণা একদিকে প্রসব বেদনায় ছটফট করছে অন্যদিকে স্বামী দেবর হারানোর বেদনায় বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। কান্না জড়িত কণ্ঠে সুরুণা বলেন, ‘পাষণ্ড খুনিরা আমার স্বামীকে তার অনাগত সন্তানের মুখ দেখতে দিল না।’
নিহত সোলায়মানের বড় ছেলে মিজান বলেন, ‘আমার বাবা নিরীহ প্রকৃতির মানুষ। তিনি ঝামেলাহীন থাকতে পছন্দ করতেন। অন্যায় ভাবে তার ওপর হামলা করে দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে তাকে হত্যা করা হয়েছে। আমি হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক চাই।’
নিহত সোলায়মান হোসেনের ঘরে স্ত্রীর, এক ছেলে দুই মেয়ে রয়েছে। স্বামী হারানোর শোকে প্রলাপ করছেন তিনি। কান্না জড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী একজন শান্ত নিরীহ লোক ছিলেন। তাঁকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।’
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুস সালাম জানান, নিহত হাবিবুর রহমান ও সোলায়মান হোসেন নিরীহ প্রকৃতির মানুষ। এ অঞ্চলে তাঁদের সুনাম রয়েছে। নির্মমভাবে তাঁদের হত্যা করা হয়েছে। এ অঞ্চলে এই প্রথম এ রকম নারকীয় ঘটনা ঘটেছে। তিনি এর সুবিচারের দাবি জানান।
হত্যা মামলার বাদী ফকরুল বলেন, ‘আমার বাবা চাচাকে বিনা দোষে হত্যা করা হয়েছে। আমি বাকি আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।’
দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল চন্দ্র ধর জানান, দুই ভাই হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। এরই মধ্যে ১৪ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের সোমবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের ধরতে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, নিহত হাবিবুরের ছেলে ফকরুল একই গ্রামের ইউনুসের ছেলে ইমরানের কাছে দুই হাজার টাকা পান। গতকাল রোববার সকালে ফকরুলসহ কয়েকজন ইমরানের কাছে পাওনা টাকা চাইতে গেলে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ফকরুল ও ইমরানের মধ্যে সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। ছেলের সঙ্গে সংঘর্ষের খবর পেয়ে ফকরুলের বাবা হাবিবুর রহমান ও চাচা সোলাইমান সেখানে যান। এ সময় দু-পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলছিল। ঘটনাস্থলে যাওয়া সঙ্গে সঙ্গে প্রতিপক্ষরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হাবিবুর রহমান ও সোলায়মানকে এলোপাতাড়ি আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তাঁদের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে