হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

যৌতুকের দাবিতে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে হত্যার দায়ে একই পরিবারের পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল (২) এর বিচারক মো. জাহিদুল হক আজ বৃহস্পতিবার এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-চুনারুঘাট উপজেলার সাদেকপুর গ্রামের রাসেল মিয়া (২৫) তাঁর বড় ভাই কাওছার মিয়া (৩২) মা তাহেরা বেগম (৫০), ছোট বোন হোছনা বেগম (২০) বড় বোন রোজী বেগম (২৭)। রায় ঘোষণার সময় কাউছার মিয়া পলাতক ছিলেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে রাসেল মিয়া তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী তাহেরা খাতুন ওরফে আয়েশার কাছে এক লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে মারপিট করেন। একপর্যায়ে সংকটাপন্ন অবস্থায় তাঁকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে মারা যায় তিনি।
এ ঘটনার আট মাস আগে তাঁদের বিয়ে হয়। পরদিন তাহেরার বাবা একই উপজেলার পঞ্চাশ গ্রামের আব্দুস ছত্তার দণ্ডপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে চুনারুঘাট থানায় মামলা করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চুনারুঘাট থানার এস আই ফারুক হোসেন ২০১৭ সালের ৩ মার্চ অভিযোগপত্র দেন। কিন্তু বাদীপক্ষ এতে নারাজি দিলে আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) মামলাটি পুনরায় তদন্ত করার আদেশ দেয়।
পিবিআইয়ের এসআই মইনুল ইসলাম মামলাটি তদন্ত করে ২০১৭ সালের ১১ নভেম্বর পাঁচজনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেন। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এ রায় দেওয়া হয়।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি (২) আবুল মনসুর চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ রায়ের কারণে নারী নির্যাতন ও যৌতুক কিছুটা হলেও লাঘব হবে।

যৌতুকের দাবিতে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে হত্যার দায়ে একই পরিবারের পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল (২) এর বিচারক মো. জাহিদুল হক আজ বৃহস্পতিবার এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-চুনারুঘাট উপজেলার সাদেকপুর গ্রামের রাসেল মিয়া (২৫) তাঁর বড় ভাই কাওছার মিয়া (৩২) মা তাহেরা বেগম (৫০), ছোট বোন হোছনা বেগম (২০) বড় বোন রোজী বেগম (২৭)। রায় ঘোষণার সময় কাউছার মিয়া পলাতক ছিলেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে রাসেল মিয়া তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী তাহেরা খাতুন ওরফে আয়েশার কাছে এক লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে মারপিট করেন। একপর্যায়ে সংকটাপন্ন অবস্থায় তাঁকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে মারা যায় তিনি।
এ ঘটনার আট মাস আগে তাঁদের বিয়ে হয়। পরদিন তাহেরার বাবা একই উপজেলার পঞ্চাশ গ্রামের আব্দুস ছত্তার দণ্ডপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে চুনারুঘাট থানায় মামলা করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চুনারুঘাট থানার এস আই ফারুক হোসেন ২০১৭ সালের ৩ মার্চ অভিযোগপত্র দেন। কিন্তু বাদীপক্ষ এতে নারাজি দিলে আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) মামলাটি পুনরায় তদন্ত করার আদেশ দেয়।
পিবিআইয়ের এসআই মইনুল ইসলাম মামলাটি তদন্ত করে ২০১৭ সালের ১১ নভেম্বর পাঁচজনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেন। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এ রায় দেওয়া হয়।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি (২) আবুল মনসুর চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ রায়ের কারণে নারী নির্যাতন ও যৌতুক কিছুটা হলেও লাঘব হবে।

রাজধানীর মগবাজার মোড়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে লোহার পাইপ মাথায় পড়ে তাইজুল ইসলাম (২০) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
১৪ মিনিট আগে
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, চন্দ্রদ্বীপসহ বাউফলের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কর্মসূচিতে বাধা, দোকানে চাঁদা দাবি, চাঁদা না দিলে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া কয়েকটি ঘটনায় হত্যাচেষ্টার ও সাক্ষীদের ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
২৩ মিনিট আগে
নারায়ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আজিজুল ইসলাম পেশায় ছোট চা-দোকানি। তিনি গ্রামের পাশের কালারচর বাজারে ব্যবসা করেন। বুধবার রাতে বড় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দোকানে ছিলেন। এ সময় বাড়িতে শহিদা বেগম ও তাঁর চার বছর বয়সী ছোট মেয়ে ছিল। শহিদা রাতের রান্নার চাল ধুতে নলকূপের...
১ ঘণ্টা আগে
জানাজা শেষে ডাবলুর বড় ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল বলেন, ‘গতকাল জানাজায় সবাই সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। আমরা শুধু আশ্বাসে বিশ্বাসী না, জড়িতদের বিচার চাই। কেউ যেন ছাড় না পায়। আমরা যেন বিচার দেখে যেতে পারি।’
১ ঘণ্টা আগে