টুঙ্গিপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বাংলাদেশের সব জায়গায় আমি ঘুরেছি। মাইলের পর মাইল কাদামাটি মাড়িয়েছি। নৌকা, সাম্পান, ট্রলার, ডিঙি নৌকা, ভ্যান কোনটায় চড়ি নাই! সবকিছুতে আমার চড়া আছে। এভাবে বাংলাদেশ ঘুরেছি, বাংলাদেশ দেখেছি। আর সেইটা বুঝে উন্নয়ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। এখন বাংলাদেশকে আমরা একটা জায়গায় নিয়ে এসেছি।’
আজ রোববার সকালে টুঙ্গিপাড়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০০৯ সালে সরকার গঠন করে এই পর্যন্ত আসা। এই সাড়ে ১৪ বছরে বাংলাদেশ বদলে গেছে। একটি বাড়ি একটি খামার, ডিজিটাল বাংলাদেশ, কমিউনিটি ক্লিনিক, আমার গ্রাম আমার শহর, নানা সামাজিক নিরাপত্তামূলক কাজের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।’
সরকারপ্রধান আরও বলেন, ‘প্রতিটি গ্রাম এখন আর গ্রাম নেই। আমরা শতভাগ বিদ্যুৎ দিয়েছি। রাস্তাঘাটের উন্নতি করেছি। এখন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল বলে সবাই।’
এর আগে প্রধানমন্ত্রী গতকাল শনিবার সকাল ৮টায় গণভবন থেকে সড়কপথে দুই দিনের সফরে গোপালগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হন। সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে পদ্মা সেতু হয়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোটালীপাড়ায় পৌঁছান। এ সময় স্থানীয় নেতা-কর্মীরা তাঁকে স্বাগত জানান। স্লোগানে স্লোগানে বরণ করে নেন প্রধানমন্ত্রীকে। পরে কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন তিনি। উদ্বোধন শেষে কার্যালয় চত্বরে তিনটি গাছের চারা রোপণ করেন শেখ হাসিনা। পরে কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় ও দুপুরের খাবার খান প্রধানমন্ত্রী।
এরপর কোটালীপাড়া থেকে টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছে প্রথমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর টুঙ্গিপাড়ার নিজ বাড়িতে বিশ্রামে যান প্রধানমন্ত্রী। রাতে সেখানেই তিনি রাত্রি যাপন করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বাংলাদেশের সব জায়গায় আমি ঘুরেছি। মাইলের পর মাইল কাদামাটি মাড়িয়েছি। নৌকা, সাম্পান, ট্রলার, ডিঙি নৌকা, ভ্যান কোনটায় চড়ি নাই! সবকিছুতে আমার চড়া আছে। এভাবে বাংলাদেশ ঘুরেছি, বাংলাদেশ দেখেছি। আর সেইটা বুঝে উন্নয়ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। এখন বাংলাদেশকে আমরা একটা জায়গায় নিয়ে এসেছি।’
আজ রোববার সকালে টুঙ্গিপাড়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০০৯ সালে সরকার গঠন করে এই পর্যন্ত আসা। এই সাড়ে ১৪ বছরে বাংলাদেশ বদলে গেছে। একটি বাড়ি একটি খামার, ডিজিটাল বাংলাদেশ, কমিউনিটি ক্লিনিক, আমার গ্রাম আমার শহর, নানা সামাজিক নিরাপত্তামূলক কাজের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।’
সরকারপ্রধান আরও বলেন, ‘প্রতিটি গ্রাম এখন আর গ্রাম নেই। আমরা শতভাগ বিদ্যুৎ দিয়েছি। রাস্তাঘাটের উন্নতি করেছি। এখন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল বলে সবাই।’
এর আগে প্রধানমন্ত্রী গতকাল শনিবার সকাল ৮টায় গণভবন থেকে সড়কপথে দুই দিনের সফরে গোপালগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হন। সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে পদ্মা সেতু হয়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোটালীপাড়ায় পৌঁছান। এ সময় স্থানীয় নেতা-কর্মীরা তাঁকে স্বাগত জানান। স্লোগানে স্লোগানে বরণ করে নেন প্রধানমন্ত্রীকে। পরে কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন তিনি। উদ্বোধন শেষে কার্যালয় চত্বরে তিনটি গাছের চারা রোপণ করেন শেখ হাসিনা। পরে কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় ও দুপুরের খাবার খান প্রধানমন্ত্রী।
এরপর কোটালীপাড়া থেকে টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছে প্রথমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর টুঙ্গিপাড়ার নিজ বাড়িতে বিশ্রামে যান প্রধানমন্ত্রী। রাতে সেখানেই তিনি রাত্রি যাপন করেন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে