গাজীপুর প্রতিনিধি

নিরাপত্তাজনিত কারণে গাজীপুর নগরীর ১২টি কারখানা ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার ছুটি ঘোষণা করা কারখানাগুলোর মধ্যে কোনাবাড়ি এলাকার নয়টি কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। আজ শুক্রবার সকালে কারখানাগুলোর সামনে বন্ধের নোটিশও টানিয়ে দেওয়া হয়।
মজুরি বোর্ড শ্রমিকদের বেতন বাড়ানোর ঘোষণার পরও গত বুধবার গতকাল বৃহস্পতিবার গাজীপুর মহানগরীর কয়েকটি এলাকায় শ্রমিক বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। শ্রমিকদের হামলা ভাঙচুরের মধ্য দিয়ে উত্তপ্ত ছিল নগরীর কয়েকটি এলাকা।
এ সময় কোনাবাড়ি এলাকায় স্বনামধন্য তৈরি পোশাক শিল্প গ্রুপ তুসুকা নামের একটি পোশাক তৈরি কারখানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়। কারখানার পাশে দাঁড় করিয়ে রাখা পুলিশের তিনটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় কারখানা ছুটি ঘোষণা করা হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তুসুকা কারখানা। সেই কারখানাসহ মোট নয়টি কারখানার সামনে সাঁটানো হয়েছে কারখানা বন্ধের নোটিশ।
ওই কারখানার মহাব্যবস্থাপক মাসুম হোসেন জানান, কারখানার অভ্যন্তরে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ও চলমান আন্দোলনের কারণে বাধ্য হয়ে কারখানা বন্ধ ঘোষণা করতে হয়েছে। পরবর্তীতে কারখানা খোলার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হলে কারখানা খোলার তারিখ নোটিশের মাধ্যমে শ্রমিকদের জানিয়ে দেওয়া হবে।
গাজীপুর-২ শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইমরান আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, গাজীপুরের কোনোবাড়ি এলাকায় নয়টিসহ আশপাশের এলাকায় কয়েকটি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করার খবর পাওয়া গেছে।
উল্লেখ্য, গত ২৩ অক্টোবর থেকে গাজীপুরে শ্রমিকেরা বেতন বাড়ানোর দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে মজুরি বোর্ডে বেতন ১২ হাজার ৫০০ টাকা ঘোষণা করা হলে সেটি প্রত্যাখ্যান করে গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিক বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। তবে আজ শুক্রবার কোথাও বিক্ষোভের খবর পাওয়া যায়নি।

নিরাপত্তাজনিত কারণে গাজীপুর নগরীর ১২টি কারখানা ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার ছুটি ঘোষণা করা কারখানাগুলোর মধ্যে কোনাবাড়ি এলাকার নয়টি কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। আজ শুক্রবার সকালে কারখানাগুলোর সামনে বন্ধের নোটিশও টানিয়ে দেওয়া হয়।
মজুরি বোর্ড শ্রমিকদের বেতন বাড়ানোর ঘোষণার পরও গত বুধবার গতকাল বৃহস্পতিবার গাজীপুর মহানগরীর কয়েকটি এলাকায় শ্রমিক বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। শ্রমিকদের হামলা ভাঙচুরের মধ্য দিয়ে উত্তপ্ত ছিল নগরীর কয়েকটি এলাকা।
এ সময় কোনাবাড়ি এলাকায় স্বনামধন্য তৈরি পোশাক শিল্প গ্রুপ তুসুকা নামের একটি পোশাক তৈরি কারখানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়। কারখানার পাশে দাঁড় করিয়ে রাখা পুলিশের তিনটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় কারখানা ছুটি ঘোষণা করা হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তুসুকা কারখানা। সেই কারখানাসহ মোট নয়টি কারখানার সামনে সাঁটানো হয়েছে কারখানা বন্ধের নোটিশ।
ওই কারখানার মহাব্যবস্থাপক মাসুম হোসেন জানান, কারখানার অভ্যন্তরে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ও চলমান আন্দোলনের কারণে বাধ্য হয়ে কারখানা বন্ধ ঘোষণা করতে হয়েছে। পরবর্তীতে কারখানা খোলার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হলে কারখানা খোলার তারিখ নোটিশের মাধ্যমে শ্রমিকদের জানিয়ে দেওয়া হবে।
গাজীপুর-২ শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইমরান আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, গাজীপুরের কোনোবাড়ি এলাকায় নয়টিসহ আশপাশের এলাকায় কয়েকটি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করার খবর পাওয়া গেছে।
উল্লেখ্য, গত ২৩ অক্টোবর থেকে গাজীপুরে শ্রমিকেরা বেতন বাড়ানোর দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে মজুরি বোর্ডে বেতন ১২ হাজার ৫০০ টাকা ঘোষণা করা হলে সেটি প্রত্যাখ্যান করে গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিক বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। তবে আজ শুক্রবার কোথাও বিক্ষোভের খবর পাওয়া যায়নি।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে