টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, ‘বিশ্ব ইজতেমায় যোবায়ের ও মাওলানা সাদপন্থীদের মতবিরোধ নিরসনের চেষ্টা চলছে। আশা করি, আগামীতে এ বিরোধের নিরসন হবে।’
আজ সোমবার গাজীপুরের টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমার প্রস্তুতি পর্যালোচনা-সংক্রান্ত ফলোআপ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘প্রতিবারের মতো এবারও কয়েক ধাপে নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকছে। বিশৃঙ্খলা এড়াতে দুই পর্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাড়ে পাঁচ হাজার সদস্য নিয়োজিত থাকবেন।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘গতবারের মতো এবারও বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শেষে যথানিয়মে দ্বিতীয় পর্বে সাদপন্থীদের কাছে ইজতেমা ময়দান হস্তান্তর করা হবে।’ তবে গত বছর বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শেষে ময়দানের আসবাব ভাঙচুরের অভিযোগ রয়েছে। এ সময় তিনি ইজতেমা আয়োজক কমিটির উভয় পক্ষের শীর্ষ মুরব্বিদের ভাঙচুর ও ময়দানের ক্ষতিসাধন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
সভায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, ধর্মমন্ত্রী ফরিদুল হক খান, সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল, পুলিশের মহাপরিদর্শক আবদুল্লাহ-আল মামুন, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মাহবুব আলম, গাজীপুর জেলা প্রশাসক আবুল ফাতেহ মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, সিটি মেয়র জায়েদা খাতুনের উপদেষ্টা ও সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম, তাবলিগ জামাতের জোবায়ের ও সাদপন্থীসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে ইজতেমা ময়দানের স্থান সংকুলান না হওয়ায় মাওলানা যোবায়ের অনুসারীরা টঙ্গীর পাশাপাশি রাজধানীর উত্তরার একটি ফাঁকা জায়গায় অবস্থান করার মৌখিক অনুমতি চান। পরে পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি নাকচ করে দেওয়া হয়।
আগামী ২ থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম পর্বে মাওলানা যোবায়ের এবং ৯ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় পর্বে ভারতের মাওলানা সাদপন্থীরা ইজতেমায় অংশ নেবেন। প্রতি পর্বেই শেষ দিন আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, ‘বিশ্ব ইজতেমায় যোবায়ের ও মাওলানা সাদপন্থীদের মতবিরোধ নিরসনের চেষ্টা চলছে। আশা করি, আগামীতে এ বিরোধের নিরসন হবে।’
আজ সোমবার গাজীপুরের টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমার প্রস্তুতি পর্যালোচনা-সংক্রান্ত ফলোআপ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘প্রতিবারের মতো এবারও কয়েক ধাপে নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকছে। বিশৃঙ্খলা এড়াতে দুই পর্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাড়ে পাঁচ হাজার সদস্য নিয়োজিত থাকবেন।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘গতবারের মতো এবারও বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শেষে যথানিয়মে দ্বিতীয় পর্বে সাদপন্থীদের কাছে ইজতেমা ময়দান হস্তান্তর করা হবে।’ তবে গত বছর বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শেষে ময়দানের আসবাব ভাঙচুরের অভিযোগ রয়েছে। এ সময় তিনি ইজতেমা আয়োজক কমিটির উভয় পক্ষের শীর্ষ মুরব্বিদের ভাঙচুর ও ময়দানের ক্ষতিসাধন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
সভায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, ধর্মমন্ত্রী ফরিদুল হক খান, সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল, পুলিশের মহাপরিদর্শক আবদুল্লাহ-আল মামুন, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মাহবুব আলম, গাজীপুর জেলা প্রশাসক আবুল ফাতেহ মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, সিটি মেয়র জায়েদা খাতুনের উপদেষ্টা ও সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম, তাবলিগ জামাতের জোবায়ের ও সাদপন্থীসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে ইজতেমা ময়দানের স্থান সংকুলান না হওয়ায় মাওলানা যোবায়ের অনুসারীরা টঙ্গীর পাশাপাশি রাজধানীর উত্তরার একটি ফাঁকা জায়গায় অবস্থান করার মৌখিক অনুমতি চান। পরে পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি নাকচ করে দেওয়া হয়।
আগামী ২ থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম পর্বে মাওলানা যোবায়ের এবং ৯ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় পর্বে ভারতের মাওলানা সাদপন্থীরা ইজতেমায় অংশ নেবেন। প্রতি পর্বেই শেষ দিন আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে