গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরে শ্রমিকদের উসকানি দিয়ে আন্দোলন ও কারখানা ভাঙচুরের চেষ্টার অভিযোগে নারীসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী। আজ শনিবার মহানগরীর ভোগরা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
মহানগরীর বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর আলম তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন–জয়পুরহাটের কালাই থানার উদাইপুর গ্রামের হাসনা আক্তার (২৪), শেরপুর সদরের চরমাতবাড়ী নয়ানি পাড়া এলাকার সাজেদা বেগম (২৮), রংপুরের পীরগঞ্জ মির্জাপুর গ্রামের মেঘলা আক্তার (৩০), জয়পুরহাট সদরের ধানসিঁড়া গ্রামের আব্দুল মমিন (২২), খাগড়াছড়ির পানছড়ি থানার ইসলামপুর গ্রামের রাকিব হোসেন (২৩), বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার পাগলা শ্যামনগর গ্রামের মাসুম আলী শেখ (২১) ও ময়মনসিংহের ফুলবাড়ী থানার মো. রায়হান (২৪)।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এদিন সকালে অভিযুক্তরা ভোগরা এলাকার বিভিন্ন পোশাক কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের বাইরে এসে আন্দোলনের যোগ দেওয়ার জন্য উসকানি দিচ্ছিল। এ সময় তারা কয়েকটি কারখানা ইট–পাটকেল নিক্ষেপ করে ভাঙচুরের চেষ্টা করে। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ও সেনা সদস্যরা সাতজনকে আটক করে।
পরে স্থানীয় সানকোয়াং কারখানার মানব সম্পদ বিভাগের ব্যবস্থাপক বাদী হয়ে ভাঙচুর ও শ্রমিকদের উসকানি দেওয়ার অভিযোগে বাসন থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন। তাদের এই মামলা গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
ওসি মো. জাহাঙ্গীর আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে সাতজনকে গ্রেপ্তার করে থানায় হস্তান্তর করেছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা শ্রমিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে বিভিন্ন কারখানায় অসন্তোষ সৃষ্টি ও ভাঙচুরের চেষ্টা করছিল। তাদের নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।’

গাজীপুরে শ্রমিকদের উসকানি দিয়ে আন্দোলন ও কারখানা ভাঙচুরের চেষ্টার অভিযোগে নারীসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী। আজ শনিবার মহানগরীর ভোগরা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
মহানগরীর বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর আলম তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন–জয়পুরহাটের কালাই থানার উদাইপুর গ্রামের হাসনা আক্তার (২৪), শেরপুর সদরের চরমাতবাড়ী নয়ানি পাড়া এলাকার সাজেদা বেগম (২৮), রংপুরের পীরগঞ্জ মির্জাপুর গ্রামের মেঘলা আক্তার (৩০), জয়পুরহাট সদরের ধানসিঁড়া গ্রামের আব্দুল মমিন (২২), খাগড়াছড়ির পানছড়ি থানার ইসলামপুর গ্রামের রাকিব হোসেন (২৩), বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার পাগলা শ্যামনগর গ্রামের মাসুম আলী শেখ (২১) ও ময়মনসিংহের ফুলবাড়ী থানার মো. রায়হান (২৪)।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এদিন সকালে অভিযুক্তরা ভোগরা এলাকার বিভিন্ন পোশাক কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের বাইরে এসে আন্দোলনের যোগ দেওয়ার জন্য উসকানি দিচ্ছিল। এ সময় তারা কয়েকটি কারখানা ইট–পাটকেল নিক্ষেপ করে ভাঙচুরের চেষ্টা করে। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ও সেনা সদস্যরা সাতজনকে আটক করে।
পরে স্থানীয় সানকোয়াং কারখানার মানব সম্পদ বিভাগের ব্যবস্থাপক বাদী হয়ে ভাঙচুর ও শ্রমিকদের উসকানি দেওয়ার অভিযোগে বাসন থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন। তাদের এই মামলা গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
ওসি মো. জাহাঙ্গীর আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে সাতজনকে গ্রেপ্তার করে থানায় হস্তান্তর করেছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা শ্রমিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে বিভিন্ন কারখানায় অসন্তোষ সৃষ্টি ও ভাঙচুরের চেষ্টা করছিল। তাদের নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে