
গাজীপুরের শ্রীপুরে একটি হাসপাতালে চিকিৎসক ছাড়াই নার্সকে দিয়ে প্রসূতির সন্তান ভূমিষ্ঠের চেষ্টা করার পর নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার বিচার চেয়ে আজ শনিবার রাতে মৃত নবজাতককে নিয়েই থানায় হাজির হন মা-বাবাসহ স্বজনেরা।
এর আগে আজ দুপুরে উপজেলার মাওনা চৌরাস্তা এলাকার আল রাজি হাসপাতালে নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের আজুগিরচালা গ্রামের মো. নাজমুল ইসলাম ও শারমিন আক্তার দম্পতির সন্তান ছিল সে।
নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘আজ সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্ত্রী শারমিন আক্তারকে সিজারিয়ান অপারেশন করানোর জন্য মাওনা চৌরাস্তা এলাকার আল রাজি হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ১৩ হাজার টাকায় চুক্তি করা হয়। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমার স্ত্রীর সিজারিয়ান অপারেশন না করে নরমাল ডেলিভারি করানোর চেষ্টা করে সময়ক্ষেপণ করে।’ তিনি বলেন, ‘হাসপাতালে কোনো ডাক্তার ছিল না। কল্পনা নামে একজন নার্স ডেলিভারির কাজ করে। যার কারণে নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। আমরা প্রতিবাদ করলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাদের সঙ্গে খারাপ আচার-আচরণ করে। বিচারের জন্য নবজাতকের মরদেহ নিয়ে থানায় হাজির হয়েছি।’
নবজাতকের মা শারমিন আক্তার বলেন, ‘আমাকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর পর থেকে কয়েকটি ইনজেকশন পুশ করে। এরপর কয়েকজন নার্স আমাকে অনেক কষ্ট দেয়। একপর্যায়ে জরায়ুর মুখ কেটে মৃত নবজাতক বের করে।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আল রাজি হাসপাতালের ম্যানেজার মো. রাসেল মিয়া বলেন, ‘আজ হাসপাতালে কোনো চিকিৎসক ছিল না। তাই আমি নার্স কল্পনাকে রোগী না ভর্তি করতে নিষেধ করি। পরে কী করে রোগী হাসপাতালে ভর্তি হলো, বলতে পারব না।’
নার্স কল্পনা আক্তার বলেন, ‘আমি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় নার্স নই। অভিজ্ঞতা রয়েছে। কয়েক বছর যাবৎ অপারেশন থিয়েটারে কাজ করছি। আজ চিকিৎসক ছিল না। রোগীর অবস্থা খারাপ ছিল, এ জন্য আমি বাচ্চা ডেলিভারি করানোর চেষ্টা করি। যখন বাচ্চা হলো, নবজাতক কোনো কান্না করেনি। অন্য হাসপাতালে শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জানায় নবজাতক মারা গেছে। ’
শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি অবগত হয়েছি। জেলা সিভিল সার্জন স্যারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। সিভিল সার্জনের নির্দেশনায় পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
শ্রীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, ‘নবজাতকের স্বজনেরা মরদেহ নিয়ে থানায় এসেছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ন্যায়বিচারের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে স্বজনদের। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে