
গাজীপুরের শ্রীপুরের কাওরাইদ রেল স্টেশনে ময়মনসিংহগামী মহুয়া এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিন ও দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এ সময় তাড়াহুড়ো করে নামতে গিয়ে কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার কাওরাইদে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাওরাইদ রেল স্টেশনের মাস্টার আমিনুল ইসলাম। এ ঘটনার পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান তিনি।
স্টেশনমাস্টার জানান, ঢাকা থেকে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জগামী মহুয়া এক্সপ্রেস ট্রেনটি বেলা ১১টা ১২ মিনিটে শ্রীপুর স্টেশন ত্যাগ করে কাওরাইদ অভিমুখে যাত্রা করে। ট্রেনটি কাওরাইদ স্টেশনে পৌঁছার আগেই ইঞ্জিন ও দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়। কাওরাইদ রেললাইন স্টেশন এলাকায় স্লিপার খুলে রেললাইন মেরামতের কাজ চলছিল। মেরামতকারীরা (গ্যাং সদস্যরা) লাইনের নিচের কাঠ সরিয়ে ফেলেন। বিষয়টি কাওরাইদ স্টেশনমাস্টারকে অবহিত করেননি তাঁরা।
অন্যদিকে মহুয়া এক্সপ্রেস ট্রেনটিকে ২ নম্বর লাইনে প্রবেশের অনুমতি দেন স্টেশনে কর্মরত মাস্টার। পরে ট্রেনটি স্টেশনে প্রবেশের আগেই একটি ইঞ্জিন ও দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে। এতে তাড়াহুড়ো করে নামতে গিয়ে কয়েকজন সামান্য আহত হন। রেল স্টেশনের ১ নম্বর লাইনে যানচলাচল স্বাভাবিক আছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলে জানান রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
কাওরাইদ রেলওয়ে স্টেশনমাস্টার আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ইঞ্জিনিয়ারিং শাখা আমাদের অবহিত না করে স্লিপার খুলে কাজ করার কারণে দুর্ঘটনায় শিকার হয়েছে ট্রেন।’
গফরগাঁও থেকে শ্রীপুর পর্যন্ত দায়িত্বে থাকা পি ডব্লিউ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, রেললাইনের সংস্কারের জন্য কাওরাইদ রেলওয়ে স্টেশনমাস্টারকে অবহিত করা হয়েছে।
কিন্তু স্টেশনমাস্টার এ বিষয়ে জানেন না বলে জানিয়েছেন—এমন প্রশ্নের উত্তরে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘সেটি তাঁর বিষয়। আমি লিখিতভাবে জানিয়ে কাজ শুরু করেছি।’

গাজীপুরের শ্রীপুরের কাওরাইদ রেল স্টেশনে ময়মনসিংহগামী মহুয়া এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিন ও দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এ সময় তাড়াহুড়ো করে নামতে গিয়ে কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার কাওরাইদে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাওরাইদ রেল স্টেশনের মাস্টার আমিনুল ইসলাম। এ ঘটনার পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান তিনি।
স্টেশনমাস্টার জানান, ঢাকা থেকে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জগামী মহুয়া এক্সপ্রেস ট্রেনটি বেলা ১১টা ১২ মিনিটে শ্রীপুর স্টেশন ত্যাগ করে কাওরাইদ অভিমুখে যাত্রা করে। ট্রেনটি কাওরাইদ স্টেশনে পৌঁছার আগেই ইঞ্জিন ও দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়। কাওরাইদ রেললাইন স্টেশন এলাকায় স্লিপার খুলে রেললাইন মেরামতের কাজ চলছিল। মেরামতকারীরা (গ্যাং সদস্যরা) লাইনের নিচের কাঠ সরিয়ে ফেলেন। বিষয়টি কাওরাইদ স্টেশনমাস্টারকে অবহিত করেননি তাঁরা।
অন্যদিকে মহুয়া এক্সপ্রেস ট্রেনটিকে ২ নম্বর লাইনে প্রবেশের অনুমতি দেন স্টেশনে কর্মরত মাস্টার। পরে ট্রেনটি স্টেশনে প্রবেশের আগেই একটি ইঞ্জিন ও দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে। এতে তাড়াহুড়ো করে নামতে গিয়ে কয়েকজন সামান্য আহত হন। রেল স্টেশনের ১ নম্বর লাইনে যানচলাচল স্বাভাবিক আছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলে জানান রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
কাওরাইদ রেলওয়ে স্টেশনমাস্টার আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ইঞ্জিনিয়ারিং শাখা আমাদের অবহিত না করে স্লিপার খুলে কাজ করার কারণে দুর্ঘটনায় শিকার হয়েছে ট্রেন।’
গফরগাঁও থেকে শ্রীপুর পর্যন্ত দায়িত্বে থাকা পি ডব্লিউ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, রেললাইনের সংস্কারের জন্য কাওরাইদ রেলওয়ে স্টেশনমাস্টারকে অবহিত করা হয়েছে।
কিন্তু স্টেশনমাস্টার এ বিষয়ে জানেন না বলে জানিয়েছেন—এমন প্রশ্নের উত্তরে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘সেটি তাঁর বিষয়। আমি লিখিতভাবে জানিয়ে কাজ শুরু করেছি।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে