গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুর মহানগরীর ছোট দেওড়া এলাকায় তেলবাহী ট্রেন ও যাত্রীবাহী ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষের দুই ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। বেলা ১টার দিকে ট্রেন চলাচল শুরু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন জয়দেবপুর রেলস্টেশন ম্যানেজার মো. হানিফ আলী।
এর আগে আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে জয়দেবপুর রেলস্টেশনের আউটার সিগন্যালে ঢাকাগামী টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনে সঙ্গে রংপুরগামী তেলবাহী ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিনসহ চারটি বগি এবং তেলবাহী ট্রেনের ইঞ্জিনসহ তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়। দুর্ঘটনার পর থেকে এ পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল।
জয়দেবপুর স্টেশনমাস্টার হানিফ আলী জানান, টাঙ্গাইল থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসা টাঙ্গাইল কম্পিউটার ট্রেনটি বেলা ১১টার দিকে জয়দেবপুর স্টেশনে যাত্রাবিরতি শেষে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে। ট্রেনটি স্টেশন থেকে ছেড়ে আউটার সিগন্যালে পৌঁছানোর পর লাইন ক্রসিং করার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা জয়দেবপুর আউটার সিগন্যালের কাজীবাড়ি ছোট দেওড়া এলাকায় একটি তেলবাহী ট্রেনের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এ ঘটনায় যাত্রীবাহী ট্রেনের চালকসহ চারজন আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন লোকো মাস্টার শরীফ মাহমুদ (৩৮), লোকো মাস্টার হাবিবুর রহমান (৫৮) ও সহকারী সবুজ হাসান (৪৬)। তাঁদের উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপরজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
জয়দেবপুর রেলস্টেশন ম্যানেজার মো. হানিফ আলী জানান, দুর্ঘটনার পর ময়মনসিংহ ও উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এতে ওই ডাবল লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে। পরে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেন উদ্ধারে ঢাকা থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেছে। যাত্রী বহনকারী ট্রেনটির বগি সরিয়ে নিলে প্রায় দুই ঘণ্টা পর বেলা ১টার দিকে ডাবল লাইনের ডাউন লাইনে দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে।
ইতিমধ্যে ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস জয়দেবপুর স্টেশন হয়ে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে গেছে। এর কিছু সময় পর একতা এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে জয়দেবপুর স্টেশন পঞ্চগড়ের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে। এখন এক লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রাখা হয়েছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে গাজীপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল ফাতেহ মো. সফিকুল ইসলাম জানান, ভুল সিগন্যালের কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনটি খালি অবস্থায় ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। অন্যদিকে তেলবাহী ট্রেনটি যাচ্ছিল রংপুরে। এ সময় কম্পিউটার ট্রেনটি তেলবাহী ট্রেনের লাইনে ঢুকে পড়লে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
তিনি আরও বলেন, এ দুর্ঘটনায় কারও কোনো গাফিলতি বা অবহেলা ছিল কি না—তা জানতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মতিউর রহমানের নেতৃত্বে তিন সদস্যর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে আগামী দুই কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরপরই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

গাজীপুর মহানগরীর ছোট দেওড়া এলাকায় তেলবাহী ট্রেন ও যাত্রীবাহী ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষের দুই ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। বেলা ১টার দিকে ট্রেন চলাচল শুরু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন জয়দেবপুর রেলস্টেশন ম্যানেজার মো. হানিফ আলী।
এর আগে আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে জয়দেবপুর রেলস্টেশনের আউটার সিগন্যালে ঢাকাগামী টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনে সঙ্গে রংপুরগামী তেলবাহী ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিনসহ চারটি বগি এবং তেলবাহী ট্রেনের ইঞ্জিনসহ তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়। দুর্ঘটনার পর থেকে এ পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল।
জয়দেবপুর স্টেশনমাস্টার হানিফ আলী জানান, টাঙ্গাইল থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসা টাঙ্গাইল কম্পিউটার ট্রেনটি বেলা ১১টার দিকে জয়দেবপুর স্টেশনে যাত্রাবিরতি শেষে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে। ট্রেনটি স্টেশন থেকে ছেড়ে আউটার সিগন্যালে পৌঁছানোর পর লাইন ক্রসিং করার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা জয়দেবপুর আউটার সিগন্যালের কাজীবাড়ি ছোট দেওড়া এলাকায় একটি তেলবাহী ট্রেনের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এ ঘটনায় যাত্রীবাহী ট্রেনের চালকসহ চারজন আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন লোকো মাস্টার শরীফ মাহমুদ (৩৮), লোকো মাস্টার হাবিবুর রহমান (৫৮) ও সহকারী সবুজ হাসান (৪৬)। তাঁদের উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপরজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
জয়দেবপুর রেলস্টেশন ম্যানেজার মো. হানিফ আলী জানান, দুর্ঘটনার পর ময়মনসিংহ ও উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এতে ওই ডাবল লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে। পরে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেন উদ্ধারে ঢাকা থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেছে। যাত্রী বহনকারী ট্রেনটির বগি সরিয়ে নিলে প্রায় দুই ঘণ্টা পর বেলা ১টার দিকে ডাবল লাইনের ডাউন লাইনে দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে।
ইতিমধ্যে ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস জয়দেবপুর স্টেশন হয়ে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে গেছে। এর কিছু সময় পর একতা এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে জয়দেবপুর স্টেশন পঞ্চগড়ের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে। এখন এক লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রাখা হয়েছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে গাজীপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল ফাতেহ মো. সফিকুল ইসলাম জানান, ভুল সিগন্যালের কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনটি খালি অবস্থায় ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। অন্যদিকে তেলবাহী ট্রেনটি যাচ্ছিল রংপুরে। এ সময় কম্পিউটার ট্রেনটি তেলবাহী ট্রেনের লাইনে ঢুকে পড়লে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
তিনি আরও বলেন, এ দুর্ঘটনায় কারও কোনো গাফিলতি বা অবহেলা ছিল কি না—তা জানতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মতিউর রহমানের নেতৃত্বে তিন সদস্যর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে আগামী দুই কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরপরই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে