
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলা যুবদলের এক নেতার বাড়িতে পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে কাপাসিয়া উপজেলা সদর ইউনিয়নের সূর্যনারায়ণপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওই যুবদল নেতার নাম ফরিদুল আলম ভুলু। তিনি কাপাসিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক। দুর্বৃত্তের ছোড়া দুটি পেট্রলবোমার একটি বিস্ফোরিত হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
কাপাসিয়া থানার তদন্ত পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) মো. যুবায়ের জানান, অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা ফরিদুল আলম ভুলুর বাড়ি লক্ষ্য করে দুটি পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করে। এর মধ্যে একটি বিস্ফোরিত হয়। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
পুলিশ জানান, খবর পেয়ে কাপাসিয়া ও কালীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ সময় উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আজিজুর রহমান প্যারা ও দলের অন্যান্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুবদল নেতা ভুলুর এক প্রতিবেশী জানান, গভীর রাতে বিকট বিস্ফোরণের শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর থেকে বাসিন্দাদের মধ্যে এখনো ভীতি বিরাজ করছে।
ঘটনার বিষয়ে জানতে কাপাসিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ফরিদুল আলম ভুলুর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

বিশেষ ক্ষমতা আইনে বেতাগী থানার একটি মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা ও বেতাগী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নজরুল ইসলাম এক আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদন করেন। কিন্তু আদালতের নথিতে দেখা যায়, ওই আসামি মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে বনি আমিন বরগুনা সদর থানার অন্য একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে ২০২৫ সালের ৪
৪ মিনিট আগে
গত ২৪ জুলাই চলাচলের রাস্তায় প্রতিবেশী জয়নাল আবেদীন ও তাঁর ছেলেরা বাঁশের খুঁটি দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। পরে বাড়ির লোকজন বেড়া সরাতে গেলে প্রতিপক্ষের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এ সময় জয়নাল আবেদীনের ছেলে মোজাম্মেল হোসেনের দায়ের কোপে গুরুতর আহত হয় বিল্লাল হোসেন।
২২ মিনিট আগে
রাষ্ট্রবিরোধী গোপন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ৪৪ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
২৪ মিনিট আগে
জনগণ বারবার একটি শোষণ-বৈষম্যহীন সমাজ পেতে রাজপথে অভ্যুত্থানের জন্ম দিয়েছে। ৫২, ৬২, ৬৯-এর অভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা পেয়েছিল। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা না হওয়ায় ১৯৯০ সালে অভ্যুত্থানে সরকার পতন হয়েছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-
৩১ মিনিট আগে