নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

হাইটেক পার্কে রূপান্তর হতে যাচ্ছে গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেশিস)। আজ মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি জানান।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়য়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ‘ঈদের ঠিক আগে আগে টঙ্গীতে অবস্থিত টেলিফোন শিল্প সংস্থাকে (টেশিস) হাইটেক পার্ক হিসেবে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়ার অনুমোদন দিয়েছি। টেলিকম ও আইসিটি সচিবদ্বয় এই রূপান্তরে আমাকে সাহায্য করছেন। ১৯৬৩ সালে জার্মানির সিমেন্সের হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত সফল প্রতিষ্ঠান টেশিসকে মেরে ফেলা হয়েছে। মাঝখানে দোয়েল ল্যাপটপের হাইপ ওঠানো হয়েছে। ভেতরে ভেতরে দোয়েল উৎপাদন হয়েছে মালয়েশিয়ায়, এখানে অ্যাসেম্বলিং হয়েছে মাত্র। শত শত দোয়েল ল্যাপটপ অবিক্রীত। ল্যান্ডফোন সেট বানাতো কোম্পানিটি, সেটা বাটন বা ফিচার ফোন বানানোর সক্ষমতায় পৌঁছানো যায়নি।’
ফেসবুক পোস্টে আরও বলা হয়, ‘গাজীপুরের আহসানুল্লাহ মাস্টারের ছেলে এমপি রাসেল শিল্পের জমি দখল করে আবাসিক এলাকা নয় এ রকম শিল্পাঞ্চলে স্টেডিয়াম বানিয়েছে স্রেফ লুটপাট করতে। অক্ষম প্রতিষ্ঠান টেশিস তার সম্পদ রক্ষায়ও ব্যর্থ হয়েছে।’
বাংলাদেশে ওয়াইফাই রাউটার, বুস্টার, চার্জার ইত্যাদি মোবাইল টেলিফোনের সব ধরনের এক্সেসরিজ এখনো আমদানি করা হয়। এটা ইমাজিন করতে কষ্ট হয় যে দেশের প্রায় শতভাগ ইউএসবি কেবল, পাওয়ার কেবল, এডাপ্টার ইত্যাদি আমদানি করা লাগে। সাধারণ পিএবিএক্স বিদেশ থেকে আসে। কর্মসংস্থান কীভাবে হবে? বিশেষ এই লো টেক প্রোডাক্টগুলোর জন্য সংস্থাটিকে কীভাবে ঢেলে সাজানো যায়, তার জন্য এর মহাপরিচালক এর সাথে আলাপ হয়েছে। হাইটেক নয়, আপাতত দরকার এটাকে একটা ফাংশনিং মিড-টেক বা লো-টেক প্রতিষ্ঠান হিসেবে দাঁড়া করানো। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা চাইনিজ ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যানগুলো বাংলাদেশে আনতে উৎসাহিত করেছেন। এখানে টেলিফোন শিল্প সংস্থার বিদ্যমান ইনফ্রাস্ট্রাকচারাল ক্যাপাসিটিকে কীভাবে ইন্টিগ্রেট করা যায়, তার চিন্তা করছি!’
প্রসঙ্গত, ১৯৬৭ সালে টেশিসের যাত্রা শুরু হয়। ডাক, টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত এই সংস্থাকে হাইটেক পার্কে রূপান্তরের উদ্যোগ এবারই প্রথম নয়।
২০১৮ সালের ৩ জানুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়য়ের দায়িত্বে ছিলেন মোস্তাফা জব্বার। সে সময় তিনি টেশিসকে ডিজিটাল যন্ত্র উৎপাদনের হাব হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তাঁর বিদায়ের পর এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি টেশিসকে হাইটেক পার্ক হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগের কথা জানিয়েছিলেন।
মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর গত বছরের ২২ জানুয়ারি তিনি টঙ্গীতে টেলিফোন শিল্প সংস্থা পরিদর্শন করেন। টেশিসের বিভিন্ন ব্যর্থতা নিয়ে সমালোচনা করে সে সময় তিনি বলেন, ‘টেশিস লসে আছে। একে হাইটেক পার্ক করে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে প্রফিটে আনতে হবে।’ বিভিন্ন সময়ে টেশিসকে নিয়ে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।

হাইটেক পার্কে রূপান্তর হতে যাচ্ছে গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেশিস)। আজ মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি জানান।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়য়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ‘ঈদের ঠিক আগে আগে টঙ্গীতে অবস্থিত টেলিফোন শিল্প সংস্থাকে (টেশিস) হাইটেক পার্ক হিসেবে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়ার অনুমোদন দিয়েছি। টেলিকম ও আইসিটি সচিবদ্বয় এই রূপান্তরে আমাকে সাহায্য করছেন। ১৯৬৩ সালে জার্মানির সিমেন্সের হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত সফল প্রতিষ্ঠান টেশিসকে মেরে ফেলা হয়েছে। মাঝখানে দোয়েল ল্যাপটপের হাইপ ওঠানো হয়েছে। ভেতরে ভেতরে দোয়েল উৎপাদন হয়েছে মালয়েশিয়ায়, এখানে অ্যাসেম্বলিং হয়েছে মাত্র। শত শত দোয়েল ল্যাপটপ অবিক্রীত। ল্যান্ডফোন সেট বানাতো কোম্পানিটি, সেটা বাটন বা ফিচার ফোন বানানোর সক্ষমতায় পৌঁছানো যায়নি।’
ফেসবুক পোস্টে আরও বলা হয়, ‘গাজীপুরের আহসানুল্লাহ মাস্টারের ছেলে এমপি রাসেল শিল্পের জমি দখল করে আবাসিক এলাকা নয় এ রকম শিল্পাঞ্চলে স্টেডিয়াম বানিয়েছে স্রেফ লুটপাট করতে। অক্ষম প্রতিষ্ঠান টেশিস তার সম্পদ রক্ষায়ও ব্যর্থ হয়েছে।’
বাংলাদেশে ওয়াইফাই রাউটার, বুস্টার, চার্জার ইত্যাদি মোবাইল টেলিফোনের সব ধরনের এক্সেসরিজ এখনো আমদানি করা হয়। এটা ইমাজিন করতে কষ্ট হয় যে দেশের প্রায় শতভাগ ইউএসবি কেবল, পাওয়ার কেবল, এডাপ্টার ইত্যাদি আমদানি করা লাগে। সাধারণ পিএবিএক্স বিদেশ থেকে আসে। কর্মসংস্থান কীভাবে হবে? বিশেষ এই লো টেক প্রোডাক্টগুলোর জন্য সংস্থাটিকে কীভাবে ঢেলে সাজানো যায়, তার জন্য এর মহাপরিচালক এর সাথে আলাপ হয়েছে। হাইটেক নয়, আপাতত দরকার এটাকে একটা ফাংশনিং মিড-টেক বা লো-টেক প্রতিষ্ঠান হিসেবে দাঁড়া করানো। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা চাইনিজ ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যানগুলো বাংলাদেশে আনতে উৎসাহিত করেছেন। এখানে টেলিফোন শিল্প সংস্থার বিদ্যমান ইনফ্রাস্ট্রাকচারাল ক্যাপাসিটিকে কীভাবে ইন্টিগ্রেট করা যায়, তার চিন্তা করছি!’
প্রসঙ্গত, ১৯৬৭ সালে টেশিসের যাত্রা শুরু হয়। ডাক, টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত এই সংস্থাকে হাইটেক পার্কে রূপান্তরের উদ্যোগ এবারই প্রথম নয়।
২০১৮ সালের ৩ জানুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়য়ের দায়িত্বে ছিলেন মোস্তাফা জব্বার। সে সময় তিনি টেশিসকে ডিজিটাল যন্ত্র উৎপাদনের হাব হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তাঁর বিদায়ের পর এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি টেশিসকে হাইটেক পার্ক হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগের কথা জানিয়েছিলেন।
মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর গত বছরের ২২ জানুয়ারি তিনি টঙ্গীতে টেলিফোন শিল্প সংস্থা পরিদর্শন করেন। টেশিসের বিভিন্ন ব্যর্থতা নিয়ে সমালোচনা করে সে সময় তিনি বলেন, ‘টেশিস লসে আছে। একে হাইটেক পার্ক করে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে প্রফিটে আনতে হবে।’ বিভিন্ন সময়ে টেশিসকে নিয়ে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে