গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধায় সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) মাহবুব আরা বেগম গিনিসহ ৮৫ জনের নামে থানায় মামলায় করা হয়েছে। আজ বহস্পতিবার দুপুরে গাইবান্ধা জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যসচিব মো. বায়োজিদ বোস্তামি জীম বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা করেন। মামলায় আওয়ামী লীগের ৮৫ জন নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া ১০০-১৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক, সাবেক এমপি মাহবুব আরা বেগম, গোবিন্দগঞ্জ আসনের সাবেক এমপি আবুল কামাল আজাদ, গাইবান্ধা সদর আসনের সাবেক এমপি শাহ সারোয়ার কবির, সুন্দগঞ্জের সাবেক এমপি নাহিদ নিগার, পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর আসনের সাবেক এমপি উম্মে কুলসুম স্মৃতি, ফুলছড়ি-সাঘাটা আসনের সাবেক এমপি মাহমুদ হাসান রিপন, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুজ্জামান রিংকু, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মৃদুল মোস্তাফিজ ঝন্টু, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ আহসান হাবীব, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শাহ মাসুম জাহাঙ্গীর কবির মিলন, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আসিফ সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ ইকবাল ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ রঞ্জু।
এজাহারে বায়োজিদ বোস্তামি জীম উল্লেখ করেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই দুপুরে তাঁকে (জীম) গাইবান্ধা সরকারি কলেজ মাঠ থেকে জোরপূর্বক অপহরণ করে জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মো. আসিফ সরকারের বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে লোহার রড, হকিস্টিক ও বাঁশের লাঠি দিয়ে ব্যাপক মারধর করা হয়। পরে রাত ১০টার দিকে গলা চেপে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়। স্থানীয় লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে ৪ আগস্ট বেলা ২টার দিকে বায়োজিদকে গাইবান্ধা ডিসি অফিসের সামনে থেকে পুনরায় আটক করে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের গেটের সামনে নিয়ে মারধর করা হয়। এ সময় ৭০-৭৫টি রাবার বুলেট তাঁর শরীরে ছোড়া হয় বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও সাক্ষী হিসেবে মো. মাসুদ মিয়া ও মো. জাহিদ হাসান জীবনের নাম এজাহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম তালুকদার মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ মাঠে কাজ করছে।

গাইবান্ধায় সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) মাহবুব আরা বেগম গিনিসহ ৮৫ জনের নামে থানায় মামলায় করা হয়েছে। আজ বহস্পতিবার দুপুরে গাইবান্ধা জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যসচিব মো. বায়োজিদ বোস্তামি জীম বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা করেন। মামলায় আওয়ামী লীগের ৮৫ জন নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া ১০০-১৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক, সাবেক এমপি মাহবুব আরা বেগম, গোবিন্দগঞ্জ আসনের সাবেক এমপি আবুল কামাল আজাদ, গাইবান্ধা সদর আসনের সাবেক এমপি শাহ সারোয়ার কবির, সুন্দগঞ্জের সাবেক এমপি নাহিদ নিগার, পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর আসনের সাবেক এমপি উম্মে কুলসুম স্মৃতি, ফুলছড়ি-সাঘাটা আসনের সাবেক এমপি মাহমুদ হাসান রিপন, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুজ্জামান রিংকু, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মৃদুল মোস্তাফিজ ঝন্টু, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ আহসান হাবীব, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শাহ মাসুম জাহাঙ্গীর কবির মিলন, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আসিফ সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ ইকবাল ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ রঞ্জু।
এজাহারে বায়োজিদ বোস্তামি জীম উল্লেখ করেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই দুপুরে তাঁকে (জীম) গাইবান্ধা সরকারি কলেজ মাঠ থেকে জোরপূর্বক অপহরণ করে জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মো. আসিফ সরকারের বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে লোহার রড, হকিস্টিক ও বাঁশের লাঠি দিয়ে ব্যাপক মারধর করা হয়। পরে রাত ১০টার দিকে গলা চেপে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়। স্থানীয় লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে ৪ আগস্ট বেলা ২টার দিকে বায়োজিদকে গাইবান্ধা ডিসি অফিসের সামনে থেকে পুনরায় আটক করে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের গেটের সামনে নিয়ে মারধর করা হয়। এ সময় ৭০-৭৫টি রাবার বুলেট তাঁর শরীরে ছোড়া হয় বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও সাক্ষী হিসেবে মো. মাসুদ মিয়া ও মো. জাহিদ হাসান জীবনের নাম এজাহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম তালুকদার মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ মাঠে কাজ করছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪১ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে