গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধার সাঘাটায় থানার পাশের পুকুর থেকে উদ্ধার হওয়া যুবক সিজু মিয়ার (২৫) মৃত্যুকে ‘পুলিশি হত্যা’ দাবি করে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে তাঁর পরিবার ও এলাকাবাসী। আজ শনিবার (২৬ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন হয়। পরে বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিক্ষুব্ধরা কার্যালয় ঘেরাও করে অবস্থান নেয়।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য দেন নিহত সিজু মিয়ার মা মোছা. রিক্তা বেগম, বড় বোন খুশি বেগম, জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ফেরদৌস সরকার রুম্মান, স্থানীয় ইউপি সদস্য রমজান আলী, মো. আরিফুর রহমান, কবির হোসেনসহ অনেকে।
তাঁদের অভিযোগ, কয়েক দিন আগে পুরোনো অ্যান্ড্রয়েড ফোন কেনা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে সিজুর বিরোধ তৈরি হয়। এরপর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় থানায় ডেকে নেওয়ার পর তাঁর মৃত্যু ঘটে। বক্তারা বলেন, ‘সিজু সাঁতার জানত। সে পালানোর সময় পানিতে ঝাঁপ দিয়ে মারা যায়নি। পুলিশই পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে।’ এই হত্যার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিচার ও সাঘাটা থানার ওসিকে অব্যাহতি না দিলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।
ইউপি সদস্য রমজান আলী বলেন, ‘১২ ঘণ্টা পানির নিচে থাকলে পোশাক ও কাগজপত্র ভিজে যাওয়ার কথা। অথচ সিজুর পকেটে থাকা প্রশিক্ষণকেন্দ্রের প্রবেশপত্র ছিল একদম শুকনো। এটা প্রমাণ করে হত্যার নাটক সাজিয়েছে পুলিশ।’

পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরিফুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে সঠিক তদন্তের আশ্বাস দিলে বিক্ষুব্ধরা সরে যায়।
এদিকে পুলিশ দাবি করেছে, বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে সাঘাটা থানায় ঢুকে এএসআই মহসিন আলীকে ছুরিকাঘাত করে সিজু মিয়া পুকুরে ঝাঁপ দেন। পরদিন সকালে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। সাঘাটা থানার ওসি বাদশা আলম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সিজু মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। তবে তাঁর পরিবার তা অস্বীকার করেছে।
নিহত সিজু মিয়া গাইবান্ধা সদর উপজেলার খোলাহাটী ইউনিয়নের দুলাল মিয়ার ছেলে।

গাইবান্ধার সাঘাটায় থানার পাশের পুকুর থেকে উদ্ধার হওয়া যুবক সিজু মিয়ার (২৫) মৃত্যুকে ‘পুলিশি হত্যা’ দাবি করে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে তাঁর পরিবার ও এলাকাবাসী। আজ শনিবার (২৬ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন হয়। পরে বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিক্ষুব্ধরা কার্যালয় ঘেরাও করে অবস্থান নেয়।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য দেন নিহত সিজু মিয়ার মা মোছা. রিক্তা বেগম, বড় বোন খুশি বেগম, জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ফেরদৌস সরকার রুম্মান, স্থানীয় ইউপি সদস্য রমজান আলী, মো. আরিফুর রহমান, কবির হোসেনসহ অনেকে।
তাঁদের অভিযোগ, কয়েক দিন আগে পুরোনো অ্যান্ড্রয়েড ফোন কেনা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে সিজুর বিরোধ তৈরি হয়। এরপর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় থানায় ডেকে নেওয়ার পর তাঁর মৃত্যু ঘটে। বক্তারা বলেন, ‘সিজু সাঁতার জানত। সে পালানোর সময় পানিতে ঝাঁপ দিয়ে মারা যায়নি। পুলিশই পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে।’ এই হত্যার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিচার ও সাঘাটা থানার ওসিকে অব্যাহতি না দিলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।
ইউপি সদস্য রমজান আলী বলেন, ‘১২ ঘণ্টা পানির নিচে থাকলে পোশাক ও কাগজপত্র ভিজে যাওয়ার কথা। অথচ সিজুর পকেটে থাকা প্রশিক্ষণকেন্দ্রের প্রবেশপত্র ছিল একদম শুকনো। এটা প্রমাণ করে হত্যার নাটক সাজিয়েছে পুলিশ।’

পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরিফুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে সঠিক তদন্তের আশ্বাস দিলে বিক্ষুব্ধরা সরে যায়।
এদিকে পুলিশ দাবি করেছে, বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে সাঘাটা থানায় ঢুকে এএসআই মহসিন আলীকে ছুরিকাঘাত করে সিজু মিয়া পুকুরে ঝাঁপ দেন। পরদিন সকালে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। সাঘাটা থানার ওসি বাদশা আলম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সিজু মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। তবে তাঁর পরিবার তা অস্বীকার করেছে।
নিহত সিজু মিয়া গাইবান্ধা সদর উপজেলার খোলাহাটী ইউনিয়নের দুলাল মিয়ার ছেলে।

রাজধানীর মগবাজার মোড়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে লোহার পাইপ মাথায় পড়ে তাইজুল ইসলাম (২০) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
১৫ মিনিট আগে
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, চন্দ্রদ্বীপসহ বাউফলের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কর্মসূচিতে বাধা, দোকানে চাঁদা দাবি, চাঁদা না দিলে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া কয়েকটি ঘটনায় হত্যাচেষ্টার ও সাক্ষীদের ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
২৪ মিনিট আগে
নারায়ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আজিজুল ইসলাম পেশায় ছোট চা-দোকানি। তিনি গ্রামের পাশের কালারচর বাজারে ব্যবসা করেন। বুধবার রাতে বড় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দোকানে ছিলেন। এ সময় বাড়িতে শহিদা বেগম ও তাঁর চার বছর বয়সী ছোট মেয়ে ছিল। শহিদা রাতের রান্নার চাল ধুতে নলকূপের...
১ ঘণ্টা আগে
জানাজা শেষে ডাবলুর বড় ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল বলেন, ‘গতকাল জানাজায় সবাই সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। আমরা শুধু আশ্বাসে বিশ্বাসী না, জড়িতদের বিচার চাই। কেউ যেন ছাড় না পায়। আমরা যেন বিচার দেখে যেতে পারি।’
১ ঘণ্টা আগে