ফেনীতে ছাত্র হত্যা মামলা
ফেনী প্রতিনিধি

ফেনীর মহিপালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে কলেজছাত্র মাহবুবুল হাসান মাসুম (২৫) হত্যা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ফেনীর সাবেক সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীসহ ২২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) ফেনী সদর আমলি আদালতে এ অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। দুপুর ১২টার দিকে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন পুলিশ সুপার (এসপি) মো. হাবিবুর রহমান।
পুলিশ সুপার বলেন, মামলার এজাহারে নাম উল্লেখ রয়েছে ১৫৬ জনের, অজ্ঞাত আসামি রয়েছেন আরও ৬৫ জন। অভিযুক্তদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৫১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান আরও বলেন, ‘গেল বছরের ৪ আগস্ট মহিপালে মাসুম হত্যাকাণ্ডে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীকে সরাসরি নির্দেশদাতা হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। মূলত পুলিশের বিভিন্ন তদন্তে যাঁদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে, তাঁরাই চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। এখানে কে কোন রাজনৈতিক দলের, তা বিবেচনা করা হয়নি।’
এর আগে গত বছরের ৪ আগস্ট ফেনী শহরের মহিপালে বৈষম্যবিরোধী এক দফা দাবির কর্মসূচিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন মাসুম। পরে ৭ আগস্ট চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মাসুম সোনাগাজীর চরচান্দিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা ও ছাগলনাইয়া আব্দুল হক চৌধুরী কলেজে বাংলায় স্নাতক সম্পন্ন করেন।
হত্যাকাণ্ডের এক মাস পর, ৪ সেপ্টেম্বর নিহতের ভাই মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় ১৬২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৪০০-৫০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় উল্লেখযোগ্য অন্যান্য অভিযুক্তরা হলেন সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান শুসেন চন্দ্র শীল, সাবেক পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী, ছাগলনাইয়ার সাবেক চেয়ারম্যান মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল, দাগনভূঞার সাবেক চেয়ারম্যান দিদারুল কবির রতন, পরশুরামের সাবেক মেয়র নিজাম উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী সাজেল, সোনাগাজীর সাবেক চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন, যুবলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম পিটু ও জিয়া উদ্দিন বাবলু।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আলমগীর হোসেন জানান, এখন পর্যন্ত এজাহারনামীয় ১২ জন এবং সন্দেহভাজন ৩৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে মুরাদ হাসান বাবুসহ তিনজন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
মামলার বাদী ও নিহতের ভাই মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘আমার ভাইয়ের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামিদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাই। ৪ আগস্ট মহিপালে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের করা গুলি মাসুমের মাথায় লাগে। সহপাঠীরা তাকে তাৎক্ষণিকভাবে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখান থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তিন দিন আইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে আমার ভাই না ফেরার দেশে চলে যায়।’

ফেনীর মহিপালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে কলেজছাত্র মাহবুবুল হাসান মাসুম (২৫) হত্যা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ফেনীর সাবেক সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীসহ ২২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) ফেনী সদর আমলি আদালতে এ অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। দুপুর ১২টার দিকে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন পুলিশ সুপার (এসপি) মো. হাবিবুর রহমান।
পুলিশ সুপার বলেন, মামলার এজাহারে নাম উল্লেখ রয়েছে ১৫৬ জনের, অজ্ঞাত আসামি রয়েছেন আরও ৬৫ জন। অভিযুক্তদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৫১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান আরও বলেন, ‘গেল বছরের ৪ আগস্ট মহিপালে মাসুম হত্যাকাণ্ডে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীকে সরাসরি নির্দেশদাতা হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। মূলত পুলিশের বিভিন্ন তদন্তে যাঁদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে, তাঁরাই চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। এখানে কে কোন রাজনৈতিক দলের, তা বিবেচনা করা হয়নি।’
এর আগে গত বছরের ৪ আগস্ট ফেনী শহরের মহিপালে বৈষম্যবিরোধী এক দফা দাবির কর্মসূচিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন মাসুম। পরে ৭ আগস্ট চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মাসুম সোনাগাজীর চরচান্দিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা ও ছাগলনাইয়া আব্দুল হক চৌধুরী কলেজে বাংলায় স্নাতক সম্পন্ন করেন।
হত্যাকাণ্ডের এক মাস পর, ৪ সেপ্টেম্বর নিহতের ভাই মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় ১৬২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৪০০-৫০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় উল্লেখযোগ্য অন্যান্য অভিযুক্তরা হলেন সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান শুসেন চন্দ্র শীল, সাবেক পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী, ছাগলনাইয়ার সাবেক চেয়ারম্যান মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল, দাগনভূঞার সাবেক চেয়ারম্যান দিদারুল কবির রতন, পরশুরামের সাবেক মেয়র নিজাম উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী সাজেল, সোনাগাজীর সাবেক চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন, যুবলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম পিটু ও জিয়া উদ্দিন বাবলু।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আলমগীর হোসেন জানান, এখন পর্যন্ত এজাহারনামীয় ১২ জন এবং সন্দেহভাজন ৩৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে মুরাদ হাসান বাবুসহ তিনজন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
মামলার বাদী ও নিহতের ভাই মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘আমার ভাইয়ের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামিদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাই। ৪ আগস্ট মহিপালে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের করা গুলি মাসুমের মাথায় লাগে। সহপাঠীরা তাকে তাৎক্ষণিকভাবে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখান থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তিন দিন আইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে আমার ভাই না ফেরার দেশে চলে যায়।’

রাজধানীর উত্তরায় এক ব্যক্তিকে একটি প্রাডো গাড়িসহ অপহরণ এবং এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাকর্মীকে আহত করে তাঁর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। অপহৃত ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া যায়নি। গতকাল শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর উত্তরার ১৪ নম্বর সেক্টরের ১২ নম্বর সড়কের একটি বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।
১৬ মিনিট আগে
উঠান বৈঠক করতে গিয়ে বাধা পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। আজ শনিবার বিকেলে সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ইসলামবাদ (গোগদ) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
১৬ মিনিট আগে
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে গেজেটধারী জুলাই যোদ্ধা ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপির কার্যকরী নির্বাহী সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ এবং মঈন উদ্দীন মাহিনের ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার বদুরপাড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে আহতদের স্বজন...
২৭ মিনিট আগে
পেশাগত নিরাপত্তা, স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের টিকে থাকার স্বার্থে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি। মতাদর্শ, প্রতিষ্ঠান কিংবা সংগঠনভেদে বিভক্তি থাকলেও পেশাগত স্বার্থে সাংবাদিকদের অবস্থান হওয়া উচিত অভিন্ন। আজ শনিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত গণমাধ্যম...
২৮ মিনিট আগে