ছাগলনাইয়া (ফেনী) প্রতিনিধি

ছাগলনাইয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির এক সভায় পাওনা টাকা চাওয়ায় আওয়ামী লীগ নেতা মাস্টার আবুল কালাম মেম্বারকে থাপ্পড় মারলেন মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ছাগলনাইয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উদ্যাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভায় এই ঘটনা ঘটে।
ছাগলনাইয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মাস্টার আবুল কালাম মেম্বার জানান, তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলামের নিকট বিশ হাজার টাকা পাবেন। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উদ্যাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভার শুরুতে দেখা হলে পাওনা টাকা চাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম দলীয় নেতা-কর্মীদের সামনে তাঁকে থাপ্পড় মারেন। পরে জুতা হাতে নিয়ে পুনরায় মারতে আসেন।
এ সময় সভায় উপস্থিত সকল সদস্যরা ক্ষিপ্ত হয়ে মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলামকে দলীয় সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করার জন্য দাবি জানান।
ছাগলনাইয়া পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি মোহাম্মদ মোস্তফা বলেন, সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মুক্তিযোদ্ধা রফিককে দল থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে ছাগলনাইয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অভিযুক্ত মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলামকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অপরাধে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে।
উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নিজাম উদ্দিন মজুমদার বলেন, এমন আচরণ মেনে নেওয়া যায় না। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘কালাম আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছে। তাই তাঁকে আওয়ামী লীগের সভায় দুটি থাপ্পড় ও জুতা পেটা করেছি।’

ছাগলনাইয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির এক সভায় পাওনা টাকা চাওয়ায় আওয়ামী লীগ নেতা মাস্টার আবুল কালাম মেম্বারকে থাপ্পড় মারলেন মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ছাগলনাইয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উদ্যাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভায় এই ঘটনা ঘটে।
ছাগলনাইয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মাস্টার আবুল কালাম মেম্বার জানান, তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলামের নিকট বিশ হাজার টাকা পাবেন। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উদ্যাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভার শুরুতে দেখা হলে পাওনা টাকা চাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম দলীয় নেতা-কর্মীদের সামনে তাঁকে থাপ্পড় মারেন। পরে জুতা হাতে নিয়ে পুনরায় মারতে আসেন।
এ সময় সভায় উপস্থিত সকল সদস্যরা ক্ষিপ্ত হয়ে মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলামকে দলীয় সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করার জন্য দাবি জানান।
ছাগলনাইয়া পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি মোহাম্মদ মোস্তফা বলেন, সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মুক্তিযোদ্ধা রফিককে দল থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে ছাগলনাইয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অভিযুক্ত মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলামকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অপরাধে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে।
উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নিজাম উদ্দিন মজুমদার বলেন, এমন আচরণ মেনে নেওয়া যায় না। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘কালাম আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছে। তাই তাঁকে আওয়ামী লীগের সভায় দুটি থাপ্পড় ও জুতা পেটা করেছি।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে