ফেনী প্রতিনিধি

ফেনীর সোনাগাজী থানা থেকে মাত্র ৩০০ গজ দূরে দুর্ধর্ষ চুরি হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে সোনাগাজী বাজারের শেখ আকিলা মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় মেসার্স ভাই ভাই ইলেকট্রনিকসে এ চুরি হয়।
চোরের দল অন্তত ৪৫০টি মোবাইল ফোন, ৫০টি হাতঘড়ি, সার্ভিসিংয়ের জন্য রাখা গ্রাহকদের ৫০টি মোবাইল ও ক্যাশবক্সে থাকা প্রায় ৫ লাখ টাকা নিয়ে যায়। সব মিলিয়ে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ কোটি টাকা বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী সজিবুল ইসলাম পলাশ। তিনি জানান, প্রতিদিনের মতো গত বুধবার রাতে দোকান বন্ধ করে বাসায় ফেরেন। গতকাল সকালে এসে দোকানের তালা কাটা দেখতে পান। পরে সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখেন, ছয়জনের একটি চোর চক্র মালপত্র লুট করছে। তিনি বলেন, ‘এত বড় আর্থিক ক্ষতিতে আমি এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছি।’
সিসি ক্যামেরা ফুটেজ ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা গেছে, দুই ব্যক্তি দোকানে ঢুকে ব্যাগে মালপত্র ভরছেন, বাকিরা মার্কেটের নিচে অবস্থান করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, মার্কেট থেকে থানার দূরত্ব মাত্র ৩০০ গজ। অথচ এত বড় চুরির পরও থানার ওসি বা সার্কেল এএসপি কেউ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেননি। ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
সোনাগাজী বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মো. নুর নবী বলেন, এটি অত্যন্ত পরিকল্পিত ঘটনা। বাজারের পাহারাদার ভোর ৬টা পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন, চুরি ঘটে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে। সম্ভবত বাইরের কোনো চক্র এর সঙ্গে জড়িত।
এ বিষয়ে সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বায়েজীদ হোসেন আকন জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মামলা করেছেন। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। থানার কাছে চুরি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চুরির ঘটনা ভোরবেলায় ঘটে, তখন বাজারে নৈশপ্রহরী থাকে না এবং পুলিশের টহল ধীরে ধীরে প্রত্যাহার করা হয়।
সিসি ক্যামেরা থেকে চোর চক্রের কাউকে শনাক্ত করা হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, ‘আপনি যেটি দেখেছেন, আমিও সেটি দেখেছি। আমরা তদন্ত করছি।’

ফেনীর সোনাগাজী থানা থেকে মাত্র ৩০০ গজ দূরে দুর্ধর্ষ চুরি হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে সোনাগাজী বাজারের শেখ আকিলা মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় মেসার্স ভাই ভাই ইলেকট্রনিকসে এ চুরি হয়।
চোরের দল অন্তত ৪৫০টি মোবাইল ফোন, ৫০টি হাতঘড়ি, সার্ভিসিংয়ের জন্য রাখা গ্রাহকদের ৫০টি মোবাইল ও ক্যাশবক্সে থাকা প্রায় ৫ লাখ টাকা নিয়ে যায়। সব মিলিয়ে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ কোটি টাকা বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী সজিবুল ইসলাম পলাশ। তিনি জানান, প্রতিদিনের মতো গত বুধবার রাতে দোকান বন্ধ করে বাসায় ফেরেন। গতকাল সকালে এসে দোকানের তালা কাটা দেখতে পান। পরে সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখেন, ছয়জনের একটি চোর চক্র মালপত্র লুট করছে। তিনি বলেন, ‘এত বড় আর্থিক ক্ষতিতে আমি এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছি।’
সিসি ক্যামেরা ফুটেজ ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা গেছে, দুই ব্যক্তি দোকানে ঢুকে ব্যাগে মালপত্র ভরছেন, বাকিরা মার্কেটের নিচে অবস্থান করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, মার্কেট থেকে থানার দূরত্ব মাত্র ৩০০ গজ। অথচ এত বড় চুরির পরও থানার ওসি বা সার্কেল এএসপি কেউ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেননি। ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
সোনাগাজী বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মো. নুর নবী বলেন, এটি অত্যন্ত পরিকল্পিত ঘটনা। বাজারের পাহারাদার ভোর ৬টা পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন, চুরি ঘটে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে। সম্ভবত বাইরের কোনো চক্র এর সঙ্গে জড়িত।
এ বিষয়ে সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বায়েজীদ হোসেন আকন জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মামলা করেছেন। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। থানার কাছে চুরি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চুরির ঘটনা ভোরবেলায় ঘটে, তখন বাজারে নৈশপ্রহরী থাকে না এবং পুলিশের টহল ধীরে ধীরে প্রত্যাহার করা হয়।
সিসি ক্যামেরা থেকে চোর চক্রের কাউকে শনাক্ত করা হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, ‘আপনি যেটি দেখেছেন, আমিও সেটি দেখেছি। আমরা তদন্ত করছি।’

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৩৯ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৪২ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে