ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরে আজ বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে বিভিন্ন এলাকার মানুষ। হঠাৎ এমন লোডশেডিংয়ে দেখা দিয়ে ভোগান্তি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বিভিন্ন দাবি আদায়ে সারা দেশের মতো ফরিদপুরেও শুরু হয় লোডশেডিং। বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যার মধ্যে সদর উপজেলা, নগরকান্দা, সালথা, চরভদ্রাসনসহ বিভিন্ন উপজেলা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (সন্ধ্যা ৭টা) স্বাভাবিক হয়নি।
বিকেল ৪টা থেকে সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা বিদ্যুৎহীন রয়েছে বলে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ফুরসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাসান আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হঠাৎ করে বিকেল ৪টা থেকে আমাদের ফুরসা, তাম্বুলখানাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ নেই। এখনো বিদ্যুৎ আসেনি। মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলে দাবি আদায়ের কোনো মানে হয় না।’
সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে কথা হয় নগরকান্দা উপজেলার শশা গ্রামের সাজ্জেক মাতুব্বর নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে। তিনি জানান, ওই এলাকায় সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ নেই।
অনেকে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। এস এম সালমান নামে এক যুবক বলেন, ‘লোডশেডিং নয়। পরিকল্পিতভাবে বিদ্যুৎ বন্ধ করে রাখা হয়েছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফরিদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) এস এম নাসিরুদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সন্ধ্যা পর থেকে আমরা পর্যায়ক্রমে এক থেকে দেড় ঘণ্টা করে লোডশেডিং দিচ্ছি। একত্রে বিদ্যুৎহীন করা হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ স্টেশন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ফরিদপুরে ওভার সিকুয়েন্সি সমস্যা এবং গ্রিডে ইফেক্ট দেখা দেওয়ায় লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। আশা করি, পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যাবে।’

ফরিদপুরে আজ বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে বিভিন্ন এলাকার মানুষ। হঠাৎ এমন লোডশেডিংয়ে দেখা দিয়ে ভোগান্তি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বিভিন্ন দাবি আদায়ে সারা দেশের মতো ফরিদপুরেও শুরু হয় লোডশেডিং। বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যার মধ্যে সদর উপজেলা, নগরকান্দা, সালথা, চরভদ্রাসনসহ বিভিন্ন উপজেলা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (সন্ধ্যা ৭টা) স্বাভাবিক হয়নি।
বিকেল ৪টা থেকে সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা বিদ্যুৎহীন রয়েছে বলে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ফুরসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাসান আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হঠাৎ করে বিকেল ৪টা থেকে আমাদের ফুরসা, তাম্বুলখানাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ নেই। এখনো বিদ্যুৎ আসেনি। মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলে দাবি আদায়ের কোনো মানে হয় না।’
সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে কথা হয় নগরকান্দা উপজেলার শশা গ্রামের সাজ্জেক মাতুব্বর নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে। তিনি জানান, ওই এলাকায় সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ নেই।
অনেকে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। এস এম সালমান নামে এক যুবক বলেন, ‘লোডশেডিং নয়। পরিকল্পিতভাবে বিদ্যুৎ বন্ধ করে রাখা হয়েছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফরিদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) এস এম নাসিরুদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সন্ধ্যা পর থেকে আমরা পর্যায়ক্রমে এক থেকে দেড় ঘণ্টা করে লোডশেডিং দিচ্ছি। একত্রে বিদ্যুৎহীন করা হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ স্টেশন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ফরিদপুরে ওভার সিকুয়েন্সি সমস্যা এবং গ্রিডে ইফেক্ট দেখা দেওয়ায় লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। আশা করি, পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যাবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে