
বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) অফিসে আগত গ্রাহকদের হয়রানি বন্ধ ও দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে ইকুরিয়া বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো সার্কেল-২ কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। এ সময় দালাল চক্রের দুই সদস্যকে কারাদণ্ড ও তিনজনকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিআরটিএর এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণার দায়ে দালাল চক্রের দুই সদস্যকে আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ড দিয়ে জেলহাজতে পাঠান বিআরটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুজ্জামান। উভয় ব্যক্তি আদালতে দোষ স্বীকার করায় প্রত্যেককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তিনজনকে মোট ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযান চলাকালে প্রতারক চক্রের অন্য সদস্যরা পালিয়ে যান বলেও এতে জানানো হয়।
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুজ্জামান বলেন, একটি প্রতারক চক্র বিআরটিএ অফিসে আগত গ্রাহকদের কাছ থেকে দ্রুত কাজ করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কাগজপত্র ও টাকা নিয়ে প্রতারণা করছিল। এসব দালাল ও প্রতারকদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মো. আনিসুজ্জামান গ্রাহকদের উদ্দেশে বলেন, বিআরটিএতে আগত গ্রাহকেরা যদি সরাসরি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন, তাহলে সহজেই নির্ধারিত সময়ে সেবা পাবেন।

মৌলভীবাজার তথা সিলেট বিভাগের ইফতারে অন্যতম জনপ্রিয় ঐতিহ্যবাহী খাবার হলো আখনি পোলাও। এই অঞ্চলের মানুষেরা নিজ বাড়িতে আখনি তৈরির পাশাপাশি রোজার মাসে বড় হাঁড়ির আখনি খাবারের স্বাদ নিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁয় ইফতার করতে আসেন। সুগন্ধি চাল, ঘি, গরম মসলা
৪ ঘণ্টা আগে
এবারও নির্ধারিত সময়ে (২৮ ফেব্রুয়ারি) শেষ হয়নি সুনামগঞ্জের হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ। অভিযোগ রয়েছে, বাঁধের কাজে সীমাহীন অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের টাকায় সাব্যস্ত হয়েছে বাঁধ, বরাদ্দ ও প্রকল্প। টেকসই কাজ ও নির্ধারিত সময়সীমার বিপরীতে কে কত টাকায় প্রকল্প বাগিয়ে নিতে...
৪ ঘণ্টা আগে
উঠানে হাঁটুপানি। সেই পানিতে ভাসছে শেওলা। প্রথমে মনে হবে পরিত্যক্ত বাড়ি। অথচ এই বাড়িতেই স্বামী-সন্তান নিয়ে বসবাস করছেন রেখা হালদার। রাস্তা থেকে বাড়িতে ঢুকতে একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো। ঘর থেকে পানি সরলেও এখনো কর্দমাক্ত রান্নাঘর, গোয়ালঘর।
৪ ঘণ্টা আগে
এই দিনের জন্যই অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলেন সবাই। পয়সা খরচ করে বই বের করা প্রকাশক তো বটেই, বইপ্রেমী পাঠকেরাও। জনশূন্য মেলায় ঘুরতে কার ভালো লাগে! স্টলে স্টলে থাকবে ক্রেতা-পাঠকের ভিড়। হাতে থাকবে একগাদা বইয়ের ব্যাগ। সেটিই তো বইমেলার চিরচেনা রূপ!।
৪ ঘণ্টা আগে