ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরে সাবেক স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনসহ ১৫ জনের নামে দ্রুত বিচার আদালতে মামলা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার জেলা আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন (দ্রুত বিচার) আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৩০-৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার বাদী হলেন–মো. দিলদার হোসেন সবুজ (৫০), তিনি জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং জেলা বিএনপির সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক।
দ্রুত বিচার আদালতের পুলিশ পরিদর্শক আবুল খায়ের মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আসামিরা হলেন–সাবেক স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন (৭৫), তাঁর ভাই সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর (৭০), শহর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার নাজমুল ইসলাম লেভী (৫৮), সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম জীবন (৩৫), সুপ্ত খান (২৮), সাদমান সৌমিক (২৭), অমিত সরকার প্রমুখ।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের ২৬ মার্চ শহরের গোয়ালচামট এলাকায় মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা কর্মীরা ফুল দিতে যায়। ফেরার পথেই ভাঙা রাস্তার মোড়ে পৌঁছালে খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নির্দেশে নেতা কর্মীদের ওপর হকিস্টিক, লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়।
এ সময় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের তৎকালীন আহ্বায়ক (বর্তমান জেলা বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক) জুলফিকার হোসেন জুয়েলকে খুন করার উদ্দেশ্যে খন্দকার নাজমুল ইসলাম লেভী ও সাইফুল ইসলাম জীবন রামদা দিয়ে মাথায় কোপ দেয়। এরপর হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে অন্যরা। হামলায় বাদীও আহত হন এবং আহতরা পালিয়ে থেকে চিকিৎসা নেন বলে উল্লেখ করা হয়।
বাদী পক্ষের আইনজীবী হাবিবুর রহমান হাবিব আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অভিযোগটি দ্রুত বিচার আদালতের মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিচারক নাসিম মাহমুদ আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কোতোয়ালি থানায় মামলা রুজু করে তদন্তের জন্য ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।’
এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসানুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আদালতে একটি অভিযোগ হয়েছে শুনেছি। এখন কোর্ট থেকে থানায় প্রেরণ করলে তা রুজু করে তদন্ত করা হবে।’

ফরিদপুরে সাবেক স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনসহ ১৫ জনের নামে দ্রুত বিচার আদালতে মামলা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার জেলা আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন (দ্রুত বিচার) আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৩০-৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার বাদী হলেন–মো. দিলদার হোসেন সবুজ (৫০), তিনি জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং জেলা বিএনপির সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক।
দ্রুত বিচার আদালতের পুলিশ পরিদর্শক আবুল খায়ের মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আসামিরা হলেন–সাবেক স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন (৭৫), তাঁর ভাই সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর (৭০), শহর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার নাজমুল ইসলাম লেভী (৫৮), সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম জীবন (৩৫), সুপ্ত খান (২৮), সাদমান সৌমিক (২৭), অমিত সরকার প্রমুখ।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের ২৬ মার্চ শহরের গোয়ালচামট এলাকায় মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা কর্মীরা ফুল দিতে যায়। ফেরার পথেই ভাঙা রাস্তার মোড়ে পৌঁছালে খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নির্দেশে নেতা কর্মীদের ওপর হকিস্টিক, লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়।
এ সময় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের তৎকালীন আহ্বায়ক (বর্তমান জেলা বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক) জুলফিকার হোসেন জুয়েলকে খুন করার উদ্দেশ্যে খন্দকার নাজমুল ইসলাম লেভী ও সাইফুল ইসলাম জীবন রামদা দিয়ে মাথায় কোপ দেয়। এরপর হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে অন্যরা। হামলায় বাদীও আহত হন এবং আহতরা পালিয়ে থেকে চিকিৎসা নেন বলে উল্লেখ করা হয়।
বাদী পক্ষের আইনজীবী হাবিবুর রহমান হাবিব আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অভিযোগটি দ্রুত বিচার আদালতের মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিচারক নাসিম মাহমুদ আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কোতোয়ালি থানায় মামলা রুজু করে তদন্তের জন্য ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।’
এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসানুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আদালতে একটি অভিযোগ হয়েছে শুনেছি। এখন কোর্ট থেকে থানায় প্রেরণ করলে তা রুজু করে তদন্ত করা হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে