ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরের সালথায় অজ্ঞাতপরিচয় এক তরুণীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার সকালে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের কাউলীকান্দা কেষ্টখালী ব্রিজ এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ এখানে ফেলে রাখা হয়েছে।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতাউর রহমান আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আজ সকাল ৭টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। গলায় বিদ্যুতের তার প্যাঁঁচানো ছিল। লাশটির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
পুলিশ জানায়, আজ ভোরে স্থানীয়রা ব্রিজের পাশে ওই তরুণীর লাশ দেখতে পায়। পরে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। তার পরনে কালো রঙের বোরকা ও লাল রঙের পাজামা রয়েছে।

ফরিদপুরের সালথায় অজ্ঞাতপরিচয় এক তরুণীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার সকালে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের কাউলীকান্দা কেষ্টখালী ব্রিজ এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ এখানে ফেলে রাখা হয়েছে।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতাউর রহমান আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আজ সকাল ৭টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। গলায় বিদ্যুতের তার প্যাঁঁচানো ছিল। লাশটির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
পুলিশ জানায়, আজ ভোরে স্থানীয়রা ব্রিজের পাশে ওই তরুণীর লাশ দেখতে পায়। পরে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। তার পরনে কালো রঙের বোরকা ও লাল রঙের পাজামা রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে