ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় তিনটি মন্দির ভাঙচুরের ঘটনায় এক হিন্দু ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই ব্যক্তিকে স্বপ্নে সাপ তাড়া করায় তিনি হ্যালুসিনেশনে ভুগে মনসার মূর্তিসহ তিনটি মন্দিরের কয়েকটি মূর্তি ভাঙচুর করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় ফরিদপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান। গতকাল রাত ২টায় উপজেলার চুয়াল্লিশের মোড় থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ওই ব্যক্তির নাম—সনাতন মালো ওরফে সোনাই (৪৫)। তিনি আলফাডাঙ্গা উপজেলা সদরের নিতাই মালোর ছেলে।
পুলিশ জানায়, গত শনিবার আলফাডাঙ্গায় তিনটি মন্দিরের বিভিন্ন মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে উপজেলা সদরের কুসুমদী শ্রী শ্রীবিষ্ণু পাগলের আশ্রম মন্দিরে শিব মূর্তির মুখমণ্ডল, দুর্গা, সরস্বতী ও লক্ষ্মীর মুখমণ্ডল; শ্রী শ্রী দামোদর আখড়ার মন্দিরে-নারায়ণ মূর্তির মুখ মন্ডল ও শিবের লিঙ্গ এবং কেন্দ্রীয় হরিমন্দিরের মহাদেব, দুর্গা, সরস্বতী ও মনসা মূর্তি ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় কুসুমদী শ্রী শ্রীবিষ্ণু পাগলের আশ্রম মন্দিরের সভাপতি ননী গোপাল স্বর্ণকার আলফাডাঙ্গায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পরে পুলিশ ওই মন্দিরের সিসি ক্যামেরা যাচাই করে এবং এলাকাবাসীর সহায়তায় সনাতন মালো ওরফে সোনাইকে (৪৫) শনাক্ত করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির বরাত দিয়ে পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান জানান, গত দুই বছর যাবৎ সাপ ওই ব্যক্তিতে তাড়া করে বেড়াচ্ছিল। হ্যালুসিনেশন সমস্যায় ভুগছিলেন। স্বপ্নে তাকে সাপ কামড়াতে আসে, তিনি ঘাড় থেকে সাপ সরিয়ে দেন। তার মনের ভেতর হ্যালুসিনেশন কাজ করে যে, এই সাপ তাকে খুব যন্ত্রণা দেয়। তাই বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে যে সকল মূর্তির সঙ্গে শিব মূর্তি আছে, সেগুলোর মুখমণ্ডল হাত দিয়ে ভেঙে ফেলেন। কারণ, শিবের গলায় সাপ জড়ানো থাকে। পাশাপাশি মূর্তির সঙ্গে মাটির তৈরি যে সাপ থাকে সেটাও ভেঙে ফেলেন।
তিনি আরও জানান, বিষ্ণু পাগলের মন্দিরে রক্ষিত দুর্গা, সরস্বতী, লক্ষ্মীর যে প্রতিমা আছে সেগুলো আসল না এবং তারাও সাপের রূপ ধারণ করে তাঁকে ভয় দেখায়। এ কারণে ওই মূর্তিগুলোর মুখ তিনি ভেঙে দিয়েছেন বলে গ্রেপ্তার ব্যক্তি জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন—জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইমদাদ হুসাইন, শৈলেন চাকমা, শেখ মো. আব্দুল্লাহ বিন কালাম, আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ পুলিশ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকেরা।

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় তিনটি মন্দির ভাঙচুরের ঘটনায় এক হিন্দু ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই ব্যক্তিকে স্বপ্নে সাপ তাড়া করায় তিনি হ্যালুসিনেশনে ভুগে মনসার মূর্তিসহ তিনটি মন্দিরের কয়েকটি মূর্তি ভাঙচুর করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় ফরিদপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান। গতকাল রাত ২টায় উপজেলার চুয়াল্লিশের মোড় থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ওই ব্যক্তির নাম—সনাতন মালো ওরফে সোনাই (৪৫)। তিনি আলফাডাঙ্গা উপজেলা সদরের নিতাই মালোর ছেলে।
পুলিশ জানায়, গত শনিবার আলফাডাঙ্গায় তিনটি মন্দিরের বিভিন্ন মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে উপজেলা সদরের কুসুমদী শ্রী শ্রীবিষ্ণু পাগলের আশ্রম মন্দিরে শিব মূর্তির মুখমণ্ডল, দুর্গা, সরস্বতী ও লক্ষ্মীর মুখমণ্ডল; শ্রী শ্রী দামোদর আখড়ার মন্দিরে-নারায়ণ মূর্তির মুখ মন্ডল ও শিবের লিঙ্গ এবং কেন্দ্রীয় হরিমন্দিরের মহাদেব, দুর্গা, সরস্বতী ও মনসা মূর্তি ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় কুসুমদী শ্রী শ্রীবিষ্ণু পাগলের আশ্রম মন্দিরের সভাপতি ননী গোপাল স্বর্ণকার আলফাডাঙ্গায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পরে পুলিশ ওই মন্দিরের সিসি ক্যামেরা যাচাই করে এবং এলাকাবাসীর সহায়তায় সনাতন মালো ওরফে সোনাইকে (৪৫) শনাক্ত করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির বরাত দিয়ে পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান জানান, গত দুই বছর যাবৎ সাপ ওই ব্যক্তিতে তাড়া করে বেড়াচ্ছিল। হ্যালুসিনেশন সমস্যায় ভুগছিলেন। স্বপ্নে তাকে সাপ কামড়াতে আসে, তিনি ঘাড় থেকে সাপ সরিয়ে দেন। তার মনের ভেতর হ্যালুসিনেশন কাজ করে যে, এই সাপ তাকে খুব যন্ত্রণা দেয়। তাই বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে যে সকল মূর্তির সঙ্গে শিব মূর্তি আছে, সেগুলোর মুখমণ্ডল হাত দিয়ে ভেঙে ফেলেন। কারণ, শিবের গলায় সাপ জড়ানো থাকে। পাশাপাশি মূর্তির সঙ্গে মাটির তৈরি যে সাপ থাকে সেটাও ভেঙে ফেলেন।
তিনি আরও জানান, বিষ্ণু পাগলের মন্দিরে রক্ষিত দুর্গা, সরস্বতী, লক্ষ্মীর যে প্রতিমা আছে সেগুলো আসল না এবং তারাও সাপের রূপ ধারণ করে তাঁকে ভয় দেখায়। এ কারণে ওই মূর্তিগুলোর মুখ তিনি ভেঙে দিয়েছেন বলে গ্রেপ্তার ব্যক্তি জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন—জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইমদাদ হুসাইন, শৈলেন চাকমা, শেখ মো. আব্দুল্লাহ বিন কালাম, আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ পুলিশ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকেরা।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৫ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে