ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

ভাঙ্গা পৌর নির্বাচনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ সোমবার সকাল থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ১৫ টির মধ্যে ৬টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। ওই সব এলাকায় কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
জানা যায়, সকাল ৯টা ১০ মিনিট থেকে ভাঙ্গা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ২ নম্বর সদরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১ হাজার ৯৮৩ ভোটের মধ্যে ১৪০ জন ভোট প্রদান করেন। এ ছাড়া সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ৩ হাজার ২৬৩ ভোটের মধ্যে ২০৮ জন, বেলা সাড়ে ১০টায় ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চৌধুরীকান্দা সদরদী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১ হাজার ৪৩৮ ভোটের মধ্যে ২৫৫ জন, বেলা ১০টা ৪৫ মিনিটে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চৌধুরীকান্দা সদরদী আল মাদ্রাসাতুল ইসলাম কেন্দ্রে ১ হাজার ৩৬৫ ভোটের মধ্যে ৩৫০ জন, বেলা সোয়া ১১টার সময় ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভাঙ্গা কেএম কলেজ কেন্দ্রে (মহিলা কেন্দ্র) ১ হাজার ৪৩৭ ভোটের মধ্যে ২৯৪ জন ভোট ও বেলা সোয়া ১১টার সময় ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভাঙ্গা কেএম কলেজ কেন্দ্রে (পুরুষ) ১ হাজার ২৯৯ ভোটের মধ্যে ৩০৫ জন ভোট প্রদান করেছেন।
এ নির্বাচনে মেয়র পদে ৩ জন, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ৩ ওয়ার্ডে ১০ জন, সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে ৯টি ওয়ার্ডে ৩৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
মেয়র পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত বর্তমান মেয়র ও ভাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ এফ এমডি রেজা (নৌকা প্রতীক), ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থী ভাঙ্গা উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান (হাত পাখা প্রতীক), স্বতন্ত্র প্রার্থী ইসমাইল মুন্সী (নারিকেল গাছ প্রতীক) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। একই সঙ্গে সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১ নম্বর ওয়ার্ডে ৩ জন, ২ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ জন, ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১ নম্বর ওয়ার্ডে ২ জন, ২ নম্বর ওয়ার্ডে ২ জন, ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৫ জন, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ১০ জন, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ২ জন, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ৩ জন, ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ জন, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ২ জন ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন, ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজিম উদ্দিন এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন, ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মনজুরুল আলম।
এ বিষয়ে মনজুরুল আলম বলেন, করোনা মহামারির কারণে এ নির্বাচন ২ দফা পিছিয়ে ছিল। আজ সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ইভিএম পদ্ধতিতে বিরতিহীনভাবে ৯টি ওয়ার্ডে ১৫টি ভোটকেন্দ্রের ৮১টি বুথে ভোট গ্রহণ হচ্ছে। এ নির্বাচনে মোট ভোটার ২৬ হাজার ৮৮২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৩ হাজার ৪৩৫ জন, নারী ভোটার ১৩ হাজার ৪৪৬ জন ও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ জন।
আজিম উদ্দিন বলেন, এ নির্বাচনে ৯ জন ম্যাজিস্ট্রেট, ২ প্লাটুন বিজিবি,২টি মোবাইল টিম এবং ১০ জনের সমন্বয়ে পুলিশ স্টাইকিং ফোর্স মাঠে রয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালের ১ মার্চ ভাঙ্গা, হামিরদী, আলগী ইউনিয়নের অংশ বিশেষ নিয়ে ভাঙ্গা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। ৮ দশমিক ৫ বর্গ কিলোমিটারের এ পৌরসভায় এটি ৪র্থ নির্বাচন।

ভাঙ্গা পৌর নির্বাচনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ সোমবার সকাল থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ১৫ টির মধ্যে ৬টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। ওই সব এলাকায় কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
জানা যায়, সকাল ৯টা ১০ মিনিট থেকে ভাঙ্গা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ২ নম্বর সদরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১ হাজার ৯৮৩ ভোটের মধ্যে ১৪০ জন ভোট প্রদান করেন। এ ছাড়া সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ৩ হাজার ২৬৩ ভোটের মধ্যে ২০৮ জন, বেলা সাড়ে ১০টায় ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চৌধুরীকান্দা সদরদী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১ হাজার ৪৩৮ ভোটের মধ্যে ২৫৫ জন, বেলা ১০টা ৪৫ মিনিটে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চৌধুরীকান্দা সদরদী আল মাদ্রাসাতুল ইসলাম কেন্দ্রে ১ হাজার ৩৬৫ ভোটের মধ্যে ৩৫০ জন, বেলা সোয়া ১১টার সময় ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভাঙ্গা কেএম কলেজ কেন্দ্রে (মহিলা কেন্দ্র) ১ হাজার ৪৩৭ ভোটের মধ্যে ২৯৪ জন ভোট ও বেলা সোয়া ১১টার সময় ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভাঙ্গা কেএম কলেজ কেন্দ্রে (পুরুষ) ১ হাজার ২৯৯ ভোটের মধ্যে ৩০৫ জন ভোট প্রদান করেছেন।
এ নির্বাচনে মেয়র পদে ৩ জন, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ৩ ওয়ার্ডে ১০ জন, সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে ৯টি ওয়ার্ডে ৩৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
মেয়র পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত বর্তমান মেয়র ও ভাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ এফ এমডি রেজা (নৌকা প্রতীক), ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থী ভাঙ্গা উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান (হাত পাখা প্রতীক), স্বতন্ত্র প্রার্থী ইসমাইল মুন্সী (নারিকেল গাছ প্রতীক) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। একই সঙ্গে সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১ নম্বর ওয়ার্ডে ৩ জন, ২ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ জন, ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১ নম্বর ওয়ার্ডে ২ জন, ২ নম্বর ওয়ার্ডে ২ জন, ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৫ জন, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ১০ জন, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ২ জন, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ৩ জন, ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ জন, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ২ জন ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন, ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজিম উদ্দিন এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন, ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মনজুরুল আলম।
এ বিষয়ে মনজুরুল আলম বলেন, করোনা মহামারির কারণে এ নির্বাচন ২ দফা পিছিয়ে ছিল। আজ সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ইভিএম পদ্ধতিতে বিরতিহীনভাবে ৯টি ওয়ার্ডে ১৫টি ভোটকেন্দ্রের ৮১টি বুথে ভোট গ্রহণ হচ্ছে। এ নির্বাচনে মোট ভোটার ২৬ হাজার ৮৮২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৩ হাজার ৪৩৫ জন, নারী ভোটার ১৩ হাজার ৪৪৬ জন ও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ জন।
আজিম উদ্দিন বলেন, এ নির্বাচনে ৯ জন ম্যাজিস্ট্রেট, ২ প্লাটুন বিজিবি,২টি মোবাইল টিম এবং ১০ জনের সমন্বয়ে পুলিশ স্টাইকিং ফোর্স মাঠে রয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালের ১ মার্চ ভাঙ্গা, হামিরদী, আলগী ইউনিয়নের অংশ বিশেষ নিয়ে ভাঙ্গা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। ৮ দশমিক ৫ বর্গ কিলোমিটারের এ পৌরসভায় এটি ৪র্থ নির্বাচন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
১ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে