ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে (এফইসি) ছাত্ররাজনীতির নিষিদ্ধের মধ্যে নতুন করে ছাত্রদলের কমিটি গঠন করায় অস্থিতিশীল পরিবেশ বিরাজ করছে ক্যাম্পাসজুড়ে। কলেজটির সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছেন। এ ছাড়া ছাত্রদলের কমিটিতে স্থান পাওয়া শিক্ষার্থীদের অবাঞ্ছিত এবং বহিষ্কারেরও দাবি তুলেছেন।
এসব দাবিতে আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিতে শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। তিন দিন ধরে নানা কর্মসূচি পালন করে আসছেন তাঁরা। এসব কর্মসূচি চলাকালে ছাত্রদলের নেতারা বহিরাগতদের নিয়ে মহড়া দিয়ে প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছেন বলে তাঁরা অভিযোগ করেন।
জানা গেছে, ১ মার্চ কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ছাত্রদলের কলেজ শাখার পাঁচ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে সভাপতি পদে রয়েছেন কলেজটির সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের মো. রাসেল এবং সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন একই বর্ষের মো. আব্দুল আউয়াল। এ ছাড়া সহসভাপতি ইব্রাহিম খলিল, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান আসিফ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক এডিসন চাকমা রয়েছেন। তাঁরা প্রত্যেকেই সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। ওই বিজ্ঞপ্তিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে কমিটি পূর্ণাঙ্গ করে কেন্দ্রীয় দপ্তরে জমা দেওয়ার।
এদিকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ২০ আগস্ট কলেজের একাডেমিক কাম প্রশাসনিক কাউন্সিল সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক সব ধরনের রাজনীতি নিষিদ্ধ করে নোটিশ জারি করেন তৎকালীন অধ্যক্ষ (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান। ওই নোটিশে ক্যাম্পাসে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সব ধরনের রাজনৈতিক সংগঠন এবং এর কার্যকলাপ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়।
এমন নিষিদ্ধের মধ্য দিয়ে নতুন করে ছাত্রদলের কমিটি গঠনের খবর শুনে ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। কমিটির ঘোষণার পর থেকেই তাঁরা নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে নানা কর্মসূচি পালন করে আসছেন।
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের কাজী সুরাইয়া নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, তিন দিন আগে আমাদের ক্যাম্পাসের কিছু ছাত্র ছাত্রদলের কমিটি গঠন করেছেন। কমিটি ঘোষণার পর থেকে বহিরাগতরা এসে ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করে তুলেছেন। তাঁরা পুরো ক্যাম্পাসে এসে মোটরসাইকেল মহড়া দিচ্ছেন। মেয়েদের হলের সামনেও তাঁরা আড্ডা দিচ্ছেন। এর পরিত্রাণ কোথায়? যদি ক্যাম্পাসে আবারও সেই রাজনীতি ঢুকে পড়ে তাহলে আমরা কেন ৫ আগস্ট করলাম?

এই শিক্ষার্থী আরও দাবি করে বলেন, যাঁরা ছাত্রদল গঠন করেছেন তাঁদের ছাত্রত্ব বাতিল করা হোক এবং হল থেকে বহিষ্কার করা হোক। ক্যাম্পাসে কোনো ছাত্ররাজনীতি চলবে না।
ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের নাজমুল হাসান নামে আরেক শিক্ষার্থী কলেজ প্রশাসনকে উদ্দেশ করে বলেন, নিষিদ্ধের পরও যাঁরা যাঁরা কমিটি নিয়ে এসেছেন তাঁদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। অবিলম্বে ছাত্রদলের কমিটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে ক্যাম্পাসকে রাজনীতি মুক্ত করতে হবে।
জানতে চাইলে সদ্য ঘোষিত কলেজটির ছাত্রদলের সভাপতি মো. রাসেল বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদলের নেতারা যখন রাজনৈতিক দল গঠন করেছেন তখন আমরা সাধারণ ছাত্ররা কেন রাজনীতি করতে পারব না? আমাদের ক্যাম্পাসের তিনজন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফরিদপুর জেলা শাখার কমিটিতে রয়েছেন। তাঁরা যেহেতু রাজনীতি শুরু করেছেন, শিক্ষার্থীরাও রাজনীতি করবেন।’
রাসেল আরও বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসে যাঁরা অবস্থান কর্মসূচি করছেন, তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই ছাত্রলীগের দোসর। বৈষম্যবিরোধী কমিটির তিনজন এবং শিবির ও আওয়ামী লীগের দোসররা সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করে তুলেছেন। এ ছাড়া বহিরাগতদের নিয়ে কোনো মহড়ার ঘটনা ঘটেনি।’
সার্বিক বিষয়ে জানতে কলেজের অধ্যক্ষ মো. আলমগীর হোসেনের মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলে তিনি তা ধরেননি। পরে অধ্যক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে প্রোগ্রামার রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘এ বিষয়ে জরুরিভাবে একাডেমিক কাউন্সিলের মিটিং চলছে। আমরা দুই পক্ষের সঙ্গেই কথা বলছি। মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত শেষে নোটিশে জানিয়ে দেওয়া হবে।’

ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে (এফইসি) ছাত্ররাজনীতির নিষিদ্ধের মধ্যে নতুন করে ছাত্রদলের কমিটি গঠন করায় অস্থিতিশীল পরিবেশ বিরাজ করছে ক্যাম্পাসজুড়ে। কলেজটির সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছেন। এ ছাড়া ছাত্রদলের কমিটিতে স্থান পাওয়া শিক্ষার্থীদের অবাঞ্ছিত এবং বহিষ্কারেরও দাবি তুলেছেন।
এসব দাবিতে আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিতে শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। তিন দিন ধরে নানা কর্মসূচি পালন করে আসছেন তাঁরা। এসব কর্মসূচি চলাকালে ছাত্রদলের নেতারা বহিরাগতদের নিয়ে মহড়া দিয়ে প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছেন বলে তাঁরা অভিযোগ করেন।
জানা গেছে, ১ মার্চ কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ছাত্রদলের কলেজ শাখার পাঁচ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে সভাপতি পদে রয়েছেন কলেজটির সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের মো. রাসেল এবং সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন একই বর্ষের মো. আব্দুল আউয়াল। এ ছাড়া সহসভাপতি ইব্রাহিম খলিল, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান আসিফ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক এডিসন চাকমা রয়েছেন। তাঁরা প্রত্যেকেই সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। ওই বিজ্ঞপ্তিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে কমিটি পূর্ণাঙ্গ করে কেন্দ্রীয় দপ্তরে জমা দেওয়ার।
এদিকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ২০ আগস্ট কলেজের একাডেমিক কাম প্রশাসনিক কাউন্সিল সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক সব ধরনের রাজনীতি নিষিদ্ধ করে নোটিশ জারি করেন তৎকালীন অধ্যক্ষ (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান। ওই নোটিশে ক্যাম্পাসে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সব ধরনের রাজনৈতিক সংগঠন এবং এর কার্যকলাপ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়।
এমন নিষিদ্ধের মধ্য দিয়ে নতুন করে ছাত্রদলের কমিটি গঠনের খবর শুনে ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। কমিটির ঘোষণার পর থেকেই তাঁরা নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে নানা কর্মসূচি পালন করে আসছেন।
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের কাজী সুরাইয়া নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, তিন দিন আগে আমাদের ক্যাম্পাসের কিছু ছাত্র ছাত্রদলের কমিটি গঠন করেছেন। কমিটি ঘোষণার পর থেকে বহিরাগতরা এসে ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করে তুলেছেন। তাঁরা পুরো ক্যাম্পাসে এসে মোটরসাইকেল মহড়া দিচ্ছেন। মেয়েদের হলের সামনেও তাঁরা আড্ডা দিচ্ছেন। এর পরিত্রাণ কোথায়? যদি ক্যাম্পাসে আবারও সেই রাজনীতি ঢুকে পড়ে তাহলে আমরা কেন ৫ আগস্ট করলাম?

এই শিক্ষার্থী আরও দাবি করে বলেন, যাঁরা ছাত্রদল গঠন করেছেন তাঁদের ছাত্রত্ব বাতিল করা হোক এবং হল থেকে বহিষ্কার করা হোক। ক্যাম্পাসে কোনো ছাত্ররাজনীতি চলবে না।
ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের নাজমুল হাসান নামে আরেক শিক্ষার্থী কলেজ প্রশাসনকে উদ্দেশ করে বলেন, নিষিদ্ধের পরও যাঁরা যাঁরা কমিটি নিয়ে এসেছেন তাঁদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। অবিলম্বে ছাত্রদলের কমিটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে ক্যাম্পাসকে রাজনীতি মুক্ত করতে হবে।
জানতে চাইলে সদ্য ঘোষিত কলেজটির ছাত্রদলের সভাপতি মো. রাসেল বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদলের নেতারা যখন রাজনৈতিক দল গঠন করেছেন তখন আমরা সাধারণ ছাত্ররা কেন রাজনীতি করতে পারব না? আমাদের ক্যাম্পাসের তিনজন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফরিদপুর জেলা শাখার কমিটিতে রয়েছেন। তাঁরা যেহেতু রাজনীতি শুরু করেছেন, শিক্ষার্থীরাও রাজনীতি করবেন।’
রাসেল আরও বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসে যাঁরা অবস্থান কর্মসূচি করছেন, তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই ছাত্রলীগের দোসর। বৈষম্যবিরোধী কমিটির তিনজন এবং শিবির ও আওয়ামী লীগের দোসররা সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করে তুলেছেন। এ ছাড়া বহিরাগতদের নিয়ে কোনো মহড়ার ঘটনা ঘটেনি।’
সার্বিক বিষয়ে জানতে কলেজের অধ্যক্ষ মো. আলমগীর হোসেনের মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলে তিনি তা ধরেননি। পরে অধ্যক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে প্রোগ্রামার রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘এ বিষয়ে জরুরিভাবে একাডেমিক কাউন্সিলের মিটিং চলছে। আমরা দুই পক্ষের সঙ্গেই কথা বলছি। মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত শেষে নোটিশে জানিয়ে দেওয়া হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে