নগরকান্দা (ফরিদপুর)প্রতিনিধি

ফরিদপুরে নগরকান্দায় এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে বহিরাগত দিয়ে স্কুলের তিন শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এতে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা ক্ষুব্ধ হয়েছেন শিক্ষকদের উপর। গতকাল শনিবার উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের গোড়াইল সয়ফুন্নেছা রব্বানী জুনিয়ার হাইস্কুলে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, সপ্তম শ্রেণির তিন শিক্ষার্থী বিলম্বে স্কুলে আসায় অভিযুক্ত শিক্ষক জোড়া বেত দিয়ে তাদের মারধর করেন। অভিভাবকেরা তাঁদের সন্তানদের কেন মারধর করা হয়েছে তা ওই শিক্ষকের কাছে জানতে চান। এতে শিক্ষক ক্ষিপ্ত হন ওই শিক্ষক। এরপর তিনি তাঁর নিজ গ্রামের সিরাজ ফকিরের ছেলে নাজিম শরীফকে নামে একজনকে ফোন করে স্কুলে ডেকে নেন। নাজিম শরীফ স্কুলে এসে ওই তিন শিক্ষার্থীকে পূনরায় মারধর করেন। এতে অভিভাবকেরা আরো ক্ষুব্ধ হন। এতে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
মারধরের শিকার এক শিক্ষার্থী জানায়, সকাল ১০টায় তারা স্কুলে গিয়ে দেখে স্কুলে তালা ঝুলছে। তাই তারা বাড়ি চলে আসে। পরে ১১ টার দিকে পূনরায় স্কুলে গেলে স্কুল খোলা পায়। তখন ওই শিক্ষক তাদের বলেন, ‘তোদের এতো দেরি হলো কেন’-এই বলে জোড়া বেত দিয়ে মারতে শুরু করেন। এরপর নাজিম এসে বলে, ‘তোরা স্যারের সঙ্গে বেয়াদবি করছিস কেন’- এই বলে আবারো মারধর করেন।
এ বিষয়ে এক অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, ‘ছাত্ররা যদি বেয়াদবি করে তা হলে শিক্ষক তাঁদের মারধর করবে। কিন্তু শিক্ষক কেন বহিরাগত একজনকে এনে তাঁকে দিয়ে ছাত্রদের মারধর করাবে? আমরা এর বিচার চাই।’
অভিযুক্ত শিক্ষক বলেন, ‘ওরা ক্লাসে বেয়াদবি করে, সে জন্য আমি ওদের একটু মারতে গেছি। তখন এক শিক্ষার্থী আমার শার্টের কলার ধরে আমাকে মারতে উদ্যোত হয়। তখন নাজিম এসে এই অবস্থা দেখে ওদের মারধর করেছে। আমি নাজিমকে সংবাদ দিয়ে আনিনি।’
এ ঘটনার পর নাজিম পলাতক রয়েছেন। এ জন্য তাঁর সঙ্গে কথা বলা যায়নি।
এ বিষয়ে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম বলেন, ‘আমি বিদ্যালয়ের কাজে ঢাকায় ছিলাম। যে ঘটনা হয়েছে সেটা আমরা স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করতেছি।’

ফরিদপুরে নগরকান্দায় এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে বহিরাগত দিয়ে স্কুলের তিন শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এতে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা ক্ষুব্ধ হয়েছেন শিক্ষকদের উপর। গতকাল শনিবার উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের গোড়াইল সয়ফুন্নেছা রব্বানী জুনিয়ার হাইস্কুলে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, সপ্তম শ্রেণির তিন শিক্ষার্থী বিলম্বে স্কুলে আসায় অভিযুক্ত শিক্ষক জোড়া বেত দিয়ে তাদের মারধর করেন। অভিভাবকেরা তাঁদের সন্তানদের কেন মারধর করা হয়েছে তা ওই শিক্ষকের কাছে জানতে চান। এতে শিক্ষক ক্ষিপ্ত হন ওই শিক্ষক। এরপর তিনি তাঁর নিজ গ্রামের সিরাজ ফকিরের ছেলে নাজিম শরীফকে নামে একজনকে ফোন করে স্কুলে ডেকে নেন। নাজিম শরীফ স্কুলে এসে ওই তিন শিক্ষার্থীকে পূনরায় মারধর করেন। এতে অভিভাবকেরা আরো ক্ষুব্ধ হন। এতে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
মারধরের শিকার এক শিক্ষার্থী জানায়, সকাল ১০টায় তারা স্কুলে গিয়ে দেখে স্কুলে তালা ঝুলছে। তাই তারা বাড়ি চলে আসে। পরে ১১ টার দিকে পূনরায় স্কুলে গেলে স্কুল খোলা পায়। তখন ওই শিক্ষক তাদের বলেন, ‘তোদের এতো দেরি হলো কেন’-এই বলে জোড়া বেত দিয়ে মারতে শুরু করেন। এরপর নাজিম এসে বলে, ‘তোরা স্যারের সঙ্গে বেয়াদবি করছিস কেন’- এই বলে আবারো মারধর করেন।
এ বিষয়ে এক অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, ‘ছাত্ররা যদি বেয়াদবি করে তা হলে শিক্ষক তাঁদের মারধর করবে। কিন্তু শিক্ষক কেন বহিরাগত একজনকে এনে তাঁকে দিয়ে ছাত্রদের মারধর করাবে? আমরা এর বিচার চাই।’
অভিযুক্ত শিক্ষক বলেন, ‘ওরা ক্লাসে বেয়াদবি করে, সে জন্য আমি ওদের একটু মারতে গেছি। তখন এক শিক্ষার্থী আমার শার্টের কলার ধরে আমাকে মারতে উদ্যোত হয়। তখন নাজিম এসে এই অবস্থা দেখে ওদের মারধর করেছে। আমি নাজিমকে সংবাদ দিয়ে আনিনি।’
এ ঘটনার পর নাজিম পলাতক রয়েছেন। এ জন্য তাঁর সঙ্গে কথা বলা যায়নি।
এ বিষয়ে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম বলেন, ‘আমি বিদ্যালয়ের কাজে ঢাকায় ছিলাম। যে ঘটনা হয়েছে সেটা আমরা স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করতেছি।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
১ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে