ফরিদপুর প্রতিনিধি

দক্ষিণবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক্সপ্রেসওয়ের ভাঙ্গা গোল চত্বর। পদ্মা সেতু ও ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে হওয়ার সুবাদে আরও গুরুত্ব বেড়েছে ভাঙ্গা গোল চত্বরের। শুধু তাই নয়, আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন গোল চত্বরটি দেশের পাশাপাশি বিশ্বের সকলেরই দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থী ভিড় করেন এখানে। কিন্তু সেখানেই যত্রতত্র বিজ্ঞাপণের বিলবোর্ডে সয়লাব হয়ে গেছে। এ কারণে দুর্ঘটনারও আশঙ্কা করছে পথচারী ও গাড়ি চালকেরা।
এ ছাড়া উপজেলাধীন এক্সপ্রেসওয়ে ও ঢাকা-বরিশাল, ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশেও যত্রতত্র বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পদ্মাসেতু ও মহাসড়ক নির্মাণের ফলে ঢাকা থেকে খুলনা ও বরিশাল সড়কের দুপাশে গড়ে উঠেছে বহুতল ভবন ও বিভিন্ন কলকারখানা। আর এসবকেই পুঁজি করে এক শ্রেণির দালাল চক্র ভবনের ছাদের ওপর, মহাসড়কের পাশে, বিভিন্ন মার্কেটের প্রবেশ মুখে স্থাপন করছে বিলবোর্ড।
নামীদামি বিভিন্ন কসমেটিক, জুতা, রড সিমেন্টের, মোবাইল কোম্পানি, বিভিন্ন ব্যাংকসহ নানা ধরনের বিজ্ঞাপন এসব বিলবোর্ডে প্রচার হচ্ছে। রয়েছে সাধারণ স্টিল ও লোহার নির্মিত বিলবোর্ডের পাশাপাশি ডিজিটাল আধুনিক লাইট সমৃদ্ধ বিলবোর্ড। এসব বিলবোর্ড সাধারণ বাতাসেই হেলে পড়ছে বাস, দোকানপাটসহ বসবাসরত ঘরের ওপর। প্রতিনিয়ত এসব ঘটনার ফলে জানমালের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।
গত রোববারের কাল বৈশাখী ঝড়ে ভাঙ্গা গোল চত্বর এলাকার প্রায় ডজনখানেক বিলবোর্ড মাটিতে পড়ে গেছে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পায় সাধারণ মানুষের জীবন। বিলবোর্ডগুলো দালাল চক্র পৌরসভা থেকে নামমাত্র রাজস্ব জমা দিয়ে নামীদামি কোম্পানির কাছ থেকে হাতিয়ে নেয় মোটা অঙ্কের টাকা। কোম্পানিগুলো কোনো ধরনের ঝুঁকির কথা চিন্তা না করেই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে বৃহৎ আকৃতির বিলবোর্ড নির্মাণ করে চলে যায়। ঝুঁকিতে থেকে যায় সাধারণ মানুষ।
গত বছর ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে গোল চত্বরে বৃহৎ একটি বিলবোর্ড ভেঙে পড়ে দুটি বাসের ওপর। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছিল। যা মিডিয়ায় ফলাও করে প্রচারিত হয়। সে সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা সভায় জরুরি ভিত্তিতে এসব বিলবোর্ড অপসারণের নির্দেশ দেয় ভাঙ্গা পৌরসভাকে। সে সময় নামমাত্র কয়েক ডজন বিলবোর্ড অপসারণ হলেও এখন শত শত বিল বোর্ড গোল চত্বরের চারপাশে বিপজ্জনকভাবে দাঁড়িয়ে আছে।
রোববারের ঝড়ে একাধিক বিলবোর্ড ভেঙে পড়ার পরদিন গতকাল সোমবার উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিষয়টি পুনরায় উত্থাপিত এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিএম কুদরত এ খুদা এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম হাবিবুর রহমান বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার আশ্বাস দেন।
বিষয়টি নিয়ে ভাঙ্গা পৌর মেয়র আবু রেজা মো. ফয়েজ অসুস্থ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কায়সার মাতুব্বর মোবাইল ফোনে আজকের পত্রিকাকে বলেন, মেয়রের অনুমতি ছাড়া এ বিষয়ে কথা বলা যাবে না।
ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বি এম কুদরত এ খুদা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ইতিমধ্যে পৌরসভাকে অবৈধ বিলবোর্ড অপসারণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে উপজেলা প্রশাসন থেকে আজ পর্যন্ত কোম্পানিকে অনুমতি দেওয়া হয়নি। উপজেলাধীন এক্সপ্রেসওয়ে ও মহাসড়কে স্থাপিত বিলবোর্ড স্থাপনকারী কোম্পানি বা সংস্থার তালিকা করা হচ্ছে। তালিকা শেষে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ বিলবোর্ড অপসারণ করা হবে।

দক্ষিণবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক্সপ্রেসওয়ের ভাঙ্গা গোল চত্বর। পদ্মা সেতু ও ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে হওয়ার সুবাদে আরও গুরুত্ব বেড়েছে ভাঙ্গা গোল চত্বরের। শুধু তাই নয়, আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন গোল চত্বরটি দেশের পাশাপাশি বিশ্বের সকলেরই দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থী ভিড় করেন এখানে। কিন্তু সেখানেই যত্রতত্র বিজ্ঞাপণের বিলবোর্ডে সয়লাব হয়ে গেছে। এ কারণে দুর্ঘটনারও আশঙ্কা করছে পথচারী ও গাড়ি চালকেরা।
এ ছাড়া উপজেলাধীন এক্সপ্রেসওয়ে ও ঢাকা-বরিশাল, ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশেও যত্রতত্র বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পদ্মাসেতু ও মহাসড়ক নির্মাণের ফলে ঢাকা থেকে খুলনা ও বরিশাল সড়কের দুপাশে গড়ে উঠেছে বহুতল ভবন ও বিভিন্ন কলকারখানা। আর এসবকেই পুঁজি করে এক শ্রেণির দালাল চক্র ভবনের ছাদের ওপর, মহাসড়কের পাশে, বিভিন্ন মার্কেটের প্রবেশ মুখে স্থাপন করছে বিলবোর্ড।
নামীদামি বিভিন্ন কসমেটিক, জুতা, রড সিমেন্টের, মোবাইল কোম্পানি, বিভিন্ন ব্যাংকসহ নানা ধরনের বিজ্ঞাপন এসব বিলবোর্ডে প্রচার হচ্ছে। রয়েছে সাধারণ স্টিল ও লোহার নির্মিত বিলবোর্ডের পাশাপাশি ডিজিটাল আধুনিক লাইট সমৃদ্ধ বিলবোর্ড। এসব বিলবোর্ড সাধারণ বাতাসেই হেলে পড়ছে বাস, দোকানপাটসহ বসবাসরত ঘরের ওপর। প্রতিনিয়ত এসব ঘটনার ফলে জানমালের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।
গত রোববারের কাল বৈশাখী ঝড়ে ভাঙ্গা গোল চত্বর এলাকার প্রায় ডজনখানেক বিলবোর্ড মাটিতে পড়ে গেছে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পায় সাধারণ মানুষের জীবন। বিলবোর্ডগুলো দালাল চক্র পৌরসভা থেকে নামমাত্র রাজস্ব জমা দিয়ে নামীদামি কোম্পানির কাছ থেকে হাতিয়ে নেয় মোটা অঙ্কের টাকা। কোম্পানিগুলো কোনো ধরনের ঝুঁকির কথা চিন্তা না করেই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে বৃহৎ আকৃতির বিলবোর্ড নির্মাণ করে চলে যায়। ঝুঁকিতে থেকে যায় সাধারণ মানুষ।
গত বছর ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে গোল চত্বরে বৃহৎ একটি বিলবোর্ড ভেঙে পড়ে দুটি বাসের ওপর। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছিল। যা মিডিয়ায় ফলাও করে প্রচারিত হয়। সে সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা সভায় জরুরি ভিত্তিতে এসব বিলবোর্ড অপসারণের নির্দেশ দেয় ভাঙ্গা পৌরসভাকে। সে সময় নামমাত্র কয়েক ডজন বিলবোর্ড অপসারণ হলেও এখন শত শত বিল বোর্ড গোল চত্বরের চারপাশে বিপজ্জনকভাবে দাঁড়িয়ে আছে।
রোববারের ঝড়ে একাধিক বিলবোর্ড ভেঙে পড়ার পরদিন গতকাল সোমবার উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিষয়টি পুনরায় উত্থাপিত এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিএম কুদরত এ খুদা এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম হাবিবুর রহমান বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার আশ্বাস দেন।
বিষয়টি নিয়ে ভাঙ্গা পৌর মেয়র আবু রেজা মো. ফয়েজ অসুস্থ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কায়সার মাতুব্বর মোবাইল ফোনে আজকের পত্রিকাকে বলেন, মেয়রের অনুমতি ছাড়া এ বিষয়ে কথা বলা যাবে না।
ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বি এম কুদরত এ খুদা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ইতিমধ্যে পৌরসভাকে অবৈধ বিলবোর্ড অপসারণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে উপজেলা প্রশাসন থেকে আজ পর্যন্ত কোম্পানিকে অনুমতি দেওয়া হয়নি। উপজেলাধীন এক্সপ্রেসওয়ে ও মহাসড়কে স্থাপিত বিলবোর্ড স্থাপনকারী কোম্পানি বা সংস্থার তালিকা করা হচ্ছে। তালিকা শেষে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ বিলবোর্ড অপসারণ করা হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে