ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরে স্বাস্থ্য খাতে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের ভুয়া তালিকা তৈরি করার অভিযোগ উঠেছে সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে। ওই তালিকায় প্রকৃত আহতদের বাদ দিয়ে নিজের ছেলের নাম উল্লেখ করা হয়েছে—এ অভিযোগ করেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের তোপের মুখে কার্যালয় ত্যাগ করেন সিভিল সার্জন সিদ্দিকুর রহমান। তবে ডেপুটি সিভিল সার্জন বদরুদ্দোজা টিটো জানিয়েছেন দুপুরেই ছুটি নিয়ে চলে গেছেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সিভিল সার্জনের কার্যালয় ও কক্ষ ঘেরাও করে অবরুদ্ধ রেখে একাধিক বিষয়ে জেরা করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তাঁরা সিভিল সার্জনসহ তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য খাতে অনিয়ম, দুর্নীতি ও আহতদের ভুয়া তালিকা তৈরিসহ একাধিক অভিযোগ এনে তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানান। তাঁদের বিচারের দাবির জন্য বেলা ২টা পর্যন্ত আলটিমেটাম দেন।
অন্য দুই কর্মকর্তার মধ্যে রয়েছেন প্রধান সহকারী সরদার মো. জালাল ও স্যানিটারি ইন্সপেক্টর বজলুর রশিদ। এর মধ্যে শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে কয়েক দিন আগে সরদার মো. জালালকে সদরপুরে বদলি করা হয়েছে। তিনি বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে টাকা তুলে থাকেন বলে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন।
এদিন বেলা ১১টায় সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পৌঁছান শিক্ষার্থীরা। পরে ওই তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দিতে সিভিল সার্জনের কক্ষে যান তাঁরা। লাঞ্ছিতও করা হয় সিভিল সার্জনকে।
এ সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগ দেন জেলা জজকোর্টের অ্যাডভোকেট মঞ্জুয়ারা স্বপ্না। তিনি সিভিল সার্জনের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনি এখানে দীর্ঘ পাঁচ বছর আছেন, কেন পাঁচ বছর আছেন। নিশ্চয় এর মধ্যে যাদু বা মধু আছে। আপনি সেই মধু আহরণ করেছেন জালালকে (প্রধান সহকারী) দিয়ে। এই জালালের পৃষ্ঠপোষক হচ্ছেন আপনি এবং মধুও খাচ্ছেন আপনি।’
মঞ্জুয়ারা স্বপ্না আরও বলেন, ‘আপনি যে লেবাসে আছেন রেসপেক্ট করার মতো কিন্তু আমরা তদন্ত করে যেটা পেয়েছি তাতে আর রেসপেক্ট করা যায় না এবং এখানে রাখাও যায় না। আপনার পৃষ্ঠপোষকতায় জালাল, বজলুরসহ এই অফিসের অনেকে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। আপনাকে আর আমরা চাই না।’
এ সময় ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবরার নাদিম ইতু ফরিদপুর সদর হাসপাতালসহ জেলার স্বাস্থ্য খাতে অনিয়ম, দুর্নীতি অব্যবস্থাপনার বিষয় তুলে ধরেন। এ ছাড়া আন্দোলনে আহতদের তালিকা দেখিয়ে আবরার নাদিম ইতু সিভিল সার্জনের উদ্দেশে বলেন, ‘ফরিদপুরে আন্দোলনে আমিও আহত হয়েছি, আমার নাম কোথায়? প্রকৃত যারা আহত হয়েছেন, তাঁদের নাম কোথায়? আপনার ছেলে ফরিদপুরে কোথায় আন্দোলন করেছে। কাদের সঙ্গে আলোচনা করে তালিকা করেছেন?’
এ সময় শিক্ষার্থীরা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর বজলুর রশিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ তুলে ধরেন তাঁরা। পরে তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বেলা ২টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দেন। এরপরই গুঞ্জন উঠে দায়িত্ব ছেড়ে পালিয়ে গেছেন সিভিল সার্জন।
এ বিষয়ে ডেপুটি সিভিল সার্জন বদরুদ্দোজা টিটো আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ওনি (সিভিল সার্জন) পদত্যাগ করেননি, সরকারি কর্মকর্তা পদত্যাগ করতে হলে অনেক নিয়ম রয়েছে। ওনি দুপুরেই ছুটি নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে চলে গেছেন। সেখানে ট্রেনিং আছে এবং ট্রেনিং শেষে লং টাইমের (দীর্ঘ সময়) ছুটিতে যাবেন বলে জানিয়ে গেছেন।’

ফরিদপুরে স্বাস্থ্য খাতে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের ভুয়া তালিকা তৈরি করার অভিযোগ উঠেছে সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে। ওই তালিকায় প্রকৃত আহতদের বাদ দিয়ে নিজের ছেলের নাম উল্লেখ করা হয়েছে—এ অভিযোগ করেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের তোপের মুখে কার্যালয় ত্যাগ করেন সিভিল সার্জন সিদ্দিকুর রহমান। তবে ডেপুটি সিভিল সার্জন বদরুদ্দোজা টিটো জানিয়েছেন দুপুরেই ছুটি নিয়ে চলে গেছেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সিভিল সার্জনের কার্যালয় ও কক্ষ ঘেরাও করে অবরুদ্ধ রেখে একাধিক বিষয়ে জেরা করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তাঁরা সিভিল সার্জনসহ তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য খাতে অনিয়ম, দুর্নীতি ও আহতদের ভুয়া তালিকা তৈরিসহ একাধিক অভিযোগ এনে তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানান। তাঁদের বিচারের দাবির জন্য বেলা ২টা পর্যন্ত আলটিমেটাম দেন।
অন্য দুই কর্মকর্তার মধ্যে রয়েছেন প্রধান সহকারী সরদার মো. জালাল ও স্যানিটারি ইন্সপেক্টর বজলুর রশিদ। এর মধ্যে শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে কয়েক দিন আগে সরদার মো. জালালকে সদরপুরে বদলি করা হয়েছে। তিনি বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে টাকা তুলে থাকেন বলে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন।
এদিন বেলা ১১টায় সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পৌঁছান শিক্ষার্থীরা। পরে ওই তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দিতে সিভিল সার্জনের কক্ষে যান তাঁরা। লাঞ্ছিতও করা হয় সিভিল সার্জনকে।
এ সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগ দেন জেলা জজকোর্টের অ্যাডভোকেট মঞ্জুয়ারা স্বপ্না। তিনি সিভিল সার্জনের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনি এখানে দীর্ঘ পাঁচ বছর আছেন, কেন পাঁচ বছর আছেন। নিশ্চয় এর মধ্যে যাদু বা মধু আছে। আপনি সেই মধু আহরণ করেছেন জালালকে (প্রধান সহকারী) দিয়ে। এই জালালের পৃষ্ঠপোষক হচ্ছেন আপনি এবং মধুও খাচ্ছেন আপনি।’
মঞ্জুয়ারা স্বপ্না আরও বলেন, ‘আপনি যে লেবাসে আছেন রেসপেক্ট করার মতো কিন্তু আমরা তদন্ত করে যেটা পেয়েছি তাতে আর রেসপেক্ট করা যায় না এবং এখানে রাখাও যায় না। আপনার পৃষ্ঠপোষকতায় জালাল, বজলুরসহ এই অফিসের অনেকে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। আপনাকে আর আমরা চাই না।’
এ সময় ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবরার নাদিম ইতু ফরিদপুর সদর হাসপাতালসহ জেলার স্বাস্থ্য খাতে অনিয়ম, দুর্নীতি অব্যবস্থাপনার বিষয় তুলে ধরেন। এ ছাড়া আন্দোলনে আহতদের তালিকা দেখিয়ে আবরার নাদিম ইতু সিভিল সার্জনের উদ্দেশে বলেন, ‘ফরিদপুরে আন্দোলনে আমিও আহত হয়েছি, আমার নাম কোথায়? প্রকৃত যারা আহত হয়েছেন, তাঁদের নাম কোথায়? আপনার ছেলে ফরিদপুরে কোথায় আন্দোলন করেছে। কাদের সঙ্গে আলোচনা করে তালিকা করেছেন?’
এ সময় শিক্ষার্থীরা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর বজলুর রশিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ তুলে ধরেন তাঁরা। পরে তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বেলা ২টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দেন। এরপরই গুঞ্জন উঠে দায়িত্ব ছেড়ে পালিয়ে গেছেন সিভিল সার্জন।
এ বিষয়ে ডেপুটি সিভিল সার্জন বদরুদ্দোজা টিটো আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ওনি (সিভিল সার্জন) পদত্যাগ করেননি, সরকারি কর্মকর্তা পদত্যাগ করতে হলে অনেক নিয়ম রয়েছে। ওনি দুপুরেই ছুটি নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে চলে গেছেন। সেখানে ট্রেনিং আছে এবং ট্রেনিং শেষে লং টাইমের (দীর্ঘ সময়) ছুটিতে যাবেন বলে জানিয়ে গেছেন।’

কক্সবাজারের টেকনাফে নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক ডাকাত সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত আব্দুর রহিম (৫০) টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়ার বাসিন্দা হাবিবুর রহমানের ছেলে।
৯ মিনিট আগে
বাঞ্ছারামপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসার জন্য ফেরদৌস আরাকে ঢাকায় নেওয়া হয় এবং সেখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
৩৩ মিনিট আগে
টানা ছয় দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশায় দিন শুরু হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কেটে গিয়ে রোদ ওঠায় কিছুটা স্বস্তি মিলছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে
২ ঘণ্টা আগে
নদের এক পারে মনিরামপুর উপজেলার ডুমুরখালি বাজার এবং অপর পারে ঝিকরগাছা উপজেলার উজ্জ্বলপুর গ্রাম। এ ছাড়া নদীর ওপারে ডুমুরখালী গ্রামের মানুষের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি ও মাছের ঘের রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগব্যবস্থার অভাবে দুই পারের মানুষকে নৌকায় পারাপারের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হতো।
২ ঘণ্টা আগে