দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরের খুনিয়াদীঘি মোড়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ট্রাক্টর রাস্তার পাশের একটি কোচিং সেন্টারে ঢুকে পড়ে। এতে কোচিং সেন্টারের বেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রী আহত হয়। এদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর। আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টায় এ দুঘর্টনা ঘটে। দুর্ঘটনার প্রতিবাদে এলাকাবাসী তাৎক্ষণিকভাবে সড়ক অবরোধ করে রেখেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী রাকিব জানান, চিরিরবন্দর থেকে ইটবোঝাই একটি ট্রাক্টর দিনাজপুরের দিকে আসার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা দুটি মোটরসাইকেলকে জায়গা দিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খুনিয়াদীঘি মোড়ে রাস্তার ধারে টিনের তৈরি রেনেসা কোচিং সেন্টারে ঢুকে পড়ে। এ সময় কোচিং সেন্টারে অবস্থানরত বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়। এদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর। এ ঘটনায় ট্রাক্টরের চালক-সহকারীও আহত হন। গুরুতর আহত তিন শিক্ষার্থী ও চালককে তাৎক্ষণিকভাবে দিনাজপুরে এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দুর্ঘটনায় আহতরা হলেন—ওই কোচিংয়ের শিক্ষার্থী নাঈম (১৪), শাকিল (১৪) ও ফুয়াদ (১৪)। তারা সবাই চিরিরবন্দর উপজেলার উত্তর ভোলানাথপুর গ্রামের বাসিন্দা। আর ট্রাক্টরচালক সুদন (৪০) একই উপজেলার ছোট বাউল এলাকার বাসিন্দা।
এ বিষয়ে আহত নাঈম ও শাকিলের চাচাতো ভাই মামুনুর রশীদ জানান, তিনি খুনিয়াদীঘি মোড়ে দোকানে ছিলেন। হঠাৎ চিৎকার শুনে বের হয়ে দেখেন ট্রাক্টর উল্টে কোচিংয়ে ঢুকে পড়েছে। দ্রুত একটি গাড়ি ভাড়া করে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যান। এ সময় আহতদের মধ্যে দুজন সংজ্ঞাহীন অবস্থায় ছিল। একজনের মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙে গেছে। আরেকজনের চোখে আঘাত লেগেছে। আহত চালককে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়েছে।
চিরিরবন্দর থানার অফিসার্স ইনচার্জ বলেন, ‘ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে অবরোধকারীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করছি।’

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরের খুনিয়াদীঘি মোড়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ট্রাক্টর রাস্তার পাশের একটি কোচিং সেন্টারে ঢুকে পড়ে। এতে কোচিং সেন্টারের বেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রী আহত হয়। এদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর। আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টায় এ দুঘর্টনা ঘটে। দুর্ঘটনার প্রতিবাদে এলাকাবাসী তাৎক্ষণিকভাবে সড়ক অবরোধ করে রেখেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী রাকিব জানান, চিরিরবন্দর থেকে ইটবোঝাই একটি ট্রাক্টর দিনাজপুরের দিকে আসার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা দুটি মোটরসাইকেলকে জায়গা দিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খুনিয়াদীঘি মোড়ে রাস্তার ধারে টিনের তৈরি রেনেসা কোচিং সেন্টারে ঢুকে পড়ে। এ সময় কোচিং সেন্টারে অবস্থানরত বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়। এদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর। এ ঘটনায় ট্রাক্টরের চালক-সহকারীও আহত হন। গুরুতর আহত তিন শিক্ষার্থী ও চালককে তাৎক্ষণিকভাবে দিনাজপুরে এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দুর্ঘটনায় আহতরা হলেন—ওই কোচিংয়ের শিক্ষার্থী নাঈম (১৪), শাকিল (১৪) ও ফুয়াদ (১৪)। তারা সবাই চিরিরবন্দর উপজেলার উত্তর ভোলানাথপুর গ্রামের বাসিন্দা। আর ট্রাক্টরচালক সুদন (৪০) একই উপজেলার ছোট বাউল এলাকার বাসিন্দা।
এ বিষয়ে আহত নাঈম ও শাকিলের চাচাতো ভাই মামুনুর রশীদ জানান, তিনি খুনিয়াদীঘি মোড়ে দোকানে ছিলেন। হঠাৎ চিৎকার শুনে বের হয়ে দেখেন ট্রাক্টর উল্টে কোচিংয়ে ঢুকে পড়েছে। দ্রুত একটি গাড়ি ভাড়া করে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যান। এ সময় আহতদের মধ্যে দুজন সংজ্ঞাহীন অবস্থায় ছিল। একজনের মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙে গেছে। আরেকজনের চোখে আঘাত লেগেছে। আহত চালককে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়েছে।
চিরিরবন্দর থানার অফিসার্স ইনচার্জ বলেন, ‘ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে অবরোধকারীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করছি।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে