ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে দুই মাসের ব্যবধানে জনবহুল এলাকা থেকে আবারও একটি ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। এতে বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে প্রায় ৩০০ পরিবার।
আজ বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের দাদপুর পুরাতন বন্দর এলাকার সড়কের পাশে একটি পোল থেকে এই চুরির ঘটনা ঘটে। এর আগে গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাতে পৌর এলাকার সুজাপুর প্লাস্টিক কারখানার সামনে থেকে একটি ট্রান্সফরমার চুরি হয়।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের দাদপুর পুরাতন বন্দর এলাকায় ভোরে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যায়। স্থানীয়রা সাধারণ লোডশেডিং মনে করেন। সকালে জানতে পারেন, পুরাতন বন্দর মোড়ের পোল থেকে ২৫০ কেভি ট্রান্সফরমারটি চুরি হয়েছে। এতে বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে দক্ষিণ বাসুদেবপুর, দাদপুর, নয়াপাড়া, মালিপাড়ার প্রায় ৩০০ পরিবার। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে এসব এলাকার মানুষ।
স্থানীয়রা আরও জানান, দুই মাস আগেও পৌর এলাকার সুজাপুর গ্রামের প্লাস্টিক কারখানার সামনে থেকে একটি ট্রান্সফরমার চুরি হয়। ওই ঘটনায় একজনকে আটক করলেও এখনো পর্যন্ত তা উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।
ফুলবাড়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের আবাসিক প্রকৌশলী (নেসকো) দেলোয়ার হোসেন বলেন, চুরি হওয়া ট্রান্সফরমারটি ২৫০ কেভির, যা দিয়ে প্রায় ৩০০ গ্রাহক বিদ্যুৎসেবা পান। এর আনুমানিক মূল্য ৬ লাখ টাকা। গ্রাহকের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত ট্রান্সফরমার লাগানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ফুলবাড়ী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হচ্ছে।
ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম খন্দকার মুহিব্বুল বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
এর আগেও একটি ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে কী পদক্ষেপ নিয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ওই ঘটনায় একজকে আটক করা হয়, তবে চুরি যাওয়া ট্রান্সফরমারটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে দুই মাসের ব্যবধানে জনবহুল এলাকা থেকে আবারও একটি ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। এতে বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে প্রায় ৩০০ পরিবার।
আজ বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের দাদপুর পুরাতন বন্দর এলাকার সড়কের পাশে একটি পোল থেকে এই চুরির ঘটনা ঘটে। এর আগে গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাতে পৌর এলাকার সুজাপুর প্লাস্টিক কারখানার সামনে থেকে একটি ট্রান্সফরমার চুরি হয়।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের দাদপুর পুরাতন বন্দর এলাকায় ভোরে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যায়। স্থানীয়রা সাধারণ লোডশেডিং মনে করেন। সকালে জানতে পারেন, পুরাতন বন্দর মোড়ের পোল থেকে ২৫০ কেভি ট্রান্সফরমারটি চুরি হয়েছে। এতে বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে দক্ষিণ বাসুদেবপুর, দাদপুর, নয়াপাড়া, মালিপাড়ার প্রায় ৩০০ পরিবার। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে এসব এলাকার মানুষ।
স্থানীয়রা আরও জানান, দুই মাস আগেও পৌর এলাকার সুজাপুর গ্রামের প্লাস্টিক কারখানার সামনে থেকে একটি ট্রান্সফরমার চুরি হয়। ওই ঘটনায় একজনকে আটক করলেও এখনো পর্যন্ত তা উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।
ফুলবাড়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের আবাসিক প্রকৌশলী (নেসকো) দেলোয়ার হোসেন বলেন, চুরি হওয়া ট্রান্সফরমারটি ২৫০ কেভির, যা দিয়ে প্রায় ৩০০ গ্রাহক বিদ্যুৎসেবা পান। এর আনুমানিক মূল্য ৬ লাখ টাকা। গ্রাহকের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত ট্রান্সফরমার লাগানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ফুলবাড়ী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হচ্ছে।
ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম খন্দকার মুহিব্বুল বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
এর আগেও একটি ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে কী পদক্ষেপ নিয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ওই ঘটনায় একজকে আটক করা হয়, তবে চুরি যাওয়া ট্রান্সফরমারটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
১ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে