খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

‘কোনঠে ফির ঝামেলা ইভিএমে তো সহজেই ভোট দিনু। মেশিনে টিপ দিতেই হয়া গেল।’ দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় জেলা পরিষদ নির্বাচনে ইভিএমে ভোট প্রদান শেষে এভাবে কথাগুলো বলছিলেন আংগারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মো. আবু খায়ের।
সারা দেশের ন্যায় আজ সোমবার সকাল ৯টায় থেকে দিনাজপুর খানসামা উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। যা চলবে দুপুর ২টা পর্যন্ত। ভোট প্রদান শেষে উচ্ছ্বসিত ভোটাররা।
জানা যায়, এবার খানসামা উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স হলরুম ভোটকেন্দ্রে ৮১ জন ভোটার ইভিএমের মাধ্যমে চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত আসনে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন। খানসামা উপজেলায় এই প্রথম ভোট ইভিএমে দিতে পেরে ভোটাররা স্বস্তি প্রকাশ করলেও অনেক ভোটারের মনে সন্দেহ রয়ে গেছে। যে মেশিনে কী হচ্ছে?
প্রিসাইডিং অফিসার মাসুদ রানা বলেন, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছে। দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রায় ৮০ ভাগ ভোট সংগ্রহ হয়েছে। ইভিএমে ভোটদানে কোনো প্রকার ঝামেলা হয়নি ভোটাররা উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিচ্ছে।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, এই নির্বাচনে খানসামা উপজেলা ৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে সদস্য পদে বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মরহুম আকবর আলী শাহয়ের নাতি শাহরিয়ার জামান শাহ নিপুণ, তালা প্রতীকে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কোষাধ্যক্ষ আজিজুর রহমান। তবে টিউবওয়েল প্রতীকের প্রার্থী সাংবাদিক ও ঠিকাদার মোছা. সারমিন রহমান টাকার খেলার অভিযোগে ভোট বর্জন করেন।
ভোটকেন্দ্রের সার্বক্ষণিক তদারকি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মাঠে রয়েছে থানা-পুলিশ, র্যাব ও আনসার বাহিনী। উপস্থিত আছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বীরগঞ্জ সার্কেল) খোদাদাদ সুমন, ওসি চিত্তরঞ্জন রায়, ইন্সপেক্টর (তদন্ত) তাওহীদ ইসলাম, সেকেন্ড অফিসার এসআই ইবনে ফরহাদসহ অনেকে।

‘কোনঠে ফির ঝামেলা ইভিএমে তো সহজেই ভোট দিনু। মেশিনে টিপ দিতেই হয়া গেল।’ দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় জেলা পরিষদ নির্বাচনে ইভিএমে ভোট প্রদান শেষে এভাবে কথাগুলো বলছিলেন আংগারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মো. আবু খায়ের।
সারা দেশের ন্যায় আজ সোমবার সকাল ৯টায় থেকে দিনাজপুর খানসামা উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। যা চলবে দুপুর ২টা পর্যন্ত। ভোট প্রদান শেষে উচ্ছ্বসিত ভোটাররা।
জানা যায়, এবার খানসামা উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স হলরুম ভোটকেন্দ্রে ৮১ জন ভোটার ইভিএমের মাধ্যমে চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত আসনে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন। খানসামা উপজেলায় এই প্রথম ভোট ইভিএমে দিতে পেরে ভোটাররা স্বস্তি প্রকাশ করলেও অনেক ভোটারের মনে সন্দেহ রয়ে গেছে। যে মেশিনে কী হচ্ছে?
প্রিসাইডিং অফিসার মাসুদ রানা বলেন, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছে। দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রায় ৮০ ভাগ ভোট সংগ্রহ হয়েছে। ইভিএমে ভোটদানে কোনো প্রকার ঝামেলা হয়নি ভোটাররা উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিচ্ছে।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, এই নির্বাচনে খানসামা উপজেলা ৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে সদস্য পদে বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মরহুম আকবর আলী শাহয়ের নাতি শাহরিয়ার জামান শাহ নিপুণ, তালা প্রতীকে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কোষাধ্যক্ষ আজিজুর রহমান। তবে টিউবওয়েল প্রতীকের প্রার্থী সাংবাদিক ও ঠিকাদার মোছা. সারমিন রহমান টাকার খেলার অভিযোগে ভোট বর্জন করেন।
ভোটকেন্দ্রের সার্বক্ষণিক তদারকি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মাঠে রয়েছে থানা-পুলিশ, র্যাব ও আনসার বাহিনী। উপস্থিত আছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বীরগঞ্জ সার্কেল) খোদাদাদ সুমন, ওসি চিত্তরঞ্জন রায়, ইন্সপেক্টর (তদন্ত) তাওহীদ ইসলাম, সেকেন্ড অফিসার এসআই ইবনে ফরহাদসহ অনেকে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে