দিনাজপুর প্রতিনিধি

ঠান্ডা হিমেল বাতাস আর শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দিনাজপুরসহ গোটা উত্তরাঞ্চল। গত কয়েক দিন ধরেই দিনাজপুরে তীব্র শীত। আজ বুধবার দিনাজপুরে দেশের সর্বনিম্ন ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, বুধবার দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস আর বাতাসের আর্দ্রতা ৯৬ শতাংশ। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় সর্বনিম্ন চার-পাঁচ কিলোমিটার থেকে সর্বোচ্চ ঘণ্টায় ৮-১০ কিলোমিটার।
দিনাজপুর ছাড়াও নীলফামারীর সৈয়দপুরে তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ২ ডিগ্রি, পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি, রংপুরে ১২ দশমিক ৩ ডিগ্রি, রাজারহাটে (কুড়িগ্রাম) ১২ ডিগ্রি, বগুড়ায় ১২ ডিগ্রি।
এদিকে হিমেল বাতাস আর তার সঙ্গে ঘন কুয়াশা শীত বাড়িয়ে দিয়েছে কয়েক গুণ। কুয়াশার কারণে দিনের বেলায়ও যানবাহনকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। অতিরিক্ত শীতে কাবু হয়ে পড়েছে বৃদ্ধ, শিশুসহ সব বয়সের মানুষ। বিশেষ করে গ্রাম ও নদীতীরবর্তী এলাকায় বাস করা গরিব ও ছিন্নমূল মানুষেরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে।
দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপলোর বড় গ্রামের শ্রমিক মমিনুল ইসলাম বলেন, ‘গত দুই-তিন দিন ধরে কাজে যাইনি। শীতল বাতাস আর ঘন কুয়াশার কারণে বাসায় বসে আছি। এই ঠান্ডায় কাজে যাওয়া যায় না।’
সদরের রামনগর বাজারে কাজের সন্ধানে আসা জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এত ঠান্ডা আমরা গরিব মানুষগুলো বিপদে পড়েছি। ঠান্ডার জন্য মানুষ কাজ দিতে চাচ্ছে না। আর কয়দিন গেলে না খেয়ে থাকতে হবে।’
দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘দিনাজপুরে আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি। পাশাপাশি একটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ দিনাজপুরসহ আশপাশের জেলাগুলোর ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে।’

ঠান্ডা হিমেল বাতাস আর শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দিনাজপুরসহ গোটা উত্তরাঞ্চল। গত কয়েক দিন ধরেই দিনাজপুরে তীব্র শীত। আজ বুধবার দিনাজপুরে দেশের সর্বনিম্ন ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, বুধবার দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস আর বাতাসের আর্দ্রতা ৯৬ শতাংশ। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় সর্বনিম্ন চার-পাঁচ কিলোমিটার থেকে সর্বোচ্চ ঘণ্টায় ৮-১০ কিলোমিটার।
দিনাজপুর ছাড়াও নীলফামারীর সৈয়দপুরে তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ২ ডিগ্রি, পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি, রংপুরে ১২ দশমিক ৩ ডিগ্রি, রাজারহাটে (কুড়িগ্রাম) ১২ ডিগ্রি, বগুড়ায় ১২ ডিগ্রি।
এদিকে হিমেল বাতাস আর তার সঙ্গে ঘন কুয়াশা শীত বাড়িয়ে দিয়েছে কয়েক গুণ। কুয়াশার কারণে দিনের বেলায়ও যানবাহনকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। অতিরিক্ত শীতে কাবু হয়ে পড়েছে বৃদ্ধ, শিশুসহ সব বয়সের মানুষ। বিশেষ করে গ্রাম ও নদীতীরবর্তী এলাকায় বাস করা গরিব ও ছিন্নমূল মানুষেরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে।
দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপলোর বড় গ্রামের শ্রমিক মমিনুল ইসলাম বলেন, ‘গত দুই-তিন দিন ধরে কাজে যাইনি। শীতল বাতাস আর ঘন কুয়াশার কারণে বাসায় বসে আছি। এই ঠান্ডায় কাজে যাওয়া যায় না।’
সদরের রামনগর বাজারে কাজের সন্ধানে আসা জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এত ঠান্ডা আমরা গরিব মানুষগুলো বিপদে পড়েছি। ঠান্ডার জন্য মানুষ কাজ দিতে চাচ্ছে না। আর কয়দিন গেলে না খেয়ে থাকতে হবে।’
দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘দিনাজপুরে আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি। পাশাপাশি একটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ দিনাজপুরসহ আশপাশের জেলাগুলোর ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে