বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির নেতা-কর্মীদের আন্দোলনের মুখে কার্যালয় ছেড়ে বাসায় বসে দাপ্তরিক কাজ করা দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা খাতুনকে বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখার উপসচিব মো. আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
প্রজ্ঞাপনে দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা খাতুনকে রাজশাহী বিভাগে ন্যস্ত করার কথা জানানো হয়।
স্বেচ্ছাচারিতা ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ইউএনও ফাতেমা খাতুনের অপসারণের দাবিতে গত বুধবার বেলা ৩টায় উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন হয়। এদিন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় কার্যালয় ছাড়েন ইউএনও। পরদিন বৃহস্পতিবার তিনি অফিসে না এসে বাসায় বসে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
বদলির বিষয়ে আজ বিকেলে ইউএনও ফাতেমা খাতুনকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি আজকের পত্রিকাকে জানান, তিনি অফিসে অবস্থান করছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বদলির বিষয়টি জেনেছেন বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে জাতীয় নাগরিক কমিটির পার্বতীপুর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘অনিয়ম ও দুর্নীতি বহাল রাখার জন্য আমরা রক্ত ঢেলে দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করিনি। কোনো অবস্থাতেই স্বৈরাচারের দোসর ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের অনিয়ম-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। যেখানেই অনিয়ম-দুর্নীতি হবে, সেখানেই আমরা প্রতিবাদ গড়ে তুলব।’

বেলা সাড়ে ১১টা। গ্যাসপাম্পের সামনে তখনো সারি সারি সিএনজিচালিত অটোরিকশা। কোনো চালক গাড়ির পাশে বসে আছেন, কেউ ক্লান্ত শরীরে সিটে হেলান দিয়ে চোখ বুজেছেন। সবাই অপেক্ষায় কখন গ্যাস পাবেন, কখন গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামবেন। কিন্তু সেই অপেক্ষার শেষ হয় না।
১ ঘণ্টা আগে
ভাঙার জন্য জাহাজ আমদানির পর ইয়ার্ডের সৈকতে ভেড়ানোর জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘শিপ রিসাইক্লিং বোর্ড’ থেকে প্রাথমিক অনুমতি (বিচিং পারমিশন) নিতে হয়। আর জাহাজের ফুয়েল ট্যাংক বা কার্গো হোল্ডে কোনো বিষাক্ত বা দাহ্য গ্যাস আছে কি না, তা পরীক্ষা করে ‘হট ওয়ার্ক/গ্যাসমুক্ত সনদ’ দেয় বিস্ফোরক অধিদপ্তর।
১ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নে মনু সেচ প্রকল্পের কাশিমপুর পাম্প হাউস। কৃষকদের কথা চিন্তা করে হাওরের পানি কমানোর জন্য এই পাম্প স্থাপন করা হয়। একটা সময় এটি হাওরাঞ্চলের কৃষকের ভরসা ছিল। তবে এখন সেটিই যেন সংকটের কারণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। পাম্পগুলো দিয়ে পর্যাপ্ত পানি না কমায় কৃত্রিম
১ ঘণ্টা আগে
সারা দেশে চলমান লোডশেডিংয়ের প্রভাব পড়েছে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পেও। বিদ্যুৎ না থাকায় দিনের বেশির ভাগ সময় তাঁত বন্ধ থাকছে। এতে উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে গেছে। সময়মতো অর্ডার সরবরাহ করতে না পারায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
১ ঘণ্টা আগে