Ajker Patrika

জুরাইনের শপিং মলগুলোতে ঈদের কেনাকাটার ধুম

শ্যামপুর-কদমতলী (ঢাকা) প্রতিনিধি জহিরুল আলম পিলু 
জুরাইনের শপিং মলগুলোতে ঈদের কেনাকাটার ধুম
জুরাইনের শপিং মলগুলোতে ক্রেতাদের ভিড়। ছবি: আজকের পত্রিকা

‎পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রায় এক সপ্তাহ বাকি থাকতেই রাজধানীর জুরাইনের শপিং মলগুলোতে দেখা গেছে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। গতকাল শুক্রবার সকাল থেকেই এসব শপিং মলগুলোতে কেনাকাটা করতে আসেন ক্রেতারা। ফুটপাতের দোকানগুলোতেও ভিড় দেখা গেছে।

জুরাইন রেলগেট-সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে ছোট-বড় ছয়টি শপিং মল। এগুলো হলো বিক্রমপুর প্লাজা, রহমান ম্যানশন, বুড়িগঙ্গা সেতু মার্কেট, হাবিবুল্লাহ মার্কেট, আলম সুপার মার্কেট ও রেজিয়া কমপ্লেক্স। এ ছাড়া ফুটপাতে রয়েছে বিভিন্ন পসরার কয়েক শ দোকান। ফলে এই এলাকার মানুষের পাশাপাশি দূরদূরান্ত থেকেও কেনাকাটা করতে আসেন হাজার হাজার ক্রেতা।

এদিকে অতিরিক্ত ভিড়ের সুযোগে পকেটমারের উৎপাত বেড়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ব্যবসায়ীরা জানান, বেশ কয়েকজন নারী ক্রেতার টাকা ও মোবাইল ফোন পকেটমাররা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পেয়েছেন তাঁরা।

‎বিক্রমপুর প্লাজায় কেনাকাটা করতে আসেন নাজমা। তিনি জানান, এবার পোশাকসহ সব জিনিসের দাম বেশি। তিনি আরও বলেন, ‘ভিড় এড়াতে আগেই কেনাকাটা করতে আসলাম। কিন্তু দেখি প্রচুর ভিড়। বাচ্চাদের জন্য শার্ট, প্যান্ট ও গেঞ্জি কিনলাম।’

জুরাইনের শপিং মলগুলোতে ক্রেতাদের ভিড়। ছবি: আজকের পত্রিকা
জুরাইনের শপিং মলগুলোতে ক্রেতাদের ভিড়। ছবি: আজকের পত্রিকা

‎কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুর থেকে সেতু মার্কেটে কেনাকাটা করতে আসা শিউলি বলেন, ‘ভাবছিলাম নিরিবিলিভাবে কেনাকাটা করব। কিন্তু এসে দেখি প্রচুর ক্রেতাদের সমাগম। ক্রেতাদের প্রচুর ভিড়ে জানি না কিছু কিনতে পারব কি না।’ তবে এবার কাপড়-চোপড়ের দাম অনেক বেশি বলে তিনি অভিযোগ করেন।‎

‎সরকারি চাকরিজীবী আরেক ক্রেতা নাজমুল বলেন, ‘কয়েক দিন পরেই পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদ করতে গ্রামে খুলনা চলে যাব। তাই দিন কেনাকাটা করতে আসলাম। কিন্তু প্রচণ্ড ভিড়ের কারণে কেনাকাটা করতেই হিমশিম খাচ্ছি।’

‎এ ব্যাপারে বিক্রমপুর প্লাজার সুমাইয়া ফ্যাশনের মালিক হুমায়ুন কবির জানান, এবার আগেভাগেই ক্রেতারা কেনাকাটা করতে আসছেন। ভালোই বিক্রি হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা এতে সন্তুষ্ট। তবে আমাদের বেশি দাম দিয়ে কিনতে হওয়ায়, বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।’ ‎

‎এ ব্যাপারে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির যুগ্ম মহাসচিব ও বুড়িগঙ্গা সেতু মার্কেটের ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির সভাপতি নাজিমুল আলী নাজিম বলেন, ‘এবার পকেট মারের উৎপাত অনেক বেশি। অনেক মহিলার টাকা ও মোবাইল ফোন পকেটমাররা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ আমরা পেয়েছি। ক্রেতা বিক্রেতাদের নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা নিজস্ব অতিরিক্ত সিকিউরিটি রেখেছি। তবে স্থায়ীভাবে পুলিশ না থাকলেও তারা মাঝে মাঝে এসে টহল দিয়ে যান।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

নদীর পাড়ে পড়ে ছিল অজ্ঞাতনামা যুবকের গলাকাটা ও মাথাবিহীন লাশ

এমপিকে অভ্যর্থনার পর হত্যা মামলার আসামির পোস্ট ‘এয়ারপোর্টে ভাইকে রিসিভ করলাম’

গণহত্যার মামলায় আইসিজেতে ইসরায়েলের পক্ষে-বিপক্ষে ৬ দেশ

জাল সনদে ১২৮ শিক্ষক, ফেরত দিতে হবে টাকা

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাব: জ্বালানির সংকটে আশার আলো দেখছে বাংলাদেশ

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত