প্রতিনিধি, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী)

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে জেলেদের জালে ২৬ কেজি ৫০০ গ্রাম ওজনের একটি বিশাল পাঙাশ মাছ ধরা পড়েছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় মানিকগঞ্জের জাফরগঞ্জ এলাকার রতন হালদারের জালে পাঙাশটি ধরা পড়ে।
পরে মাছটি দৌলতদিয়া ফেরিঘাট মৎস্য আড়তে আনা হয়। সেখানে উন্মুক্ত নিলামে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা ১ হাজার ৬৫০ টাকা কেজি দরে ৪৩ হাজার ৭০০ টাকায় মাছটি কিনে নেন। আজ সকালে ঢাকার এক মাছ ব্যবসায়ীর কাছে মাছটি বিক্রি করেছেন তিনি।
জেলে রতন হালদার বলেন, শনিবার কয়েকজনকে নিয়ে নদীতে মাছ শিকারে যাই। বিকেলে নদীতে জাল ফেলি। সন্ধ্যায় জাল টেনে নৌকায় তোলার সময় দেখতে পাই বড় একটি পাঙাশ মাছ। মাছটি ওজন দিয়ে দেখি ২৬ কেজি ৫০০ গ্রাম। মাছটি বিক্রি করার জন্য নিলে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের মাছ ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা নিলামে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে মাছটি কিনে নেন। মাছটি কিনে তিনি দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ফেরিঘাটে পন্টুনের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে রাখেন। তখন মাছটি দেখতে অনেকেই ভিড় জমান।
মৎস্য ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা বলেন, এখন মাঝে মধ্যে বড় মাছ ধরা পড়ছে। তবে ২৬ কেজি ওজনের পাঙাশ খুব কমই দেখা গেছে এবার। আজ সকালে ঢাকার এক পরিচিত ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে মাছটি প্যাকেট করে পাঠিয়ে দিয়েছি। তবে ঢাকার ব্যবসায়ীর কাছে কতো টাকায় বিক্রি করেছেন তা বলতে চাননি চান্দু মোল্লা।
গোয়ালন্দ উপজেলার ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরীফ বলেন, ভরা বর্ষা হওয়ায় এখন মাঝেমধ্যে পদ্মা ও যমুনা নদীতে বড় বড় পাঙাশ, কাতল, রুই, বাগাড় ও বোয়াল ধরা পড়ছে। এ ধরনের মাছ এ অঞ্চলের মানুষের জন্য সুখবর। তবে স্থানীয়ভাবে এ ধরনের মাছ রক্ষার ব্যবস্থা করতে পারলে সবাই আরও বেশি উপকৃত হতো।

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে জেলেদের জালে ২৬ কেজি ৫০০ গ্রাম ওজনের একটি বিশাল পাঙাশ মাছ ধরা পড়েছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় মানিকগঞ্জের জাফরগঞ্জ এলাকার রতন হালদারের জালে পাঙাশটি ধরা পড়ে।
পরে মাছটি দৌলতদিয়া ফেরিঘাট মৎস্য আড়তে আনা হয়। সেখানে উন্মুক্ত নিলামে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা ১ হাজার ৬৫০ টাকা কেজি দরে ৪৩ হাজার ৭০০ টাকায় মাছটি কিনে নেন। আজ সকালে ঢাকার এক মাছ ব্যবসায়ীর কাছে মাছটি বিক্রি করেছেন তিনি।
জেলে রতন হালদার বলেন, শনিবার কয়েকজনকে নিয়ে নদীতে মাছ শিকারে যাই। বিকেলে নদীতে জাল ফেলি। সন্ধ্যায় জাল টেনে নৌকায় তোলার সময় দেখতে পাই বড় একটি পাঙাশ মাছ। মাছটি ওজন দিয়ে দেখি ২৬ কেজি ৫০০ গ্রাম। মাছটি বিক্রি করার জন্য নিলে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের মাছ ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা নিলামে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে মাছটি কিনে নেন। মাছটি কিনে তিনি দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ফেরিঘাটে পন্টুনের সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে রাখেন। তখন মাছটি দেখতে অনেকেই ভিড় জমান।
মৎস্য ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা বলেন, এখন মাঝে মধ্যে বড় মাছ ধরা পড়ছে। তবে ২৬ কেজি ওজনের পাঙাশ খুব কমই দেখা গেছে এবার। আজ সকালে ঢাকার এক পরিচিত ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে মাছটি প্যাকেট করে পাঠিয়ে দিয়েছি। তবে ঢাকার ব্যবসায়ীর কাছে কতো টাকায় বিক্রি করেছেন তা বলতে চাননি চান্দু মোল্লা।
গোয়ালন্দ উপজেলার ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরীফ বলেন, ভরা বর্ষা হওয়ায় এখন মাঝেমধ্যে পদ্মা ও যমুনা নদীতে বড় বড় পাঙাশ, কাতল, রুই, বাগাড় ও বোয়াল ধরা পড়ছে। এ ধরনের মাছ এ অঞ্চলের মানুষের জন্য সুখবর। তবে স্থানীয়ভাবে এ ধরনের মাছ রক্ষার ব্যবস্থা করতে পারলে সবাই আরও বেশি উপকৃত হতো।

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে