
সাংবাদিক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, তাঁর স্ত্রী সঞ্চিতা দত্ত ও মেয়ে সুষমা শশী দত্তের ১৮টি ব্যাংক হিসাবে থাকা ৫ কোটি ৩২ লাখ ১৯ হাজার ৮০ টাকা অবরুদ্ধ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) তানজির আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
দুদকের উপপরিচালক বায়োজিদুর রহমান খান তাঁদের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ চেয়ে আবেদন করেন।
দুদকের আবেদনে বলা হয়েছে, শ্যামল দত্ত ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্টদের বেশ কিছু অস্থাবর সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে। বিভিন্ন ব্যাংকে থাকা ওই সব অস্থাবর সম্পদ অর্জনের কোনো সুস্পষ্ট উৎস পাওয়া যায়নি। সম্পদসমূহ নানাভাবে হস্তান্তর/স্থানান্তরের মাধ্যমে প্রকৃত উৎস আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা মানি লন্ডারিংয়ের অপরাধ।
এ অভিযোগ অনুসন্ধানকালে দুদক জানতে পেরেছে অভিযুক্তরা হস্তান্তর বা স্থানান্তরের চেষ্টা করছেন। হস্তান্তর বা স্থানান্তর করা হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এ অবস্থায় ব্যাংক হিসাবসমূহ অবরুদ্ধ করা একান্ত প্রয়োজন।

স্বজনদের ভাষ্য, প্রায় ১৫ বছর আগে পারিবারিকভাবে তাহমিনা ও তাইফুরের বিয়ে হয়। দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল। এর জেরে রাতে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে তাহমিনাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ। পরে মরদেহ বিছানায় রেখে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়।
৪০ মিনিট আগে
এনায়েত পরিবার নিয়ে গ্রাম থেকে চাচাতো ভাই রুবেলের ওই বাসায় এসেছিলেন বেড়াতে। একই বাড়ির চারতলায় থাকেন সাজেদ মাতব্বর। রাত সাড়ে ৩টার দিকে দ্বিতীয় তলায় বিস্ফোরণ হয়। বিকট শব্দ শুনে সবাই বেরিয়ে দেখেন, ভবনের নিচতলা ও দ্বিতীয় তলার দেয়াল ভেঙে গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন, দুটি গুলিসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের মহজমপুর এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া ফারুক (৩৬) নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাহ্মন্দী গ্রামের মানিক মিয়ার ছেলে।
২ ঘণ্টা আগে
পরে গাড়ির ভেতরে তাঁকে মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চোখ ও হাত বেঁধে ফেলে অপহরণকারীরা। এ সময় তারা তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা নিয়ে নেয় এবং বিকাশ অ্যাকাউন্টের পিন নম্বর জানতে চায়। অভিযোগে বলা হয়েছে, তাঁর বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং মানিব্যাগে থাকা প্রায় ১৫ হাজার ৩৫০ টাকা নেওয়া হয়।
২ ঘণ্টা আগে