
রাজধানীর দিয়াবাড়ি এলাকায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির যেসব শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মানসিকভাবে অসুস্থ হয়েছে, তাদের জন্য স্কুল চত্বরে খোলা হয়েছে তিনটি পৃথক কাউন্সেলিং সেন্টার। এখানে অভিজ্ঞ পরামর্শকেরা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সহায়তা দিচ্ছেন।
এদিকে প্রতিষ্ঠানটিতে চলছে দুর্ঘটনাপরবর্তী শেষ মুহূর্তের আলামত সংগ্রহের কাজ। আজ রোববার (২৭ জুলাই) সকালে বিমানবাহিনীর সদস্যদের দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ও এর আশপাশ থেকে আলামত সংগ্রহ করতে দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী, অভিভাবকদের উপস্থিতি নেই। তবে বাইরে ভিড় করছেন উৎসুক মানুষ। দুর্ঘটনার পর কয়েক দিন জনসাধারণের প্রবেশ নিষেধ থাকলেও আজ থেকে কেউ বাধা ছাড়াই ভেতরে প্রবেশ করতে পারছেন।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, আজ থেকে শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা স্থগিত করা হয়েছে। আগামীকাল সোমবার সিদ্ধান্ত জানানো হবে—কবে থেকে ক্লাস শুরু হবে। ইতিমধ্যে শিক্ষক ও কর্মচারীরা ক্যাম্পাস স্বাভাবিক করতে কাজ করে যাচ্ছেন।
দুর্ঘটনার পর থেকে বিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি ধীরে ধীরে কার্যক্রম স্বাভাবিক করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

কয়েকজন বাসযাত্রী বলেন, যেখানে সিরাজগঞ্জগামী বাসের ভাড়া সাধারণ সময়ে প্রায় ৩৫০ টাকা, সেখানে ঈদ উপলক্ষে ৭০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়ার চেষ্টা করছেন কিছু পরিবহন মালিক।
২৫ মিনিট আগে
৮ নম্বর ওয়ার্ডের ভুক্তভোগী মুন্নি বেগম ও আল আমিন বলেন, ‘সরকার আমাদের ১০ কেজি করে চাল দিয়েছে। কিন্তু মেম্বার পাঁচজনকে ৩০ কেজির একটি বস্তা দিয়ে বলেছেন—এর বেশি নেই। আমরা গরিব মানুষ, তাই আর কিছু বলতে পারিনি।’
৪৪ মিনিট আগে
ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি সাদুল্লাপুরে যাচ্ছিলেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা তানজিমুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘গোবিন্দগঞ্জে প্রায়ই যানজটের কারণে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। ঈদের সময় এই যানজট আরও ভয়াবহ হতে পারে।’
১ ঘণ্টা আগে
মোসা. লাইজু বেগম নামের এক নারী ছোট শিশুকে কোলে নিয়ে চাল নিতে আসেন। বেলা দেড়টার দিকে অনেক কষ্টে চাল নিয়ে বের হন তিনি। তাঁর ভাষ্য, পরিষদের ভেতরে প্রচুর ভিড় ও ঠাসাঠাসি ছিল। সকালে শিশু নিয়ে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর এক ব্যক্তির সহায়তায় কোনোমতে চাল নিতে পেরেছেন।
১ ঘণ্টা আগে